, ১৩ আষাঢ় ১৪২৯ অনলাইন সংস্করণ

বিপ্লবী হরিগোপাল ও ত্রিপুরা সেন শহীদ হন

  ফিচার ডেস্ক

  প্রকাশ : 

বিপ্লবী হরিগোপাল ও ত্রিপুরা সেন শহীদ হন

মানুষ ইতিহাস আশ্রিত। অতীত হাতড়েই মানুষ এগোয় ভবিষ্যৎ পানে। ইতিহাস আমাদের আধেয়। জীবনের পথপরিক্রমার অর্জন-বিসর্জন, জয়-পরাজয়, আবিষ্কার-উদ্ভাবন, রাজনীতি-অর্থনীতি-সমাজনীতি একসময় রূপ নেয় ইতিহাসে। সেই ইতিহাসের উল্লেখযোগ্য ঘটনা স্মরণ করাতেই জাগো নিউজের বিশেষ আয়োজন আজকের এই দিনে।

২২ এপ্রিল ২০২২, শুক্রবার। ৯ বৈশাখ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

ঘটনা
১৯১৫- প্রথম মহাযুদ্ধে জার্মানরা বিষাক্ত গ্যাস ব্যবহার শুরু করে।
১৯২১- ইন্ডিয়ান সিভিল সার্ভিস থেকে পদত্যাগ করেন সুভাষচন্দ্র বসু।
১৯৩০- বিপ্লবী মাস্টারদা সূর্যসেনের নেতৃত্বে চট্টগ্রাম জালালাবাদ পাহাড়ে ইংরেজ সৈন্যদের সঙ্গে সম্মুখ যুদ্ধ।
১৯৭০- মার্কিন সিনেটর গেইলর্ড নেলসন ধরিত্রী দিবসের প্রচলন করেন।
১৯৮৮- টানা পাঁচ বছর বৈরিতার পর পিএলও ও সিরিয়ার মধ্যে সম্পর্ক স্বাভাবিক হয়।

জন্ম
১৮৫৪- নোবেল পুরস্কার বিজয়ী বেলজীয় আইনজীবী অঁরি লা ফোঁতেন।
১৮৭০- মার্কসবাদী সোভিয়েত বিপ্লবী এবং কমিউনিস্ট রাজনীতিবিদ ভ্লাদিমির লেনিন।
১৮৯৩- স্বাধীনতা সংগ্রামী ও যুগান্তর দলের অন্যতম কাণ্ডারি সুরেন্দ্রমোহন ঘোষ।
১৯১৬- ভারতীয় অভিনেত্রী ও গায়িকা কানন দেবী।

মৃত্যু
১৭৮২- আইরিশ নারী জলদস্যু অ্যান বনি।
১৯৩০- বাঙালি, ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের শহীদ বিপ্লবী হরিগোপাল বল। জন্ম চট্টগ্রামের ধোরালায়। ১৮ এপ্রিল ১৯৩০ সালে চট্টগ্রাম অস্ত্রাগার লুণ্ঠনের কার্যক্রমে তিনি অংশগ্রহণ করেন। ৪ দিন পর সংগঠিত জালালাবাদ পাহাড়ে আত্মগোপনকালে ব্রিটিশ সৈন্য তাদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা করলে তারা সম্মুখযুদ্ধে ব্রিটিশ সৈন্যদের পর্যুদস্ত করেন। জালালাবাদ পাহাড়ে ব্রিটিশ সৈন্যবাহিনীর সঙ্গে যুদ্ধে তিনি প্রাণ বিসর্জন দেন। মৃত্যুর সময় তার আনুমানিক বয়স ছিল ১৩ বছর।

১৯৩০- বাঙালি, ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের শহীদ বিপ্লবী নির্মল লালা।
১৯৩০- বাঙালি, ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের শহীদ বিপ্লবী পুলিনচন্দ্র ঘোষ।

১৯৩০- বাঙালি, ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের শহীদ বিপ্লবী মধুসূদন দত্ত।
১৯৩০- বাঙালি, ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের শহীদ বিপ্লবী ত্রিপুরা সেনগুপ্ত। তার জন্ম কুমিল্লায়। তার পিতার নাম নিবারণচন্দ্র সেনগুপ্ত। ১৯২৯ সালের মে মাসে আয়োজিত চট্টগ্রাম জেলা কংগ্রেসের সম্মেলনে সভাপতিত্ব করতে আসেন নেতাজী সুভাষচন্দ্র বসু। এ সম্মেলনে মাস্টারদা সূর্য সেন, অনন্ত সিংহ, গনেশ ঘোষের সঙ্গে কিশোর ত্রিপুরা সেনগুপ্ত কংগ্রেসের অহিংস নীতি সমর্থন না করার কথা এবং তারা সশস্ত্র বিদ্রোহের প্রস্তুতির কথা জানান সুভাষ বসুকে। ১৯৩০ সালের ১৮ এপ্রিল চট্টগ্রাম অস্ত্রাগার দখলের কার্যক্রমে তিনি অংশগ্রহণ করেন। সেই যুদ্ধেই মারা যান তিনি।

দিবস
ধরিত্রী দিবস।

  • সর্বশেষ - ফিচার