, ১১ আশ্বিন ১৪২৯ অনলাইন সংস্করণ

ঈদে সজলের অর্ধডজন নাটক

  বিনোদন ডেস্ক

  প্রকাশ : 

ঈদে সজলের অর্ধডজন নাটক

সময়ের জনপ্রিয় অভিনেতা আব্দুন নূর সজল। বিচিত্র চরিত্রে পর্দায় দেখা যায় তাকে। বছরজুড়ে শুটিং নিয়েই ব্যস্ত সময় পার করেন। এখন বেছে বেছে কাজ করে থাকেন এই অভিনেতা। ঈদুল আজহায় খুব বেশি নাটকে দেখা যাবে না তাকে। সব মিলিয়ে ৭টি নাটক ও ওয়েব সিরিজের কাজ করেছেন। যা বিভিন্ন টিভি ও ওটিটি প্ল্যাটফর্মে প্রচার হবে।

কাজ কম করার কারণ ব্যাখ্যা করে রাইজিংবিডিকে সজল বলেন—‘এবার সেভাবে কাজই করা হয়নি। যুক্তরাষ্ট্রে গিয়েছিলাম। সেখান থেকে গত মাসের শেষের দিকে দেশে ফিরেছি। এটাও সত্যি খুব বেশি নাটকে কাজও করতে চাইনি। যেসব নাটকে সামাজিক বার্তা রয়েছে, তেমনি গল্পে কাজ করেছি।’

মাবরুর রশীদ বান্নাহ, সাঈদ বাবুল, জহির খান, আবুল কালাম আজাদ, গোলাম মুক্তাদির শান, ফেরদৌস হাসান রানা পরিচালিত ৬টি নাটকে অভিনয় করেছেন সজল। গোলাম সোহরাব দোদুলের একটি ওয়েব সিরিজেও কাজ করেছেন এই অভিনেতা। এতে একজন অন্ধের চরিত্র রূপায়ন করেছেন সজল।

মাবরুর রশীদ বান্নাহ পরিচালিত নাটক ‘আদব বেয়াদব’। এ নাটকে সামাজিক একটি বার্তা রয়েছে। সামাজিক বার্তা প্রধান গল্পে বেশি কাজ করছেন সজল। তা উল্লেখ করে এই অভিনেতা বলেন, ‘গল্প প্রধান কাজকে প্রধান্য দিচ্ছি। যেসব গল্পের কোথাও না কোথাও সামাজিক বার্তা থাকে, সেসব গল্প আমাকে বেশি টানে। যেমন বান্নাহর নাটকে একজন শিক্ষকের চরিত্রে কাজ করেছি। একজন মানুষের জন্য প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষাই কিন্তু যথেষ্ট নয়। একাডেমিক শিক্ষার উদ্দেশ্য শুধু কিছু সার্টিফিকেট নয়। একজন মানুষকে মানুষ হয়ে উঠার জন্য প্রাতিষ্ঠানিক, পারিবারিক, সামাজিক শিক্ষার প্রয়োজন রয়েছে। যাতে করে ভালো-মন্দের বিচার করতে পারে। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত যাপন করাই জীবন; এই জীবন যাপন সুন্দরভাবে হওয়া চাই। সৃষ্টির সেরা জীব হিসেবে জীবন যাপন করাটাই মূল উদ্দেশ্য। তেমনি একটা সামাজিক বার্তা এই নাটকে রয়েছে।’

ঢাকার বাইরের একটি কলেজে নাটকটির তিন শুটিং হয়েছে। অভিজ্ঞতা জানিয়ে সজল বলেন, ‘এখানে কলেজের যেসব ছেলেমেয়েরা কাজ করেছে তারা অনেক নিবেদিতভাবে কাজ করেছে। আর বান্নাহর কাজ নিয়ে নতুন করে বলার কিছু নেই। সব মিলিয়ে কাজটি করে খুব ভালো লেগেছে।’

সজলকে নিয়ে ফেরদৌস হাসান রানা নির্মাণ করেছেন ‘বন্ধু বলে কিছু নেই’। এ নাটকে তার সহশিল্পী জাকিয়া বারী মম। এ নাটকও একটি সামাজিক বার্তা প্রধান। তা উল্লেখ করে সজল বলেন, ‘আমরা সহজেই একজনকে বন্ধু বানিয়ে ফেলি। দুজন মানুষকে আলাদা করতে পারি না। কিন্তু বন্ধু শব্দটার ওজন অনেক বেশি। যে বন্ধু শব্দটার ওজন বহন করতে পারে, তাকেই আসলে বন্ধু বলা উচিত। যে দুঃখের সময়ে থাকবে, সুখের সময়েও থাকবে সেই প্রকৃত বন্ধু। এমনই একটি সামাজিক বার্তার গল্প এটি।’   

জহির খান নির্মাণ করেছেন একক নাটক ‘যে গল্প বলা হয়নি’। এতে একসঙ্গে কাজ করেছেন সজল ও আনিকা কবীর শখ। পান্থ শাহরিয়ার রচিত এ নাটকেও একটি বার্তা রয়েছে। এ নাটকের গল্প প্রসঙ্গে সজল বলেন, ‘একজন মানুষের চালচলন দেখেই তাকে নিম্ন, মধ্য কিংবা উচ্চবিত্ত বলে বিচার করে ফেলি। কিন্তু কখনো বিচার করি না সে মানুষ হিসেবে কেমন। একজন মানুষের বড় পরিচয় সে মানুষ। কিন্তু সে কেমন মানুষ? এটি সবচেয়ে বড় ব্যাপার। অর্থ-বিত্ত, পতিপত্তি পরে বিচার্য বিষয়। আর প্রেক্ষাপটটি গল্পে তুলে ধরা হয়েছে।’

  • সর্বশেষ - বিনোদন