, ১৩ আষাঢ় ১৪২৯ অনলাইন সংস্করণ

স্বাধীনতা দিবসে তরুণদের ভাবনা

  ফিচার ডেস্ক

  প্রকাশ : 

স্বাধীনতা দিবসে তরুণদের ভাবনা

মেহেরাবুল ইসলাম সৌদিপ

২৬শে মার্চ স্বাধীনতা দিবস। ২০২২ সালের ২৬ মার্চ বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৫১ বছর পূর্ণ হবে। স্বাধীনতা দিবস আজও তরুণ প্রজন্মের কাছে এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা। স্বাধীনতা অর্জনের লক্ষ্যে রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধে আত্মদানকারী শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন এবং জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার শপথ গ্রহণের মধ্য দিয়ে গর্বিত জাতি ৫১তম মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন করছে।

দীর্ঘ নয় মাসের সংগ্রামের ফসল আমাদের স্বাধীনতা। স্বাধীনতা দিবস আজও তরুণ প্রজন্মের কাছে এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা। প্রেরণা যোগায় নিষ্ঠার পথে নির্ভীক যোদ্ধা হওয়ার। শুধু একটি দিবস হিসেবে নয়, এর বর্ণচ্ছটায় বদলে যায় জীবনের গতিপথ, সাহস যোগায় নতুন শপথ নেওয়ার। আর এ কারণেই স্বাধীনতা দিবসের তাৎপর্য এত বেশি।

মহান এই স্বাধীনতা দিবসে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যয়নরত তরুণ মেধাবীদের শিক্ষার্থীদের ও জগন্নাথ ইউনিভার্সিটি ফিচার, কলাম এন্ড কন্টেন্ট রাইটার্স সংগঠনের সদস্যদের ভাবনা ও মতামত তুলে ধরেছেন মেহেরাবুল ইসলাম সৌদিপ-

আঁখি আক্তার বন্যা, ইতিহাস বিভাগ
দীর্ঘ আন্দোলন সংগ্রাম আর মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে স্বাধীন বাংলাদেশের ৫১ বছর পূর্ণ হচ্ছে ২০২২ সালে। স্বাধীনতা অর্জনের পর জনগণের মনে তৈরি হয় সমাজ নতুনভাবে গড়ে তোলার গভীর আকাঙ্ক্ষা। সেই সময় ভিন্ন সাংস্কৃতিক এবং রাজনৈতিক চর্চা প্রবর্তনের মাধ্যমে নাগরিকদের মনে সম্পূর্ণ নতুন চেতনা সৃষ্টি করা জরুরি। স্বাধীনতা লাভ করা একটি জাতির জন্য অত্যন্ত গৌরবের ব্যাপার। তবে স্বাধীনতা রক্ষায় অধিক সতর্ক, সচেতন এবং সৃষ্টিশীল হতে হয়।

স্বাধীনতা অর্জিত হলেই চিরস্থায়ী হয় না। তা যে কোনো সময় হরণ হতে পারে। তাই স্বাধীনতা অর্জনই মূল উদ্দেশ্য নয়। একে সমুন্নত রাখা একটি সার্বক্ষণিক কাজ। স্বাধীনতা অর্জনের পর তার নানামাত্রিক আবেদন ও দাবি ধারণ করতে না পারলে প্রকৃত স্বাধীনতা টিকে থাকে না, বরং স্বাধীনতার নামে একটা মোড়ক শুধু অবশিষ্ট থাকে। ভেতরে ভেতরে রাষ্ট্রের হৃদয় ও আত্মায় পরাধীনতার সব আলামত স্পষ্ট হয়ে উঠে। তাই স্বাধীনতা রক্ষায় আমাদের তৎপর হতে হবে।

