, ১৪ মাঘ ১৪২৮ অনলাইন সংস্করণ

ময়মনসিংহে স্বতন্ত্র ১১, নৌকার ১৪ প্রার্থী জয়ী

  নিজস্ব প্রতিবেদক

  প্রকাশ : 

ময়মনসিংহে স্বতন্ত্র ১১, নৌকার ১৪ প্রার্থী জয়ী

তৃতীয় ধাপে অনুষ্ঠিত ময়মনসিংহ সদর, মুক্তাগাছা ও ত্রিশাল উপজেলার ২৭টি ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। এতে ১৪টিতে আওয়ামী লীগ, ১১টিতে স্বতন্ত্র এবং একটিতে লাঙল প্রতীকের প্রার্থী জয়ী হয়েছেন। ত্রিশালের রামপুর ইউনিয়নের ফলাফল স্থগিত ঘোষণা করা হয়েছে।

মুক্তাগাছা উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা সৈয়দা শারমিন সুলতানা জাগো নিউজকে বলেন, দিনভর শান্তিপুর্ণ ভোট শেষে নৌকা প্রতীক নিয়ে পাঁচজন এবং সতন্ত্র থেকে পাঁচজন চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন।

এদের মধ্যে কাশিমপুর ইউনিয়নে মো. মোয়াজ্জেম হোসেন তালুকদার নৌকা প্রতীকে ১১ হাজার ৯৮৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মো. ইফতেখার রছুল চৌধুরী আনারস প্রতীকে পেয়েছেন ১০ হাজার ৩৪১ ভোট।

কুমারগাতা ইউনিয়নে মো. আকবর আলী নৌকা প্রতীকে ১২ হাজার ৩০৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আনিসুর রহমান চশমা প্রতীকে পেয়েছেন পাঁচ হাজার ৬১৭ ভোট।

বাশাঢী ইউনিয়নে উজ্জল কুমার চন্দ নৌকা প্রতীকে ১০ হাজার ৯৫৯ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মো. মনজুর রশিদ সরকার চশমা প্রতীকে পেয়েছেন চার হাজার ১২৯ ভোট।

ঘোগা ইউনিয়নে শরীফ আহমেদ নৌকা প্রতীকে নয় হাজার ১১৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মো. কামরুজ্জামান লেবু আনারস প্রতীকে পেয়েছেন আট হাজার ৭৫৩ ভোট।

তারাঢী ইউনিয়নে মো. মনিরুজ্জামান নৌকা প্রতীকে সাত হাজার ২০৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আব্দুল্লাহ মো. মোজাহিদ পেয়েছেন ছয় হাজার ২৮৪ ভোট।

বড়গ্রাম ইউনিয়নে মো. জাহান আলী ঘোড়া প্রতীকে সাত হাজার ৩৮৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মো. সিদ্দিকুজ্জামান নৌকা প্রতীকে পেয়েছেন ছয় হাজার ১২৪ ভোট।

দুল্লা ইউনিয়নে হোসেন আলী আনারস প্রতীকে ছয় হাজার ৮৭২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সিরাজুল ইসলাম নৌকা প্রতীকে পেয়েছেন চার হাজার ৫৭৯ ভোট।

মোনাকোন ইউনিয়নে মো. শহিদুল ইসলাম আনারস প্রতীকে সাত হাজার ৯০৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মো. সুলতান মাহমুদ মোটরসাইকেল প্রতীকে পেয়েছেন ছয় হাজার ৭০৪ ভোট।

দাওগাঁও ইউনিয়নে খন্দকার মো. জামাল উদ্দিন বাদশা অটোরিকশা প্রতীকে ১১ হাজার ২৩৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মাওলানা আব্দুল লতিফ আনারস প্রতীকে পেয়েছেন সাত হাজার ৯৫ ভোট।

খেরুয়াজানী ইউনিয়নে মো. হারুন অর রশিদ টেবিল ফ্যান প্রতীকে পাঁচ হাজার ১১৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আমিনুল ইসলাম চশমা প্রতীকে পেয়েছেন চার হাজার ১৭৫ ভোট।

সদর উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোজাম্মেল হক জাগো নিউজকে বলেন, ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সদরের পাঁচ ইউপিতে নৌকার প্রার্থী তিনটিতে, স্বতন্ত্র প্রার্থী একটিতে এবং লাঙল প্রতীকের প্রার্থী একটিতে জয়ী হয়েছেন।

নৌকা প্রতীক নিয়ে বিজয়ীরা হলেন- অষ্টধার ইউপিতে এমদাদুল হক আরমান, বোররচরে ইঞ্জিনিয়ার আশরাফুল আলম সাব্বির এবং কুষ্টিয়ায় বীর মুক্তিযোদ্ধা এসএম শামসুল হক কালু। এছাড়া ঘাগড়া ইউনিয়নে স্বতন্ত্র থেকে বিজয়ী হয়েছেন মো. সাইদুর রহমান এবং পরানগঞ্জে লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে বিজয়ী হয়েছেন আবু হানিফ সরকার।

এদিকে, ত্রিশাল উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. আয়নাল হক বলেন, উপজেলায় ছয়টিতে নৌকা, পাঁচটিতে স্বতন্ত্র প্রার্থী জয়ী হয়েছেন। একটির ফলাফল স্থগিত ঘোষণা করা হয়েছে।

তিনি বলেন, নৌকা প্রতীক নিয়ে বিজয়ীরা হলেন- ধানীখোলায় মামুনুর রশিদ সোহেল, আমিরাবাড়ীতে হাবিবুর রহমান হাবিব মাস্টার, কানিহারীতে শহিদুল্লাহ মন্ডল, ত্রিশালে জাকির হোসেন, সাখুয়ায় ডা. আজিজ এবং বালিপাড়ায় গোলাম আহমেদ বাদল। বিজয়ী স্বতন্ত্র প্রার্থীরা হলেন- বৈলর ইউপিতে খন্দকার মশিউর রহমান শাহানশাহ, কাঁঠাল ইউপিতে নূরে আলম সিদ্দিকী আলম, হরিরামপুর ইউপিতে আবু সাঈদ, মঠবাড়ী ইউপিতে আ. কুদ্দুস মন্ডল এবং মোক্ষপুর ইউপিতে সামসুদ্দিন।

  • সর্বশেষ - ইলেকশন স্পেশাল