, ১৪ আশ্বিন ১৪২৯ অনলাইন সংস্করণ

৩য় শ্রেণির শিক্ষার্থী শামীমা বললো, টিকা নিতে ভয় পাচ্ছি না

  হেলথ ডেস্ক

  প্রকাশ : 

৩য় শ্রেণির শিক্ষার্থী শামীমা বললো, টিকা নিতে ভয় পাচ্ছি না

আবুল বাশার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণীর শিক্ষার্থী শামীমা সিদ্দিকা তাছিন। নিতে এসেছে শিশুদের করোনা টিকার পরীক্ষামূলক প্রথম ডোজ। শামীমা সিদ্দিকা বলেন, আমি ভয় পাচ্ছিনা। টিকা নিলে আমরা সুস্থ থাকতে পারবো আর করোনা মুক্ত থেকে একসঙ্গে খেলাধুলা করতে পারবো।

বৃহস্পতিবার (১১ আগস্ট) বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ৫ থেকে ১১ বছরের শিশুদের করোনা টিকা কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান মন্ত্রী জাহিদ মালেক। প্রথম দিনে আবুল বাশার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১৬ জন শিক্ষার্থী টিকা নিতে এসেছে।

তৃতীয় শ্রেণীর আরেক শিক্ষার্থী জাহিদা আক্তার তুলি জানায়, আমার খুবই ভালো লাগছে প্রথমে টিকা নিতে আসায়। আমি সবাইকে বলবো টিকা নিতে। এতে আমরা করোনা মুক্ত থাকতে পারবো।

আবুল বাশার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা শ্যামলী রানী মালাকার জাগো নিউজকে জানান, আমাদের বিদ্যালয়কে প্রথম ভ্যাক্সিন দেওয়ার জন্য নির্বাচন করায় আমি খুবই খুশি। আমাদের প্রথম শ্রেণী থেকে পঞ্চম শ্রেনী পর্যন্ত ১৬ জন শিক্ষার্থী টিকা নিতে এসেছে। ওরা খুবই শক্ত মন মানসিকতার। টিকা নিতে তারা ভয় পাবেনা।

শিশুরা সামাজিক দূরত্ব মানছেনা। এতে তাদের জন্যই সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন করোনা টিকা। তারা খাওয়া-দাওয়া ও খেলাধুলার সময় একসঙ্গেই থাকে। এতে তাদের জন্য সবচেয়ে উপকারী হবে করোনা টিকা।

কর্মসূচির পরিচালক শামছুল হক জাগো নিউজকে জানান, বাংলাদেশে বর্তমানে শিশুদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি করা ফাইজারের করোনা টিকা মজুদ আছে ৩০ লাখ। এ মাসের ২৮ তারিখের মাঝে আরও ৭০ লাখ টিকা আমাদের হাতে আসবে। আমরা একসঙ্গে অনেক বেশি করোনা টিকা আনবোনা। টিকার চাহিদা দেখেই টিকা আনা হবে।

পরবর্তীতে ২৫ আগস্ট থেকে শুরু হবে শিশুদের প্রথম ডোজের টিকা কার্যক্রম। এর দুইমাস পর দেওয়া হবে দ্বিতীয় ডোজ।

  • সর্বশেষ - জাতীয়