, ১৬ আষাঢ় ১৪২৯ অনলাইন সংস্করণ

শুরুতে সূচকে অস্থিরতা, লেনদেনে ধীরগতি

  নিজস্ব প্রতিবেদক

  প্রকাশ : 

শুরুতে সূচকে অস্থিরতা, লেনদেনে ধীরগতি

টানা চার কার্যদিবস দরপতনের পর মঙ্গলবার অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বাড়ার মাধ্যমে দেশের শেয়ারবাজারে লেনদেন শুরু হয়। তবে লেনদেনের সময় আধাঘণ্টা পার হওয়ার আগেই সূচক ঋণাত্মক হয়ে পড়েছে।

সূচকে এমন অস্থিরতা দেখা দেওয়ার পাশাপাশি লেনদেনেও ধীরগতি দেখা যাচ্ছে। প্রথম আধাঘণ্টার লেনদেনে প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান মূল্যসূচক ১৭ পয়েন্টে পড়ে গেছে। লেনদেন হয়েছে দেড়শ কোটি টাকার কম।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের পাশাপাশি অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই) লেনদেনে অংশ নেয়া বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট দাম কমার তালিকায় স্থান করে নিয়েছে। সেইসঙ্গে ঋণাত্মক হয়ে পড়েছে সূচক।

এদিন ডিএসইতে লেনদেন শুরু অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বাড়ার মাধ্যমে। ফলে লেনদেন শুরু হতেই ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ২০ পয়েন্ট বেড়ে যায়। আর লেনদেনের ১০ মিনিটের মাথায় সূচকটি বাড়ে ৫০ পয়েন্ট।

লেনদেনের শুরুতে এমন বড় উত্থান প্রবণতা দেখা দিলেও তা বেশি সময় স্থায়ী হয়নি। প্রথম ১০ মিনিটের লেনদেন শেষ হতেই দাম বাড়ার তালিকা থেকে একেরপর এক প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম কমতে থাকে। ফলে দেখতে দেখতে সূচক ঋণাত্মক হয়ে পড়ে। এতে আধাঘণ্টার লেনদেন শেষে ডিএসইর প্রধান সূচক ১৭ পয়েন্ট পড়ে যায়।

লেনদেনের সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে সূচকের নিম্নমুখী প্রবণতা বাড়তে দেখা যাচ্ছে। এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত সকাল ১০টা ৪২ মিনিটে ডিএসইর প্রধান সূচক ২১ পয়েন্ট পড়ে গেছে। অপর দুই সূচকের মধ্যে ডিএসই-৩০ সূচক কমেছে ৯ পয়েন্ট। আর ডিএসই শরিয়াহ্ সূচক ৩ পয়েন্ট কমেছে।

এ সময় পর্যন্ত ডিএসইতে লেনদেনে অংশ নেওয়া ১৩০টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট দাম বাড়ার তালিকায় নাম লিখিয়েছে। বিপরীতে দাম কমেছে ১৫৫টির। আর ৬৬টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। লেনদেন হয়েছে ১৬৯ কোটি ৮৬ লাখ টাকা।

অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ৫২ পয়েন্ট কমেছে। লেনদেন হয়েছে ৩ কোটি ৫৪ লাখ টাকা। লেনদেন অংশ নেওয়া ১৪২ প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দাম বেড়েছে ৩৬টির, কমেছে ৮১টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৫১টির।

  • সর্বশেষ - অর্থ-বাণিজ্য