, ১৬ আষাঢ় ১৪২৯ অনলাইন সংস্করণ

নাটকীয় জয়ে আশা বাঁচিয়ে রাখল মোহামেডান

  স্পোর্টস ডেস্ক

  প্রকাশ : 

নাটকীয় জয়ে আশা বাঁচিয়ে রাখল মোহামেডান

ঐতিহ্যবাহী মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের আশার সলতে যেন নিভতে বসেছিল। নবাগত সিটি ক্লাবের বিপক্ষেও উঁকি দিয়েছিল হারের শঙ্কা। হারলেই বিদায় নিশ্চিত, কাটা হবে না সুপার লিগের টিকিট। এমন পরিসংখ্যান নিয়ে খেলতে নেমে বিপাকে পড়েছিল দলটি। শেষ ১৮ বলে সিটি ক্লাবের প্রয়োজন ছিল মাত্র ৮ রানে। ইনিংসের ৪৮তম ওভারে বল করতে এসে মাত্র ২ রান দিয়ে প্রতিপক্ষের শেষ ব্যাটসম্যানকে ফেরান সৌম্য সরকার। নাটকীয় ম্যাচে ৫ রানে জয় পায় সাদাকালোরা।

এই জয়ের ফলে সুপার লিগের আশা টিকে রইলো মোহামেডানের। সেক্ষেত্রে লিগ পর্বে নিজের পরের ম্যাচটি তাদের জিততেই হবে, যেখানে প্রতিপক্ষ শক্তিশালী লিজেন্ডব অব রূপগঞ্জন। মাশরাফি বিন মুর্তজার রূপগঞ্জ অবশ্য আগেই সুপার লুগ নিশ্চিত করেছে। শুধু জিতলেই হবে না মোহামেডানের তাকাতে হবে গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্স আর রূপগঞ্জ টাইহার্সের মধ্যকার ম্যাচের দিকে। এ ম্যাচ রূপগঞ্জ জিতলে নেট রেন রেটে হিসেব হবে।

বিকেএসপিতে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি মোহামেডানের। আবার ব্যাটিং আবার বিপর্যয়ে পড়ে দলটি। শুরুর ৪ ব্যাটসম্যানের কেউই তেমন সুবিধা করতে পারেননি। ওপেনার রনি তালুকদার ২৪ রানে ফেরেন। তারেক আগেই অবশ্য শূন্য হাতে সাজঘরে দুই ম্যাচ পর দলে ফেরা সৌম্য। হাফিজের পরিবর্তে দলে আসা কুশল মেন্ডিস করেন ৮ রান। মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ সাজঘরে ফেরেন ৯ রান করে। 

পাঁচ নম্বরে ব্যাট করতে নেমে মোহামেডানকে টেনে তোলেন ডানহাতি ব্যাটসম্যান আব্দুল মজিদ। ৮৬ বলে করেন ৬৪ রান করেন তিনি। সঙ্গে শুভাগত হোমের ৫৯ আর শেষ দিকে ইয়াসিন আরাফাতের মহামূল্যবান ২৬ রানের কল্যাণে নির্ধারিত ৫০ ওভার শেষে ৯ উইকেট হারিয় সংগ্রহ ২২৮ রানের সংগ্রহ পায় মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব। বল হাতে সিটি ক্লাবের হয়ে পেসার আব্দুল হালিম ৩ উইকেট নেন। ২টি উইকেট পেয়েছে রাজিবুল ইসলাম।

২২৯ রানের টার্গেট টপকায়ে নেমে মোহামেডানের দুই বাঁহাতি স্পিনার সোহরাওয়ার্দী শুভ ও নাজমুল ইসলাম অপুর বোলিং তোপে সুবিধা করতে পারেনি সিটি ক্লাব। পরে পেসার হাসান মাহমুদ বোলিংয়ে এসে তাদের ব্যাটিং অর্ডারের মেরুদণ্ড ভেঙে দেন। কিন্তু একপ্রান্ত আগলে খেলে সিটি ক্লাবের অধিনায়ক জাওয়াদ রোয়েন লড়াই চালিয়ে খেলায় রাখেন দলকে। যদিও শেষপর্যন্ত পারেনি সিটি ক্লাব।

৬৯ রান করে জাওয়াদ ছিলেন দলের সেরা ব্যাটসম্যান। এছাড়া ৫০ রান করেন ওপেনার তৌফিক খাম তুষার। বাকিরা কেউ অবাদন রাখতে না পারায় খুব কাছে গিয়েও ম্যাচটা হারতে হয়েছে সিটি ক্লাবকে। বল হাতে ৪৭ রানে ৩ উইকেট নিয়ে ম্যাচসেরা হয়েছেন মোহামেডানের হাসান মাহমুদ। অথচ শেষ কয়েকটি ম্যাচের একাদশে মোহামেডানের হয়ে সুযোগই পাননি তিনি।

  • সর্বশেষ - খেলাধুলা