, ২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯ অনলাইন সংস্করণ

বঙ্গবন্ধুকে নয়, ঘাতকরা দেশের মানুষের ভাগ্যকে হত্যা করেছিল

  নিজস্ব প্রতিবেদক

  প্রকাশ : 

বঙ্গবন্ধুকে নয়, ঘাতকরা দেশের মানুষের ভাগ্যকে হত্যা করেছিল

ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেছেন, ঘাতকরা বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করেনি, হত্যা করেছিল এ দেশের মানুষের ভাগ্যকে। ২০২১ সালে বাংলাদেশ যে জায়গায় পৌঁছেছে, তিনি বেঁচে থাকলে ২০০০ সালেই সেখানে পৌঁছে যেত।

শনিবার রাজধানীতে বাংলা একাডেমির শাহ আব্দুল করিম মিলনায়তনে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় আয়োজিত ‘বঙ্গবন্ধুর রাষ্ট্র-সৃষ্টি বিপ্লব : স্বাধীনতার ৫০ বছরে অগ্রগতি ও প্রতিবন্ধকতা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. মশিউর রহমান অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন।

বঙ্গবন্ধু মা, মাটি ও মাতৃভাষা এ তিনের সঙ্গে আপস করেননি উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, পঁচাত্তরে সপরিবারে বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর দীর্ঘ ২১ বছর বাংলাদেশকে পাকিস্তানি ধারায় ফিরিয়ে নেওয়া হয়; কিন্তু ষড়যন্ত্রকারীরা সফল হয়নি। ১৯৯৬ সালে বঙ্গবন্ধুর রক্তের উত্তরসূরি জননেত্রী শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব নেওয়ার পর ২১ বছরে জঞ্জাল অপসারণ করে দেশকে এগিয়ে নেওয়ার সংগ্রাম শুরু করেন। 

১৯৬৯ সালে শুরু হওয়া তৃতীয় শিল্প বিপ্লবে যুক্ত করতে বঙ্গবন্ধুর নেওয়া বিভিন্ন যুগান্তকারী কর্মসূচি তুলে ধরেন মোস্তাফা জব্বার। তিনি বলেন, যুদ্ধের ধ্বংসস্তুপের ওপর দাঁড়িয়েও প্রযুক্তিতে ৩২৪ বছরের পশ্চাদপদতা অতিক্রম করার উদ্যোগ বঙ্গবন্ধু শুরু করেন। এর অংশ হিসেবে বেতবুনিয়ায় ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা, আইটিইউ, ইউপিইউ সদস্যপদ অর্জন, টিঅ্যান্ডটি বোর্ড গঠন, প্রাথমিক শিক্ষা জাতীয়করণ এবং কারিগরি শিক্ষায় গুরুত্বারোপসহ বিভিন্ন কার্যক্রমের মাধ্যমে তিনি ডিজিটাল বিপ্লবের বীজ বপন করেন। 

মোস্তাফা জব্বার বলেন, ২০১৯ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি পৃথিবীতে প্রথম ফাইভ-জি চালু হওয়ার মাত্র দুবছরের ব্যবধানে ফাইভ-জি প্রযুক্তি যুগে প্রবেশ ডিজিটাল প্রযুক্তিতে বিশ্বে বাংলাদেশের সক্ষমতারই প্রকাশ।

পরে মন্ত্রী বাংলাদেশ : ‘সংগ্রাম সিদ্ধি, মুক্তি’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন করেন।
  • সর্বশেষ - জাতীয়