, ৩০ শ্রাবণ ১৪২৯ অনলাইন সংস্করণ

দুর্নীতি মামলায় মুদ্রাক্ষরিক হাফিজার কারাদণ্ড, সম্পদ বাজেয়াপ্ত

  নিজস্ব প্রতিবেদক

  প্রকাশ : 

দুর্নীতি মামলায় মুদ্রাক্ষরিক হাফিজার কারাদণ্ড, সম্পদ বাজেয়াপ্ত

অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা মামলায় সরকারি আবাসন পরিদপ্তরের অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক হাফিজা খানের পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে আসামির অবৈধভাবে অর্জিত ৮৩ লাখ ৫৭ হাজার টাকার সম্পদ রাষ্ট্রীয় কোষাগারে বাজেয়াপ্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৪ মে) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এর বিচারক মো. ইকবাল হোসেন এ রায় ঘোষণা করেন৷

এদিন রায় ঘোষণার সময় জামিনে থাকা আসামি হাফিজা খান আদালতে উপস্থিত ছিলেন। রায় ঘোষণার পর তাকে সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়।

২০১৮ সালের ১৮ মার্চ রমনা থানায় দুদকের উপ-পরিচালক মো. ফরিদুর রহমান বাদী হয়ে হাফিজা খানের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্ত শেষে ২০১৯ সালের অক্টোবর মাসে তাকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করে দুদক।

২০২০ সালের ২ সেপ্টেম্বর আদালত আসামির অব্যাহতির আবেদন খারিজ করে অভিযোগগঠনের মাধ্যমে বিচার শুরুর আদেশ দেন।

গত ২০ এপ্রিল এ মামলার যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে আদালত রায়ের জন্য ১৫ মে দিন ধার্য করেন। তবে নির্ধারিত দিনে সরকারি ছুটি থাকায় রায় দিন পিছিয়ে ২৪ মে তারিখ ধার্য করেন আদালত।

মামলা সূত্রে জানা যায়, আসামি হাফিজা খানের নামে অর্জিত স্থাবর-অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ ৮৩ লাখ ৫৭ হাজার টাকা। আসামির স্বামী মো. সেলিম মোল্লার (গণপূর্ত অধিদপ্তরের সাবেক মালি) বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ অনুসন্ধান শুরু হলে হাফিজা খান তার সম্পদ গোপন করার জন্য ২০১৭ সালের ৩১ জানুয়ারি আয়কর নথি খুলে ব্যবসার মাধ্যমে অর্থ উপার্জনের প্রমাণ হিসেবে উপস্থাপনের চেষ্টা করেন। কারণ, সেলিম মোল্লার দ্বিতীয় স্ত্রী হাফিজা খান তার ব্যবসা সংক্রান্ত কোনো তথ্য-প্রমাণ দেখাতে পারেননি। তার ব্যবসায়িক কোনো প্রতিষ্ঠানও নেই।

তদন্তে আসামি হাফিজা খানের বিরুদ্ধে ৮৩ লাখ ৫৭ হাজার টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং ২৬ লাখ ৮৫ হাজার টাকার তথ্য গোপন করার অভিযোগের সত্যতা পায় দুদক।

  • সর্বশেষ - অন্যান্য