, ১৪ মাঘ ১৪২৮ অনলাইন সংস্করণ

বৃষ্টি হলেই একাকার

  নিজস্ব প্রতিবেদক

  প্রকাশ : 

বৃষ্টি হলেই একাকার

সামান্য বৃষ্টিতে শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার মঙ্গল মাঝিরঘাটের একমাত্র বাস-সিএনজি-টেম্পু স্ট্যান্ডটি কাদাপানিতে একাকার হয়ে যায়। ফলে চলাচলে ভোগান্তির শিকার হন যাত্রী, চালক ও পথচারীরা।

স্থানীয় লোকজন জানান, জাজিরা উপজেলার মঙ্গল মাঝিরঘাট পাকা সড়ক থেকে লঞ্চ ঘাটের টিকিট কাউন্টার পর্যন্ত প্রায় ৩০০ মিটার এলাকা দীর্ঘদিন সংস্কারের মুখ দেখেনি। প্রায় ১০ বছর আগে স্ট্যান্ডটির সড়কের ওপর ইটের খোয়া ফেলা হয়। এরপর আর কোনো কাজ করা হয়নি। ফলে সামান্য বৃষ্টি হলেই স্ট্যান্ডটিতে হাঁটুপানি জমে কাদায় পরিণত হচ্ছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, শরীয়তপুর মঙ্গল মাঝিরঘাট-মুন্সিগঞ্জের শিমুলিয়া নৌরুটে লঞ্চ, ট্রলার ও স্পিডবোট যোগে শরীয়তপুর জেলার ছয়টি উপজেলার সাতটি থানার মানুষের ঢাকায় যাতায়াত। শুধু তাই নয় সময় ও দূরত্ব বাঁচাতে মাদারীপুরসহ বরিশালের সবকটি জেলার মানুষ ওই পথ দিয়ে আশা যাওয়া করছে। ঢাকা-শরীয়তপুরে যাতায়াতের জন্য বাস, সিএনজি, অটো, টেম্পু ও মোটরসাইকেলে প্রতিদিন হাজার হাজার যাত্রী মঙ্গল মাঝিরঘাট এলাকায় আসেন। এখানে যানবাহনগুলোতে যাত্রীরা ওঠানামা করেন। মঙ্গল মাঝিরঘাট এলাকায় বৃষ্টি হলে প্রায় ৩০০ মিটার জায়গা কাদা-পানি জমে একাকার হয়ে থাকে। এই কাদা-পানি ডিঙিয়ে চলাচল করছেন যাত্রী, চালক ও পথচারীরা।

Jajira

ভাড়ায় মোটরসাইকেল চালক সুমন হাওলাদার বলেন, দীর্ঘদিন ধরে গুরুত্বপূর্ণ এ যায়গাটি সংস্কার করা হয়নি। কাদাপানি জমলে কষ্টের শেষ থাকে না। তাই জায়গাটি উঁচু করে পাকা করা প্রয়োজন।

মুদি দোকানি মো. শহিদ হোসেন বলেন, বর্ষা ছাড়াই সামান্য বৃষ্টিতে কাদাপানি জমে থাকে এখানে। এই কাদাপানি মাড়িয়ে আমার দোকানে আসা-যাওয়া করতে হচ্ছে। একদিন বৃষ্টি হলে ৫-৭ দিন বেচা বিক্রি হয় না।

বাস চালক সিরাজুল ইসলাম ঘরামি বলেন, সামান্য বৃষ্টি হলে স্ট্যান্ডটি দিয়ে বাস চলাচল ও বাস রাখা কঠিন হয়ে যায়। যাত্রীদেরও ভোগান্তির শেষ নেই। তাই সড়কটির সংস্কার প্রয়োজন।

Jajira

মঙ্গল মাঝিরঘাট বাস-সিএনজি-টেম্পু স্ট্যান্ড ইজারাদার নেছার মাদবর বলেন, এই স্ট্যান্ডের সড়কটি দিয়ে হাজার হাজার মানুষ ও যানবাহন চলাচল করে। সড়কটির অবস্থা খুবই খারাপ। সরকারি স্ট্যান্ডটি সংস্কারের জন্য বার বার বললেও কেউ এটার ব্যাপারে ব্যবস্থা নিচ্ছে না। বাংলাদেশ সরকারের কাছে আমাদের দাবি সড়কটি সংস্কার করা হোক।

এ বিষয়ে জাজিরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আশরাফুজ্জামান ভূঁইয়া বলেন, এটা গুরুত্বপূর্ণ একটি স্ট্যান্ড। বৃষ্টি হলে কাদাপানি জমে থাকে। জায়গাটির ব্যাপারে জেলা প্রশাসক ও এমপি মহোদয়কে জানানো হয়েছে।

  • সর্বশেষ - সারাদেশ