, ৪ ভাদ্র ১৪২৯ অনলাইন সংস্করণ

চট্টগ্রাম কাস্টমসে সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের কর্মবিরতি

  নিজস্ব প্রতিবেদক

  প্রকাশ : 

চট্টগ্রাম কাস্টমসে সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের কর্মবিরতি

শুল্ক মূল্যায়ন বিধিমালা-২০২০ এর যথাযথ বাস্তবায়নসহ বিভিন্ন দাবিতে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসে কর্মবিরতি পালন করছে ফেডারেশন অব বাংলাদেশ কাস্টমস সিঅ্যান্ডএফফ এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশন।

কেন্দ্রঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে মঙ্গলবার (৭ জুন) সকাল থেকে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসে পূর্ণদিবস কর্মবিরতি শুরু করে কাস্টমস কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

এদিন ফেডারেশন অব বাংলাদেশ কাস্টমস সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের ডাকে সারাদেশের শুল্ক স্টেশনগুলোতে কর্মবিরতি পালিত হচ্ছে।

সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের উত্থাপিত দাবিসমূহের মধ্যে রয়েছে, শুল্ক মূল্যায়ন বিধিমালা-২০২০ যথাযথভাবে বাস্তবায়ন করা, এইচএস কোড ও সিপিসি ভুলের কারণে জরিমানা আরোপ ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের আদেশ ও বিধিবিধান বাতিল করা, লাইসেন্সিং বিধিমালা-২০২০ ও কাস্টমস অ্যাক্ট ১৯৬৯ এর ধারা ২০৯ মোতাবেক কার্যক্রম গ্রহণ না করে এবং সিএন্ডএফ এজেন্টদের আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ বা শুনানি প্রদানের সুযোগ না দিয়েই এআইএন লক করা বা লাইসেন্সিং সাময়িক বাতিল করা, কোনো দোষ প্রমাণিত না হলেও জরিমানা আরোপের মতো কার্যক্রম বন্ধ করাসহ ব্যবসায়ীদের স্বার্থবিরোধী বিধি-উপবিধি বাতিলের দাবি জানানো হয়।

কাস্টমস হাউস খোলা থাকা পর্যন্ত এ কর্মবিরতি চলবে বলে জাগো নিউজকে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম কাস্টমস এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক কাজী মাহমুদ ইমাম বিলু।

তিনি বলেন, সারাদেশের সব শুল্ক ভবন ও স্টেশনে আজ পূর্ণদিবস কর্মবিরতি পালন করছি আমরা। এরই অংশ হিসেবে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসের প্রধান ফটকে আমাদের অবস্থান চলছে। আমরা আজ বিল অ্যান্ট্রি দাখিল, শুল্কায়ন, ব্যাংক ড্রাফট, পে-অর্ডার জমাসহ সব কাজ বন্ধ রেখেছি।

গত ১৮ মে সিঅ্যান্ডএফ লাইসেন্স রুলের অপব্যাখ্যা করে প্রায় দুই শতাধিক লাইসেন্স নবায়ন না করার অভিযোগ এনে চট্টগ্রাম কাস্টমসে বিকেল ৪টা পর্যন্ত কর্মবিরতি পালন করে চট্টগ্রাম কাস্টমস সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের নেতারা। পরে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপে কর্মবিরতি প্রত্যাহার করা হয়।

  • সর্বশেষ - আলোচিত খবর