, ২১ আশ্বিন ১৪২৯ অনলাইন সংস্করণ

মানুষের কষ্ট লাঘবের প্রচেষ্টা চালাচ্ছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

  নিজস্ব প্রতিবেদক

  প্রকাশ : 

মানুষের কষ্ট লাঘবের প্রচেষ্টা চালাচ্ছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘মানুষের কষ্ট যে হচ্ছে, সেটা সরকারও উপলব্ধি করতে পারছে। এজন্য প্রতিনিয়ত সেই কষ্ট লাঘবের প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে।’

রোববার (১৪ আগস্ট) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার সরকারি বাসভবন গণভবনে আওয়ামী লীগের আটটি বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদকদের সঙ্গে আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম কমার সঙ্গে সঙ্গে দেশেও সমন্বয় করা হবে। যখনই বিশ্ববাজারে দাম কমবে, আমরা দ্রুত অ্যাডজাস্ট করবো। সেই নির্দেশনাও দেওয়া আছে। দেশের কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর উৎপাদন শুরু হলে বিদ্যুতের এ সমস্যা অনেকটাই দূর হয়ে যাবে।’

এসময় প্রধানমন্ত্রী সমসাময়িক সংকট কাটাতে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে বিদ্যুৎ ব্যবহারে মিতব্যয়ী হওয়ার পাশাপাশি উৎপাদন কমিয়ে আনায় সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করেন।

উৎপাদন বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘করোনা মহামারি যেতে না যেতেই রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধকে কেন্দ্র করে স্যাংশন-পাল্টা স্যাংশনে জনজীবনে সর্বনাশ ডেকে আনছে। এতে ভুক্তভোগী হচ্ছেন সারা বিশ্বের মানুষ।’

তিনি বলেন, ‘আমেরিকা স্যাংশন দিলো রাশিয়াকে শায়েস্তা করার জন্য। কিন্তু দেখা যাচ্ছে শায়েস্তা হচ্ছে সাধারণ মানুষ। শুধু আমাদের দেশ বলে নয়, ইউরোপের দেশগুলো এমনকি আমেরিকা, মধ্যপ্রাচ্য থেকে শুরু করে দক্ষিণ এশিয়া, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়াসহ সব মহাদেশের মানুষকে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। সব জিনিসের ওপরই এর নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে।’

সরকারপ্রধান বলেন, ‘আর আমাদের কিছু লোক তো থাকেনই, যারা অপ্রয়োজনেও জিনিসের দাম বাড়িয়ে দেন ওই ছুতো ধরে। সেটাও হচ্ছে কিছু কিছু। না হলে এত দাম তো বাড়ার কথা নয়।’

সরকার জনগণকে দেওয়া সব প্রতিশ্রুতি সফলভাবে বাস্তবায়ন করছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘যদি করোনা মহামারি, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ এবং স্যাংশন-পাল্টা স্যাংশন না হতো, তাহলে বাংলাদেশ কখনই সমস্যায় পড়তো না। আমরা এগিয়ে যেতে পারতাম। কেননা যে ক্ষেত্রগুলো আমদানিনির্ভর সেখানেই এখন সমস্যাটা দেখা দিচ্ছে।’

যুদ্ধকে কেন্দ্র করে নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘স্যাংশন দিয়ে লাভটা কি হলো? বাস্তবিক অর্থে যদি লাভ কারও হয়েও থাকে, তাহলে সেটা আমেরিকা ও রাশিয়ারই হয়েছে। বিশ্ববাজারে ডলার ও রুবেলের দাম বেড়েছে। দুর্ভোগ পোহাচ্ছে সাধারণ মানুষ।’

  • সর্বশেষ - জাতীয়