ময়মনসিংহ, , ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭ অনলাইন সংস্করণ

দুশ্চিন্তায় ঘুম হচ্ছে না? সমাধান জেনে নিন

  হেলথ টিপস

  প্রকাশ : 

দুশ্চিন্তায় ঘুম হচ্ছে না? সমাধান জেনে নিন

দুশ্চিন্তা না চাইতেই এসে যায়। মরণঘাতি এই রোগ থেকে বাঁচা যাবে কি না, বাঁচলেও কী হবে ভবিষ্যতে, চাকরিটা আদৌ থাকবে কি না- এমন অসংখ্য দুশ্চিন্তা তৈরি হচ্ছে নিজেকে এবং পরিজনকে ঘিরে। এর মধ্যে আবার বাইরেও বের হওয়ার জো নেই। সারাদিন বাড়িতে থেকে একঘেয়ে লাগতে শুরু করে। বদলেছে দিন যাপনের রুটিনও। বাড়িতে থেকেই হয়তো করছেন অফিসের কাজ। এমন অবস্থায় দুশ্চিন্তা থেকে ঘুম না এলে অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না। কিন্তু সুস্থ থাকার জন্য নিয়মিত ঘুম খুব জরুরি। তাই জেনে নিন সমাধান-

রুটিন তৈরি করুন: যেহেতু জীবনযাপন আগের মতো নেই তাই নতুন একটি রুটিন তৈরি করতে হবে। সেজন্য আপনার ঘুমের প্যাটার্নটা বুঝতে হবে। রাত জেগে কাজ করার অভ্যাস বাদ দিন। রাতে ঘুম পেলে শুয়ে ঘুমিয়ে পড়ুন আর সকালে ওঠার সময় ঘড়িতে অ্যালার্ম দেবেন না। স্বাভাবিকভাবে ঘুমটা ভাঙতে দিন। এতে প্রথম ক’দিন আপনি একটু বেশি ঘুমাতে পারেন ঠিকই, কিন্তু শিগগিরই একটা ছন্দ চলে আসবে, তখন আর সমস্যা হবে না।Ghum

শোয়ার ঘরে বসে কাজ করবেন না: যদি সম্ভব হয়, কাজের সময় শোয়ার ঘরটা এড়িয়ে চলুন। বিছানায় নয়, চেয়ার-টেবিলে বসে কাজ করুন। প্রয়োজনীয় স্টেশনারি হাতের কাছে রাখুন, ঘড়ি ধরে কাজ করুন যেমনটা অফিসে করেন। তাতে খানিকটা অফিসে বসে কাজ করার অনুভূতি আসবে।

দুপুরে ঘুম নয়: বাড়িতে থাকলে দুপুরের খাওয়ার পর একটু ঘুমাতে মন চাইতেই পারে। কিন্তু ভুলেও ঘুমোবেন না। আপনার অফিসের কাজ তো বটেই, এমনকী রাতের ঘুমও নষ্ট হয়ে যাবে। তবে আগের রাতে যদি একদম ঘুম না হয়ে থাকে, তবে একটু চোখ বুজে নিতে পারেন, কিন্তু কোনোভাবেই তা যেন ১০-১৫ মিনিটের বেশি না হয়।

Ghum

কফি কম খান: অতিরিক্ত ক্যাফেইন ঘুমের ব্যাঘাত ঘটায়। তাই ঘুমের সমস্যা থাকলে বিকেলের দিকে বা সন্ধের পর কফি খাবেন না। কফির নেশা থাকলে দিনের বেলায় খেতে পারেন, তবে দু'তিন কাপের বেশি নয়।

দুশ্চিন্তা নয়: আপনি যদি ক্রনিক অনিদ্রার রোগী না হন, এবং শুধু বাড়তি স্ট্রেসের কারণেই অনিদ্রায় ভুগতে শুরু করেন, তাহলে আপনার প্রথম কাজ মানসিক চাপ কমানো। যে বিষয়গুলোর উপর আপনার কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই, তা নিয়ে দুশ্চিন্তা করেও লাভ নেই, এটা মনকে বোঝান।

Ghum

ব্যায়াম করুন: সারাদিন বাড়িতে বসে কাটাবেন না, কিছু শারীরিক কসরত করুন। বাড়ির বারান্দায় বা ছাদে হাঁটুন, জগিং করুন। ফ্রি হ্যান্ড এক্সারসাইজ করতে পারেন। কিছু না হলে সিঁড়ি ভেঙে ওঠানামা করুন। দিনের শুরুতেই ব্যায়ামের কাজটা সেরে ফেললে সারা দিন বাড়তি এনার্জি পাবেন।

ঘুমের পরিবেশ তৈরি করুন: রাতের খাবার খুব দেরি করে খাবেন না। ঘুমতে যাওয়ার অন্তত একঘণ্টা আগে টিভি বন্ধ করে দিন। এড়িয়ে চলুন মোবাইল। ঘরের আলো কম রাখুন, ঘরের পরিবেশ যেন যথাসম্ভব আরামদায়ক থাকে। ঘুম না এলেও রোজ নির্দিষ্ট সময়ে শুতে যান।

  • সর্বশেষ - হেলথ টিপস