, ২১ মাঘ ১৪২৯ অনলাইন সংস্করণ

মৈত্রীসেতু বাংলাদেশ-ভারত যোগাযোগ-বাণিজ্য বাড়িয়েছে

  আন্তর্জাতিক ডেস্ক

  প্রকাশ : 

মৈত্রীসেতু বাংলাদেশ-ভারত যোগাযোগ-বাণিজ্য বাড়িয়েছে

ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু বলেছেন, ফেনী নদীর ওপর নির্মিত মৈত্রীসেতু বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে যোগাযোগ আরও বাড়িয়েছে। এ সেতুর ফলে ত্রিপুরার ব্যবসায়ীদের চট্টগ্রাম ও আশুগঞ্জ বন্দর ব্যবহারে সুবিধা বেড়েছে।

বুধবার (১২ অক্টোবর) ভারতের রাষ্ট্রপতিকে ত্রিপুরার আগরতলায় নাগরিক সংবর্ধনা দেওয়া হয়। সেই অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে তিনি এ কথা বলেন। বুধবার সন্ধ্যায় ভারতের রাষ্ট্রপতি সচিবালয় থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বাংলাদেশ ও ত্রিপুরা রাজ্যের জনগণের সম্পর্কের গভীরতা উল্লেখ করে দ্রৌপদী মুর্মু বলেন, ‘এটা বলা যেতে পারে যে, শুরু থেকেই বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের বন্ধুত্ব জোরদারে ত্রিপুরার একটি মুখ্য ভূমিকা রয়েছে।’

ত্রিপুরা শিক্ষাকেন্দ্র হিসেবে অগ্রসর হওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করে ভারতের রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘এই রাজ্যে উচ্চ ও পেশাগত শিক্ষার অনেক প্রতিষ্ঠান স্থাপিত হয়েছে। যেখানে শুধু উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় শিক্ষার্থীরাই অধ্যয়ন করছেন না, বরং ভারতের অন্যান্য অঞ্চল ও বিদেশ থেকেও শিক্ষার্থীরা শিক্ষাগ্রহণের জন্য আসছেন। ত্রিপুরা শতভাগ প্রাথমিকপর্যায়ের শিক্ষার অভীষ্ট নিশ্চিত করেছে।’

jagonews24ভারতের রাষ্ট্রপতি ও ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী/ছবি: সংগৃহীত

এর আগে রাষ্ট্রপতি আগরতলায় অ্যালবার্ট এক্কা ওয়ার মেমোরিয়াল পরিদর্শন করে ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মউৎসর্গকারী বীর সৈনিকদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান।

ত্রিপুরা সফরকালে ভারতের রাষ্ট্রপতি ত্রিপুরা স্টেট জুডিসিয়াল একাডেমিসহ কয়েকটি উন্নয়ন প্রকল্প উদ্বোধন করেন এবং আগরতলার নরসিংগড়ে ত্রিপুরা ন্যাশনাল ল’ ইউনিভার্সিটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।

অন্য এক অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি ভার্চুয়ালি আগরতলার ক্যাপিটাল কমপ্লেক্সে এমএলএ হোস্টেলের উদ্বোধন করেন এবং মহারাজা বীরেন্দ্র কিশোর মাণিক্য মিউজিয়াম অ্যান্ড কালচালার সেন্টার আইআইআইটি-আগরতলা ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।

এছাড়া তিনি আগরতলার রবীন্দ্র শতবার্ষিকী ভবন থেকে ত্রিপুরা সরকারের সড়ক, স্কুল ও শিক্ষার্থীদের হোস্টেল সম্পর্কিত বিভিন্ন প্রকল্প উদ্বোধন করেন।

রবীন্দ্র শতবার্ষিকী ভবনে বক্তৃতায় দেশটির রাষ্ট্রপতি বলেন, আজ যে প্রকল্পগুলোর উদ্বোধন করা হলো, তা শুধু ত্রিপুরার যোগাযোগ, শিক্ষা, বিচারকাজ ও আইন পরিষদকে জোরদারই করবে না, বরং এ রাজ্যের সমৃদ্ধ সংস্কৃতিকে আরও সমৃদ্ধ করবে।

তিনি বলেন, কোনো জাতির অগ্রগতি ও যুবকদের উন্নতির জন্য একটি সার্বিক শিক্ষাব্যবস্থা অপরিহার্য। উচ্চশিক্ষার পাশাপাশি আমাদেরকে প্রাথমিক শিক্ষার ওপরও জোর দিতে হবে।

  • সর্বশেষ - আন্তর্জাতিক