, ৪ ভাদ্র ১৪২৯ অনলাইন সংস্করণ

ছবি বিশ্বাস ও লীলা নাগের প্রয়াণ

  ফিচার ডেস্ক

  প্রকাশ : 

ছবি বিশ্বাস ও লীলা নাগের প্রয়াণ

মানুষ ইতিহাস আশ্রিত। অতীত হাতড়েই মানুষ এগোয় ভবিষ্যৎ পানে। ইতিহাস আমাদের আধেয়। জীবনের পথপরিক্রমার অর্জন-বিসর্জন, জয়-পরাজয়, আবিষ্কার-উদ্ভাবন, রাজনীতি-অর্থনীতি-সমাজনীতি একসময় রূপ নেয় ইতিহাসে। সেই ইতিহাসের উল্লেখযোগ্য ঘটনা স্মরণ করাতেই জাগো নিউজের বিশেষ আয়োজন আজকের এই দিনে।

১১ জুন ২০২২, শনিবার। ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

ঘটনা
খ্রিস্টপূর্ব ১১৮৪- ইরাথোস থেনিস হিসাব অনুসারে ট্রোজান যুদ্ধে ট্রয় নগরীকে জ্বালিয়ে দেওয়া হয়।
১৯৯১- নোবেল শান্তি পুরস্কার ভূষিত মাদার তেরেসা বাগদাদ সফরে যান।
২০০৭- বাংলাদেশে চট্টগ্রাম মহানগরীতে ভয়াবহ প্লাবন ও পাহাড় ধ্বসের ঘটনায় কমপক্ষে ৮৪ জন নিহত হয়।
২০১৭- চট্টগ্রামসহ রাঙামাটি ও বান্দরবানে দুই দিনের টানা বৃষ্টিতে পাহাড় ধসের ঘটনায় কমপক্ষে ১২৫ জন নিহত হয়।

জন্ম
১৫৭২- ইংরেজ নাট্যকার, কবি এবং সাহিত্য সমালোচক বেন জনসন।
১৮৮৫- বাংলাদেশি বাঙালি গীতিকবি উকিল মুন্সী।
১৮৯৭- মণিপুর ষড়যন্ত্র মামলায় যুক্ত ব্রিটিশ বিরোধী বিপ্লবী রামপ্রসাদ বিসমিল।
১৯০১- বাঙালি লেখক, শিক্ষাব্রতী ও সাংসদ প্রমথনাথ বিশী।

মৃত্যু
১৯২৮- বাঙালি, ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের বিপ্লবী শৈলেশ্বর বসু।
১৯৬২- ভারতীয় বাঙালি অভিনেতা ছবি বিশ্বাস। তিনি কলকাতার বাসিন্দা ছিলেন। তিনি মঞ্চ এবং চলচ্চিত্রে সমানভাবে বিখ্যাত ছিলেন। ১৯৩৬ সালে অন্নপূর্ণার মন্দির চলচ্চিত্রে প্রথম চিত্রাভিনয় করেন। তার অভিনীত চলচ্চিত্রের মধ্যে সত্যজিৎ রায়ের পরিচালনায় জলসাঘর, দেবী, কাঞ্চনজঙ্ঘা, তপন সিংহের পরিচালনায় কাবুলিওয়ালা (চলচ্চিত্র) এছাড়া প্রতিশ্রুতি, শুভদা, হেড মাস্টার উল্লেখযোগ্য। মোটরগাড়ি দুর্ঘটনায় মারা যায় তিনি। মৃত্যুর দুই বছর আগে ১৯৫৯ সালে 'সংগীত নাটক একাডেমি' তাকে শ্রেষ্ঠ অভিনেতার সম্মান জানায়।

১৯৭০- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ছাত্রী লীলা নাগ। একজন বাঙালি সাংবাদিক, জনহিতৈষী এবং রাজনৈতিক আন্দোলনে সক্রিয় ব্যক্তি ছিলেন। নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর সহকারী ছিলেন তিনি। আসামের গোয়ালপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন ১৯০০ সালে। বিপ্লবী অনিল রায়কে বিয়ের পর তার নাম হয় লীলা রায়। তার শিক্ষা জীবন শুরু হয় ঢাকার ইডেন স্কুলে। ১৯২১ সালে তিনি কলকাতার বেথুন কলেজ থেকে বি.এ পাশ করেন। পরীক্ষায় তিনি মেয়েদের মধ্যে প্রথম স্থান অধিকার করেন এবং পদ্মাবতী স্বর্ণ পদক লাভ করেন। ১৯২১ সালে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজি বিষয়ে এমএ ভর্তি হন। তিনি ভারতবর্ষের স্বাধীনতা সংগ্রামের একজন নেত্রী ছিলেন।
১৯৯৭- বাঙালি আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ও পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ দূরগামী সাঁতারু মিহির সেন।

  • সর্বশেষ - ফিচার