, ১২ আষাঢ় ১৪২৯ অনলাইন সংস্করণ

দলবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়ে গৃহবধূর ফাঁস, অভিযুক্ত গ্রেপ্তার

  নিজস্ব প্রতিবেদক

  প্রকাশ : 

দলবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়ে গৃহবধূর ফাঁস, অভিযুক্ত গ্রেপ্তার

পিরোজপুরের নাজিরপুর উপজেলায় দলবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়ে রিতা ঘরামী (২৫) নামের এক গৃহবধূ আত্মহত্যা করেছেন। এ ঘটনায় অভিযুক্ত একজনকে রোববার (১৫ মে) ভোরে আটক করেছে পুলিশ।

আটক ব্যক্তি মো. সজল মোল্লা (২৫) গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলার বানারজোড় গ্রামের মো. রফিকুল ইসলামের ছেলে।

তাকে বানারজোড় এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করার বিষয়টি আজ দুপুরে নিশ্চিত করেছেন নাজিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হুমায়ুন কবির।

এর আগে শনিবার (১৪ মে) সকালে ওই গৃহবধূর মরদেহ উপজেলার দেউলবাড়ি দোবরা ইউনিয়নের সোনাপুর গ্রামের স্বামী সুনিল মন্ডলের বাড়ির পেছনের একটি আমগাছ থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

এ ঘটনায় গৃহবধূর স্বামী সুনিল মন্ডল বাদী হয়ে গ্রেপ্তার সজল মোল্লাসহ তিনজনের নাম উল্লেখ করে ও আরও দুজনকে অজ্ঞাত করে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে নাজিরপুর থানায় একটি মামলা করেছেন।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী ওই গৃহবধূ বিভিন্ন সময় কেনাকাটার জন্য গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া যাওয়ার পথে উপজেলার মালিখালী ইউনিয়নের ততুবাড়ি গ্রামের আবদুল জলিলের ছেলে মো. জিসান (২৭) তাকে কুপ্রস্তাব দিয়ে উত্ত্যক্ত করতেন। এতে তিনি রাজি না হলে শুক্রবার (১৩ মে) বিকালে কোটালীপাড়া গেলে জিসান তাকে মোটরসাইকেলে জোর করে তুলে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যান। সেখানে নিয়ে পাঁচজন মিলে তাকে ধর্ষণ করেন। পরে কোটালীপাড়ার লিংক রোড এলাকায় ফেলে রেখে যায়। এতে ক্ষোভে ও লোকলজ্জায় তিনি আত্মহত্যা করেন।

নাজিরপুর থানার ওসি মো. হুমায়ুন কবির জানান, মারা যাওয়া গৃহবধূকে গণধর্ষণের অভিযোগে ওই গৃহবধূর স্বামী বাদী হয়ে থানায় মামলা করেছেন। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকিদের দ্রুত সময়ে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

  • সর্বশেষ - সারাদেশ