মো. সাকিবুল ইসলাম, সমাজকর্ম বিভাগ
স্বাধীনতা মানবজীবনের অমূল্য সম্পদ। কিন্তু আমাদের স্বাধীনতা শুধু কোনোরকমে বেঁচে থাকার জন্য করা হয়নি। আমরা স্বাধীনতা চেয়েছিলাম, মুক্তি চেয়েছিলাম, মর্যাদা চেয়েছিলাম, সাম্য চেয়েছিলাম, ন্যায়বিচার চেয়েছিলাম। সেই স্বাধীনতার বয়সও ৫১ বছর! অর্ধ শতাব্দির স্বাধীন হওয়া একটি দেশ হিসেবে আমাদের অর্জন কতটুকু সেই প্রশ্ন ঘুরেফিরেই তো আসে। ১৯৭১ নিয়ে আমাদের গৌরব আছে, আমাদের গল্প আছে, কিন্তু ৭১ পরবর্তী গল্পগুলো খুব বেশি এগুতে পারছে না।

আমাদের দেশের নাম, পতাকা, শাসক ও শাসন পদ্ধতি বদলেছে। আমরা নিজেদের স্বাধীন দেশের নাগরিক বলতে পারছি কিন্তু যে পরিমাণ ত্যাগ, ক্ষত আর রক্তের বিনিময়ে আমরা স্বাধীনতা পেয়েছি, সেই আনুপাতিক হারে আমাদের অর্জন হয়নি। রাজনৈতিক বিভেদ, ধর্মীয় কাদা ছোড়াছুড়ির মাধ্যমে সৃষ্ট অনৈক্য এর অন্যতম বড় কারণ। তাই নিজের মাতৃভূমিকে ভালোবাসে এমন মানুষগুলোর মধ্যে ঐক্য দরকার। মুক্তিযোদ্ধার চেতনা বুকে ধারণ করি কিন্তু এই চেতনা ব্যবহার করে নতুন প্রজন্মকে যদি মুক্তিযুদ্ধের বাইরে থাকা সকল শক্তির বিরুদ্ধে শুধু বিষোদগারই শেখানো হয়, তাহলে মুক্তিযুদ্ধের আদর্শিক অঙ্গীকার অন্ধকারে নিমজ্জিত হবে।

মুক্তিযুদ্ধ দেখেনি, দেশকে ভালোবাসে- এমন তরুণ বাংলাদেশে লক্ষ লক্ষ। তাদের সামনে দেশপ্রেমের উদাহরণ আরও বেশি করে তুলে ধরতে হবে। পরাধীন জাতি পশুর চেয়ে অধম। তাই স্বাধীনতা এত আনন্দের, এত গৌরবের। স্বাধীনতা দিবসের আনন্দ জাতীয় জীবনে নতুন প্রাণের সঞ্চার করুক। স্বাধীনতাকে রক্ষা করার শপথই হোক স্বাধীনতা দিবস উদযাপনের মূলমন্ত্র।

নাজমুন নাহার সুপ্তি, আইন বিভাগ
স্বাধীনতা মানে নিজের অস্তিত্বের অনুভূতি, একই ভূখন্ডে ভালোবাসার মানুষজনের সঙ্গে পরম মমতায় থাকতে পারা, এদেশের মাটির গন্ধের সঙ্গে নিজের অস্তিত্বকে খুঁজে পাওয়ার সূক্ষ্ম টান অনুভব করা। নিজেকে খুঁজে পাওয়ার ইচ্ছে থেকেই আমরা লড়াই করে যাই নিজেদের ওপর হয়ে যাওয়া অন্যায়, অত্যাচারের বিরুদ্ধে। এই অন্যায়, নিষ্পেষণের মধ্যে থেকে নিজের অস্তিত্বকে আবিষ্কার করতে স্বাধীনতা শব্দটিকে ‘আমাদের’ করার জন্য সেই দুঃসাহসিক স্বপ্ন দেখার রাত ছিল ১৯৭১ এর ২৬ এ মার্চ।

