, ১০ আশ্বিন ১৪২৯ অনলাইন সংস্করণ

কলেজছাত্রকে হাতুড়িপেটা, এসআইয়ের বিরুদ্ধে মামলা

  নিজস্ব প্রতিবেদক

  প্রকাশ : 

কলেজছাত্রকে হাতুড়িপেটা, এসআইয়ের বিরুদ্ধে মামলা

কক্সবাজারের চকরিয়ায় এক কলেজছাত্রকে হাতুড়িপেটার অভিযোগে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) হালিশহর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মুবিনুল ইসলাম বিরুদ্ধে আদালতে মামলা হয়েছে। মামলায় মুবিনুল ছাড়াও তার বাবা, ভাই ও চাচাকে আসামি করা হয়েছে।

রোববার (৭ আগস্ট) চকরিয়া সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলাটি করেন লক্ষ্যারচর ইউনিয়নের উত্তর লক্ষ্যারচর মন্ডলপাড়ার হাবিবুর রহমান।

আদালতের বিচারক মো. জাহেদুল ইসলাম মামলাটি আমলে নিয়ে তদন্ত করে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য চকরিয়া সার্কেলের জ্যেষ্ঠ সহকারী পুলিশ সুপার মো. তফিকুল আলমকে নির্দেশ দিয়েছেন।

মামলার অপর আসামিরা হলেন এসআই মুবিনুল ইসলামের ছোট ভাই মো. রনি (২০), পিতা নুরুল আমিন সওদাগর (৫৫) ও তার চাচা আবদুল হক (৩৬)।

এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন বাদীপক্ষের আইনজীবী মিফতাহ্ উদ্দিন আহমদ।

মামলার এজাহারের সূত্রে জানা যায়, ৪ আগস্ট বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে মামলার প্রধান আসামি মো. রনির সঙ্গে বাদীর ছোট ভাই কক্সবাজার সরকারি কলেজর অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী মো. মোস্তাফিজুর রহমানের খেলা বিষয়কে কেন্দ্র করে কথা-কাটাকাটি হয়। ঘটনাস্থলে স্থানীয়দের মধ্যস্থতায় বিষয়টি মীমাংসা হয়। 

ওই দিন রাত ৯টার দিকে মামলার বাদী হাবিবুর রহমান ও তার ছোট ভাই মোস্তাফিজুর রহমান চিরিংগা পৌর শহরে যাচ্ছিলেন। এ সময় এসআই মুবিনুল ইসলামসহ তার ছোট ভাই, বাবা ও চাচা মিলে লক্ষ্যারচর ইউনিয়নের ছিকলঘাট বাজারে তাদের মোটরসাইকেল গতিরোধ করে।

এসআই মুবিনুল নিজেকে পুলিশ কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে হাতুড়ি দিয়ে মোস্তাফিজুর রহমানকে হত্যার উদ্দেশ্যে আঘাত করলে চোয়ালের একটি দাঁত পড়ে যায়। আরও তিনটি দাঁত গুরুতর জখম হয়। গলায় শ্বাসরোধ করে অন্য আসামিরা তাকে হত্যার চেষ্টা করে। এ সময় ৭০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেওয়া হয়। আসামিদের হাতে থাকা লোহার রড ও লাঠি দিয়ে এলোপাতাড়ি জখম করা হয়।

পরে স্থানীয় লোকজন মোস্তাফিজুর রহমানকে উদ্ধার করে চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়। 

অভিযোগ জানতে হালিশহর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মুবিনুল ইসলামের মোবাইল ফোনে কলা করা হয়। তিনি ফোন রিসিভ না করায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

চকরিয়া সার্কেলের জ্যেষ্ঠ সহকারী পুলিশ সুপার মো. তফিকুল আলম বলেন, আদালত থেকে এই রকম কোনো নির্দেশনা পাইনি। আদালতের নির্দেশ পেলে হাতে পেলে এ ব্যাপারে তদন্ত শেষে করে প্রতিবেদন দেওয়া হবে।

  • সর্বশেষ - সারাদেশ