, ২৬ মাঘ ১৪২৯ অনলাইন সংস্করণ

সুইজারল্যান্ডকে হারিয়ে বিশ্বকাপের দ্বিতীয় রাউন্ডে ব্রাজিল

  স্পোর্টস

  প্রকাশ : 

সুইজারল্যান্ডকে হারিয়ে বিশ্বকাপের দ্বিতীয় রাউন্ডে ব্রাজিল

একটি গোল সেমি অটোমেটেড অফসাইড টেকনোলিজে পড়ে বাতিল করে দেয়া হলো। অবশেষে কাঙ্খিত সেই গোল এলো ৮৩তম মিনিটে। ম্যাচের মাত্র ৭ মিনিট বাকি থাকতে, ক্যাসেমিরোর পা থেকে।

এই একটিমাত্র গোলেই ইউরোপের শক্তিশালী দল সুইজারল্যান্ডকে ১-০ গোলে হারিয়ে ‘জি’ গ্রুপ থেকে দ্বিতীয় রাউন্ড নিশ্চিত করে নিয়েছে ৫ বারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল। টানা দুই ম্যাচ জিতে ব্রাজিলের পয়েন্ট ৬। সুইজারল্যান্ড এক ম্যাচ জিতে পয়েন্ট ৩।

সার্বিয়া এবং ক্যামেরুন ড্র করে দুই ম্যাচে পেয়েছে ১টি করে পয়েন্ট। শেষ ম্যাচে যদি ব্রাজিল হেরেও যায় এবং ক্যামেরুন সার্বিয়া জিতে যায়, তবুও তাদের পয়েন্ট হবে সর্বোচ্চ ৪ করে। সুতরাং, অন্তত ব্রাজিলকে পেছনে ফেলার আর সম্ভাবনা নেই।

ইনজুরির কারণে নেইমার খেলতে পারেননি। ছিলেন না ডিফেন্ডার দানিলোও। নেইমারহীন ব্রাজিল কেমন করে সেটাই ছিল দেখার। তারওপর সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে অতীত ইতিহাস ভালো নয়। বিশ্বকাপে ইউরোপের এই দেশটিকে কখনো হারাতে পারেনি সেলেসাওরা। গত বিশ্বকাপেও গ্রুপ পর্বে সুইসদের সঙ্গে ড্র করেছিল ব্রাজিল।

তবে স্টেডিয়াম ৯৭৪ এ- প্রথমার্ধে ব্রাজিলকে খুব একটা ভালো মনে হয়নি। কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধে খেলেছে ব্রাজিল ‘ব্রজিলের’ মতোই। বিশেষ করে রদ্রিগো, অ্যান্টোনি, গ্যব্রিয়েল হেসুসদের মাঠে নামানোর পর ব্রাজিলের খেরা ধরনটাই যেন পাল্টে যায়।

আগে থেকেই বারবার ভিনিসিয়ুস জুনিয়র বল নিয়ে সুইজারল্যান্ডের বক্সের মধ্যে প্রবেশ করে যাচ্ছিলেন। কিন্তু রিচার্লিসনের ফিনিশিংটা আজ ভালো না হওয়ায় গোলও আসছিল না। আগের ম্যাচের রিচার্লিসনকে আজ খুঁজে পাওয়া কঠিন ছিল। বরং, দুই উইংয়ে রাফিনহা এবং ভিনিসিয়ুস বারবার সুইসদের রক্ষণ ভাঙার চেষ্টা করেছেন। কিন্তু ব্যর্থ হন তারা। গোল আদায় করতে পারছিলেন না।

সার্বিয়া এবং ক্যামেরুন ড্র করে দুই ম্যাচে পেয়েছে ১টি করে পয়েন্ট। শেষ ম্যাচে যদি ব্রাজিল হেরেও যায় এবং ক্যামেরুন সার্বিয়া জিতে যায়, তবুও তাদের পয়েন্ট হবে সর্বোচ্চ ৪ করে। সুতরাং, অন্তত ব্রাজিলকে পেছনে ফেলার আর সম্ভাবনা নেই।

ইনজুরির কারণে নেইমার খেলতে পারেননি। ছিলেন না ডিফেন্ডার দানিলোও। নেইমারহীন ব্রাজিল কেমন করে সেটাই ছিল দেখার। তারওপর সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে অতীত ইতিহাস ভালো নয়। বিশ্বকাপে ইউরোপের এই দেশটিকে কখনো হারাতে পারেনি সেলেসাওরা। গত বিশ্বকাপেও গ্রুপ পর্বে সুইসদের সঙ্গে ড্র করেছিল ব্রাজিল।

তবে স্টেডিয়াম ৯৭৪ এ- প্রথমার্ধে ব্রাজিলকে খুব একটা ভালো মনে হয়নি। কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধে খেলেছে ব্রাজিল ‘ব্রজিলের’ মতোই। বিশেষ করে রদ্রিগো, অ্যান্টোনি, গ্যব্রিয়েল হেসুসদের মাঠে নামানোর পর ব্রাজিলের খেরা ধরনটাই যেন পাল্টে যায়।

আগে থেকেই বারবার ভিনিসিয়ুস জুনিয়র বল নিয়ে সুইজারল্যান্ডের বক্সের মধ্যে প্রবেশ করে যাচ্ছিলেন। কিন্তু রিচার্লিসনের ফিনিশিংটা আজ ভালো না হওয়ায় গোলও আসছিল না। আগের ম্যাচের রিচার্লিসনকে আজ খুঁজে পাওয়া কঠিন ছিল। বরং, দুই উইংয়ে রাফিনহা এবং ভিনিসিয়ুস বারবার সুইসদের রক্ষণ ভাঙার চেষ্টা করেছেন। কিন্তু ব্যর্থ হন তারা। গোল আদায় করতে পারছিলেন না।

  • সর্বশেষ - খেলাধুলা