স্বাধীনতার ৫১ বছর পর ডিজিটাল বাংলাদেশ, স্বপ্নের পদ্মাসেতু, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র, পোষাক শিল্প, ঔষধ শিল্পের অগ্রগতি, মেট্রোরেল এর মতো সরকারের বিভিন্ন প্রকল্প যেমন আমাদের ভবিষ্যৎ উন্নতশীল দেশের পরিচয়ের স্বপ্ন দেখায়। এই সোনার বাংলা কে দেশের প্রতিটি নাগরিকের স্বপ্নের সোনার বাংলা করতে চাই। সেজন্য আমাদের প্রত্যেককে যার যার জায়গা থেকে নিজেদের দায়িত্বগুলো সঠিকভাবে পালন করে যেতে হবে।তবেই সরকার ও জনগণের সম্মিলিত চেষ্টায় আমরা আমাদের সেই অস্তিত্ব গাঁথা বাংলাকে খুঁজে পাবো যার জন্য বাংলার বীরত্বের শ্রেষ্ঠ অধ্যায়ের রচনা হয়েছে। তাই তো আমার মতো প্রত্যেকে আজও বারবার খুঁজে ফিরি চিরচেনা সেই আমার বাংলাকে।

সাফা আক্তার নোলক, দর্শন বিভাগ
‘এটাই হয়তো আমার শেষ বার্তা, আজ থেকে বাংলাদেশ স্বাধীন’। হ্যাঁ, সত্যিই আজ আমরা স্বাধীন। এই স্বাধীনতা বাঙালি জাতির বহু প্রতীক্ষিত স্বপ্নের ফল। আর এই স্বপ্ন বাস্তবায়নের খুঁটি বোনা হয় ২৬শে মার্চ এই মহান দিনে। এই দিনটির তাৎপর্য বাঙালি নামক জাতির কাছে অসীম। কারণ আজও এই দিন দেয় সামনে এগিয়ে যাওয়ার উৎসাহ ও উদ্দীপনা। বাংলার প্রতিটি তরুণ আজ উপলব্ধি করতে পারে নিজ অস্তিত্ব ও খুঁজে পায় অদম্য সাহস।

কিন্তু যে স্বপ্ন নিয়ে আজকের এই দিনে মুক্তির ডাক দেওয়া হয়েছিল আমরা কি তা উপলব্ধি করতে পেরেছি নাকি ৫১ বছর পরও আমরা সীমাবদ্ধতার বেড়াজালে বন্দি হয়ে স্বাধীনতার জয়গান গাই। আজ আমাদের অর্ধশত বছরের লালিত সেই স্বাধীনতা অনুভবের জন্য সত্যিই স্বাধীন হওয়া প্রয়োজন। আর যখন স্বাধীনতার আসল সৌন্দর্যে আমরা উজ্জীবিত হবো তখন রক্ষা হবে আমাদের সত্যিকারের স্বাধীনতা। স্বাধীনতা আমরা অর্জন করেছি এখন প্রয়োজন শুধু নিজ স্পৃহা ও সাহসিকতা দ্বারা তা রক্ষা করার অদম্য শক্তি। আর তার জন্য তারুণ্যের জাগরণ অনেক বেশি প্রয়োজন। এই স্বাধীনতা রক্ষায় আমাদের হতে হবে মুক্ত। কারণ স্বাধীনতা মানেই মুক্তি।

