, ১৩ আষাঢ় ১৪২৯ অনলাইন সংস্করণ

সরকার হটাতে সব রাজনৈতিক দলকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান ফখরুলের

  নিজস্ব প্রতিবেদক

  প্রকাশ : 

সরকার হটাতে সব রাজনৈতিক দলকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান ফখরুলের

মুক্তিযুদ্ধের আশা-আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়ন ও দেশে নিরপেক্ষ নির্বাচনের লক্ষ্যে বর্তমান সরকারকে হটাতে সব রাজনৈতিক দলকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

সরকারের সমালোচনা করে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার যতদিন ধরে জোর করে রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করে আছে ততদিন ধরে রাষ্ট্রের সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলো পরিকল্পিতভাবে ধ্বংস করেছে। তারা দেশের নির্বাচন ব্যবস্থা ধ্বংস করেছে। সেজন্যই খালেদা জিয়াসহ বিএনপির অসংখ্য নেতাকর্মীকে মিথ্যা মামলা দিয়ে রাজনীতি থেকে দূরে রাখতে চাইছে।

শুক্রবার (৮ এপ্রিল) বিকেলে রাজধানীর মতিঝিলে এক ইফতার ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সরকার দেশ পরিচালনায় ব্যর্থ মন্তব্য করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, পবিত্র রমজানে সংযমের মাধ্যমে আমরা পরিশুদ্ধ হওয়ার চেষ্টা করি। কিন্তু দেশে কষ্টকর অবস্থা চলছে। নিত্যপণ্যের দাম বেড়েছে। মানুষের দুর্বিষহ জীবন। গ্যাস, বিদ্যুৎ ও পানির দাম বেড়েছে। এক কথায় দেশে পরিচালনায় সরকার ব্যর্থ।

তিনি বলেন, আমাদের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের অগ্রসেনানী ও গণতন্ত্রের মা দেশনেত্রী খালেদা জিয়া আমাদের সঙ্গে ইফতারে থাকতেন। আজকে তাকে ছাড়াই আমরা ইফতার করছি।

jagonews24

মির্জা ফখরুল বলেন, আমরা যে আশা-আকাঙ্ক্ষা নিয়ে মুক্তিযুদ্ধ করেছিলাম সে লক্ষ্যে পৌঁছাতে হলে সব রাজনৈতিক দলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে এ ফ্যাসিস্ট সরকারকে হটিয়ে নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে একটি নিরপেক্ষ নির্বাচন করতে হবে। আজকে ইফতার মাহফিলের এ সময়ে আল্লাহর কাছে দোয়া করি, আল্লাহ্ যেন আমাদের দেশনেত্রীকে সুস্থ রাখেন।

ন্যাশনাল পিপলস পার্টির (এনপিপি) চেয়ারম্যান ফরিদুজ্জামান ফরহাদ বলেন, সরকার দ্রব্যমূল্যের দাম বাড়িয়ে দেশে সংকট তৈরি করেছে। এ সরকার ক্ষমতায় থাকলে দেশে সংকট আরও বাড়বে। আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়ে এ সরকারকে হটাতে হবে।

এনপিপি আয়োজিত ইফতার ও দোয়া মাহফিলে দলটির চেয়ারম্যান ফরিদুজ্জামান ফরহাদের সভাপতিত্বে ও মহাসচিব মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তফার পরিচালনায় আরও উপস্থিত ছিলেন- বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, মির্জা আব্বাস, ভাইস চেয়ারম্যান নিতাই রায় চৌধুরী, আব্দুল আউয়াল মিন্টু, কেন্দ্রীয় নেতা শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, শামা ওবায়েদ, কৃষিবিদ শামীমুর রহমান শামীম, নিলোফার চৌধুরী মনি, আ ক ম মোজাম্মেল হক, স্বেচ্ছাসেবক দলের সাইফুল ইসলাম ফিরোজ ও ছাত্রদলের আমিনুর রহমান আমিন।

২০ দলীয় জোট ও অন্যান্য দলের মধ্যে জাতীয় পার্টির (জাফর) মোস্তফা জামাল হায়দার, আহসান হাবিব লিংকন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আব্দুল হালিম, ইসলামী ঐক্যজোটের অধ্যাপক আবদুল করিম, জাগপার খন্দকার লুৎফর রহমান, লেবার পার্টির মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, রামকৃষ্ণ সাহা, ন্যাপ ভাসানীর অ্যাডভোকেট আজহারুল ইসলাম, এনডিপির ক্বারী আবু তাহের, জাতীয় দলের এহসানুল হুদা, এলডিপির শাহাদাত হোসেন সেলিম, কল্যাণ পার্টির মাহমুদ খান, বিএমএলের শেখ জুলফিকার বুলবুল চৌধুরী ও ডেমোক্রেটিক লীগের সাইফুদ্দিন মনি প্রমুখ অংশ নেন।

  • সর্বশেষ - রাজনীতি