, ১৮ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ অনলাইন সংস্করণ

নুডলস খেতে গিয়ে শিশুর গলায় বিঁধলো সেফটিপিন

  নিজস্ব প্রতিবেদক

  প্রকাশ : 

নুডলস খেতে গিয়ে শিশুর গলায় বিঁধলো সেফটিপিন

নাটোরের লালপুর উপজেলায় মায়ের হাতে নুডলস খেতে গিয়ে শিশুর গলায় বিঁধেছে সেফটিপিন। সে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, নাটোরের লালপুর উপজেলার বড় বাড্ডা এলাকার শফিকুল ইসলামের তিন বছরের মেয়ে জিদনী। বুধবার দিনগত রাত ১২টার দিকে তার মা জুলেখা বেগম নুডলস খাওয়ানোর সময় শিশুটির গলায় সেফটিপিন বিঁধে যায়। তৎক্ষণাৎ শিশুটি বমি করতে শুরু করে। তাকে সঙ্গে সঙ্গে বাঘা সেবা ক্লিনিকে ভর্তি করানো হয়।

সেখানে প্রাথমিক এক্সরে করে গলায় সেফটিন ধরা পড়ে। সেই রাতেই রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান কর্তব্যরত চিকিৎসক। পরে রামেকের ৩৩ নম্বর ওয়ার্ডে তাকে ভর্তি করানো হয়। শিশুটি বর্তমানে সুস্থ আছে।

শিশু জিদনীর ভাই জানান, নুডুলস গিলতে গিয়ে গলায় কী যেন আটকে যায়। সে তৎক্ষণাৎ বমি করতে শুরু করলে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাই। পরবর্তীতে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসা হয় এবং সেখানে ভর্তি করানো হয়। এখন স্যালাইন চলছে। তবে এখন পর্যন্ত তার গলার ভেতর থেকে সেফটিপিন বের করা হয়নি। শনিবার সকাল ১০টার দিকে বড় ডাক্তার এলে বের করবেন।

রামেকের ৩৩ ওয়ার্ডের কর্তব্যরত চিকিৎসক নাজমুল হাসান  বলেন, রোগীটি রাতেই ভর্তি হয়েছে। স্বাভাবিক নিয়মেই তার চিকিৎসা হওয়ার কথা থাকলেও তিনদিন ধরে পেডিয়াট্রিক ওএসফাগস্কোপ যন্ত্রটি নষ্ট থাকায় সম্ভব হয়নি। বর্তমানে আমাদের এখানে সেই ফ্যাসিলিটি নাই। স্বাভাবিক নিয়ম অনুযায়ী করলে রোগীর খাদ্যনালী ছিঁড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। যদি ছিঁড়ে পরবর্তীতে ঠিক করা সম্ভব নয়। এতে জীবন মরণের ঝুঁকি আছে।

তিনি আরও বলেন, তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হচ্ছে। সেটি বের করার জন্য ওই যন্ত্রই লাগবে। এছাড়া সম্ভব না। তবে মেডিসিন চলছে, আপাতত রোগী সুস্থ আছে।

  • সর্বশেষ - মিডিয়া