তৌছিফুর রহমান মনির, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ
স্বাধীনতা বাংলা অক্ষরে লিখা কোনো সাধারণ শব্দ নয়, বিশ্বের বুকে সতন্ত্র দেশ ও জাতি হিসেবে আমাদেরকে পরিচয় করিয়ে দেয় এই স্বাধীনতা শব্দটি। স্বাধীনতা শব্দটি যদিও আমাদের মতো নতুন প্রজন্মের কাছে খুবই গর্বের একটি বিষয় কিন্তু আমরা সহজেই যেই স্বাধীনতার স্বাদ নিচ্ছি তার পিছনের ইতিহাসটা অতো বেশি সহজতর ছিল না যার ইতিহাসটা ছিল গায়ে কাটা ফোটার মতো, নিঃসঙ্গ বসে অশ্রুপাত করার মতো। সেই ইতিহাস টুকু সংক্ষিপে না বললেই নয়। ২৫ শে মার্চ রাতে লাখো বাঙালিদের নির্বিচারে গুলি করে হত্যা করা হয়। এই হত্যা যজ্ঞ বাঙালিদের ভিতরের সত্ত্বা কে নাড়িয়ে দেয় এবং তার পরবর্তী দিন অর্থাৎ ২৬ শে মার্চ তারা লাখো শহীদের রক্তের শপথ নিয়ে জীবন দিয়ে হলেও বাংলাকে সার্বভৌম রাষ্ট্র গড়ার দৃঢ় আত্মপ্রত্যয় নিয়ে এগিয়ে যায় বীর বাঙালি।

এমন একটা সময় ছিল যখন আমাদের বাকস্বাধীনতা, সংবাদ মাধ্যমের স্বাধীনতা বাঙালিদের জন্য ছিল আকাশ কুসুম কল্পনাার মতো। কিন্তু বর্তমান সময়ে শহীদের প্রাণের বিনিময়ে কষ্টার্জিত সেই স্বাধীনতার অন্তরায় হয়ে দাঁড়িয়েছে কিছু সন্ত্রাসবাদ, দুর্নীতি সহিংসতার অশুভ ছোবল যা আমাদের দেশটাকে আরও পিছে নিয়ে যেতে চাইতেছে। তাই মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উজ্জীবিত হয়ে সকলে একতাবদ্ধ হয়ে এই অশুভ শক্তিকে প্রতি হত করা উচিত। সর্বোপরি স্বাধীনতার জন্য প্রাণ দেওয়া শহীদের প্রতি বিনর্ম শ্রদ্ধা ও তাদের রুহের মাগফেরাত কামনা করি।

আবু সুফিয়ান সরকার শুভ, সমাজকর্ম বিভাগ
স্বাধীনতা মানেই মুক্তি। কারো অধীনস্থ নাহ হয়ে নিজের করে পথ চলা। বাঙালি জাতি হিসেবে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাস এক হৃদয়বিদারক কাহিনি। বাংলাদেশের এ মুক্তির ৫১ বছর পূর্ন তবুও যেন এক দুর্নীতির করাল গ্রাসে আবদ্ধ। স্বাধীনতার ৫১ বছরে আমরা মধ্য আয়ের স্বীকৃতি হলেও বাস্তবে এখনো তার প্রতিফলন ফলে নি। দেশ আরও সমৃদ্ধি হবে, শিক্ষা ক্ষেত্রে এগিয়ে যাবে, সকল নাগরিক সুশিক্ষার আওতায় এনে শিক্ষার মান এগিয়ে আসবে, বৈষম্য দূর হবে, দেশের অবকাঠামোর এক আমূল পরিবর্তন আসবে এই প্রত্যাশা। দেশের সকল নাগরিক স্বাধীনতা রক্ষায় এগিয়ে আসুক এ চেতনা জাগ্রত হলে দেশ ও জাতীর কল্যাণ বয়ে আসবে। ৫১ বছরে বাংলাদেশ এক সত্যিকারে সোনার ভূমিতে পরিণত হোক, এ প্রত্যাশায়।

