, ১৮ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ অনলাইন সংস্করণ

মনোজ বসুর জন্ম ও সৈয়দ আলী আহসানের প্রয়াণ

  ফিচার

  প্রকাশ : 

মনোজ বসুর জন্ম ও সৈয়দ আলী আহসানের প্রয়াণ

মানুষ ইতিহাস আশ্রিত। অতীত হাতড়েই মানুষ এগোয় ভবিষ্যৎ পানে। ইতিহাস আমাদের আধেয়। জীবনের পথপরিক্রমার অর্জন-বিসর্জন, জয়-পরাজয়, আবিষ্কার-উদ্ভাবন, রাজনীতি-অর্থনীতি-সমাজনীতি একসময় রূপ নেয় ইতিহাসে। সেই ইতিহাসের উল্লেখযোগ্য ঘটনা স্মরণ করাতেই জাগো নিউজের বিশেষ আয়োজন আজকের এই দিনে।

২৫ জুলাই ২০২২, সোমবার। ১০ শ্রাবণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

ঘটনা
১৫৮১- হল্যান্ডের ৭টি প্রদেশ স্পেনের অধিকার থেকে স্বাধীনতা ঘোষণা করে।
১৭৬৩- মীরজাফর দ্বিতীয় বারের জন্য মুর্শিদাবাদ এর নবাব হয়।
১৭৯৪- ফরাসী কবি আঁদ্রে শেলিয়েকে গিলোটিনে হত্যা করা হয়।
১৮৯৪- চীন ও জাপানের মধ্যে যুদ্ধ শুরু হয়।
১৯৭৮- বিশ্বের প্রথম টেস্ট-টিউব শিশু লুইস ব্রাউন জন্ম গ্রহণ করে।

জন্ম
১৮৪৪- মার্কিন বাস্তবতাবাদী চিত্রশিল্পী, ফটোগ্রাফার, ভাস্কর ও চারুকলা শিক্ষক টমাস এয়াকিনস।
১৮৯২- প্রখ্যাত রবীন্দ্রজীবনীকার প্রভাত কুমার মুখোপাধ্যায়।
১৯০১- ভারতীয় বাঙালি সাহিত্যিক মনোজ বসু। ব্রিটিশ ভারতের বর্তমান বাংলাদেশের যশোর জেলার কেশবপুর থানার ডোঙ্গাঘাট গ্রামের এক মধ্যবিত্ত একান্নবর্তী পরিবারে। খুলনার বাগেরহাট কলেজে পড়ার সময়ই তিনি বিপ্লবী দল যুগান্তরের সংস্পর্শে আসেন ও স্বদেশী আন্দোলনে যোগ দেন। সাহিত্যের প্রতি তার অনুরাগ বাল্যকাল থেকেই ছিল। সাত বছর বয়স থেকে কবিতা লিখতে শুরু করেছিলেন। ছাত্রাবস্থায় সহপাঠীদের নিয়ে হাতে লিখে দেওয়াল পত্রিকা বের করতেন। পত্রিকায় প্রকাশিত তার লেখা প্রথম গল্প ছিল ‘গৃহহারা’। কলকাতার ভবানীপুরে সাউথ সুবারবন স্কুলে শিক্ষকতা নিয়ে কর্মজীবন শুরু করেন। প্রকাশনার জন্য পরবর্তীতে নিজের প্রকাশনা সংস্থা ‘বেঙ্গল পাবলিশার্স’ প্রতিষ্ঠা করেন। শেষে সাহিত্যের প্রতি আকৃষ্ট হয়ে শিক্ষকতা পেশা পরিত্যাগ করেন।
১৯৭৪- রিফাত বিন সাত্তার, গ্র্যান্ডমাস্টার খেতাব বিজয়ী বাংলাদেশী দাবাড়ু।

মৃত্যু
১৮৩৪- ইংরেজ কবি, সাহিত্য সমালোচক এবং দার্শনিক স্যামুয়েল টেইলর কোলরিজ।
২০০২- খ্যাতনামা কবি-সাহিত্যিক, শিক্ষাবিদ জাতীয় অধ্যাপক সৈয়দ আলী আহসান। ১৯২২ সালের ২৬ মার্চ বর্তমান মাগুরা জেলার আলোকদিয়া গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজি সাহিত্যে ১৯৪৩ সালে স্নাতক (বিএ) এবং ১৯৪৪ সালে স্নাতকোত্তর (এমএ) ডিগ্রি লাভ করে কলকাতায় চলে যান। ১৯৪৯ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে প্রভাষক হিসেবে যোগদান করেন। ১৯৬০ থেকে ১৯৬৭ সাল পর্যন্ত বাংলা একাডেমির পরিচালক, ১৯৭২ থেকে ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত তিনি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, ১৯৭৫ থেকে ১৯৭৭ সাল পর্যন্ত তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ১৯৮৯ সালে বাংলাদেশ সরকার তাকে জাতীয় অধ্যাপক হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে। তিনি বাংলাদেশের জাতীয় সংগীতের ইংরেজি অনুবাদ সরকারি ভাষান্তর হিসেবে স্বীকৃত।
২০০৩- ইংরেজ চলচ্চিত্র ও মঞ্চ পরিচালক ও অভিনেতা জন শ্লেসিঞ্জার।

  • সর্বশেষ - ফিচার