, ১৪ আশ্বিন ১৪২৯ অনলাইন সংস্করণ

সুরসম্রাট আলম খান স্মরণে সংগীতানুষ্ঠান

  বিনোদন

  প্রকাশ : 

সুরসম্রাট আলম খান স্মরণে সংগীতানুষ্ঠান

বরেণ্য সুরকার ও সংগীত পরিচালক আলম খানের স্মরণে আলোচনা ও সংগীতানুষ্ঠানের আয়োজন করেছে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি। ২৪ জুলাই একাডেমির জাতীয় চিত্রশালা মিলনায়তনে সন্ধ্যা ৭ টায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকী সভাপতিত্ব করেন।

এতে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন একাডেমির সংগীত বিভাগের পরিচালক আফতাব উদ্দিন হাবলু।

শুভেচ্ছা বক্তব্য প্রদান করেন একাডেমির সচিব মো. আছাদুজ্জামান। আলোচনা পর্বে বক্তব্য প্রদান করেন বরেণ্য গীতিকার গাজী মাজহারুল আনোয়ার। এছাড়াও আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নন্দিত কণ্ঠশিল্পী এবং সংগীত পরিচালক সৈয়দ আব্দুল হাদি, সুরকার শেখ সাদি খান, সংগীত পরিচালক জাহাঙ্গীর হায়াত খান রুমু, কণ্ঠশিল্পী সাবিনা ইয়াসমিন এবং প্রয়াত আলম খানের পুত্র আরমান খান ও আদনান খান।

সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের শুরুতে মো. খুরশিদ আলমের কণ্ঠে পরিবেশিত হয় ‘তবলার তেরে তেকে তাক’ ও ‘আজকে না হয় ভালোবাসো আর কোন দিন নয়’ শিরোনামে দুটি একক সংগীত। কণ্ঠশিল্পী স্বরণের কণ্ঠে ‘চাঁদের সাথে আমি দেবো না তোমার তুলনা’, ‘আমি রজনীগন্ধা ফুলের মত’, পান্থ কানাইয়ের কণ্ঠে ‘ওরে নীল দরিয়া’, ‘ডাক দিয়াছেন দয়াল আমারে’, রন্টি দাসের কণ্ঠে ‘মনে বড় আশা ছিল’, ‘কাল তো ছিলাম ভালো’ গানগুলো শুনে মুগ্ধ হন শ্রোতারা।

সম্রাটের কণ্ঠে ‘হায়রে মানুষ রঙিন ফানুস’, ‘জীবনের গল্প আছে বাকী অল্প’ শিরোনামে সংগীত পরিবেশন করে আলম খানকে স্মরণ করেন শিল্পীরা।

যন্ত্রশিল্পী হিসেবে তবলায় ছিলেন মিলন ভট্রাচার্য, কিবোর্ড এ রুপতনু, গীটারে সেলিম হায়দার, বাঁশীতে মো. মনিরুজ্জামান এবং প্যাডে ছিলেন পুলক।

  • সর্বশেষ - বিনোদন