এনামুল হক বিজয়, আইন বিভাগ
বঙ্গবন্ধুর নির্দেশনায় ২৬ মার্চ এর স্বাধীনতার ঘোষণা ছিল বাঙালির জাতীয়তাবাদী চেতনার মূলমন্ত্র যা সমগ্র জাতিকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে লড়াই করতে অনুপ্রেরণা যোগায়। মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে লাখো শহীদের অজস্র রক্তের বিনিময়ে অর্জিত হয় স্বাধীনতা। দীর্ঘ নয় মাস সংগ্রাম ও আন্দোলন এর মধ্য দিয়ে লড়াকু বাঙালিরা অর্জন করে স্বাধীনতা তার ফলস্বরূপ বাঙালি পায় নিজস্ব ভূখণ্ড ও নিজ রাষ্ট্র শাসন কারার ক্ষমতা। পরাধীন রাষ্ট্র কখনো নিজেকে সকল ক্ষেত্রে মেলে ধরতে পারে না যার ফলে মৌলিক অধিকারসহ অনেক বিষয় বিঘ্নিত হয়।

১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে স্বাধীনতার ঘোষণা ছিল বাঙালির আপাময় মানুষের জাতীয়তাবাদ উদ্দীপ্ত করার মূলমন্ত্র যার ফলশ্রুতিতে বাঙালি জাতি মুক্তিযুদ্ধে দেশের স্বার্থে নিজেদের সঁপে দেওয়ার মধ্য দিয়ে পায় তাদের কাঙ্ক্ষিত স্বাধীনতা। ২৬ মার্চ এর উদ্দীপ্তমান জাতীয়তাবাদ এর ধারাবাহিকতায় স্বাধীনতার ৫১ বছরে এসেও রক্ষা করতে পারছে তাদের নিজস্ব ভূখণ্ড ও স্বাধীনতা। স্বাধীনতার ৫১ বছরে এসে কথায় কথায় মিথ্যাচার স্বাধীনতার ঐতিহ্যের প্রতি অসম্মান এসব যেন জাতির লক্ষ্য না হয়। স্বাধীন হওয়ার জন্য যেমন প্রচেষ্টা ও আবেগ বিরাজমান ছিল, তেমনি স্বাধীনতা রক্ষার জন্য তৎপরতা ও সচেতনতাও জরুরি।

সাঈমা আক্তার, সমাজবিজ্ঞান বিভাগ
বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৫১ বছরে দ্বারে। দীর্ঘ এই ৫১ বছরে ইতিহাসের পাতায় আছে পাওয়া না পাওয়ার শত কথা। অতীতের সকল দুঃখ কথা ভুলে আগামীর দিনে নতুন প্রত্যাশায় এগিয়ে যেতে হবে আমাদের। আমাদের জাতীয় জীবনে এ দিনটির প্রধান তাৎপর্য হচ্ছে এ দিন সমগ্র দেশবাসীর বহুকাল লালিত মুক্তি ও সংগ্রামের অঙ্গীকারে ভাস্বর। এই দিবসটি দারিদ্র্য, সামাজিক ও অর্থনৈতিক বৈষম্য দূর করে মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার মহান আদর্শে উদ্বুদ্ধ। এ দিন আমাদের আত্মপরিচয়ের গৌরবে উজ্জ্বল, ত্যাগে ও বেদনায় মহীয়ান।

প্রতিবছর গৌরবময় এ দিনটি পালন করতে গিয়ে আমাদের কর্তব্য হয়ে ওঠে স্বাধীনতার স্বপ্ন ও সাধ আমরা কতটুকু বাস্তবায়ন করতে পেরেছি, জাতীয় জীবনে আমাদের অর্জন কতটুকু আর বিশ্বসভায় আমাদের অবস্থান কোথায় সেসব মিলিয়ে দেখা। এদিক থেকে এ দিনটি আমাদের আত্মসমালােচনার দিন, হিসেব মেলাবার দিন, আত্মজিজ্ঞাসার দিন। দেশের প্রত্যেক মানুষকে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে কাজ করে যেতে হবে। কেননা এই দেশ বঙ্গবন্ধুর, এ দেশ বাঙালির, এ দেশ আমার আপনার সবার। তাই দেশের উন্নয়নে সকলকেই দেশপ্রেমী হয়ে দেশের উন্নয়নে কাজ করতে হবে।

  • সর্বশেষ - ফিচার