ময়মনসিংহ, , ১৩ আশ্বিন ১৪২৭ অনলাইন সংস্করণ

সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরলেন ডাক্তার ও পুলিশ কর্মকর্তাসহ সাতজন

  নিজস্ব প্রতিবেদক

  প্রকাশ : 

সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরলেন ডাক্তার ও পুলিশ কর্মকর্তাসহ সাতজন

কিশোরগঞ্জে করোনাকে জয় করে সুস্থ্ হয়ে বাড়ি ফিরলেন ৩ ডাক্তার, এক পুলিশ কর্মকর্তাসহ ৭ জন। তাদের মধ্যে ৩ জন চিকিৎসক, একজন পুলিশ কর্মকর্তা, একজন ডিপ্লোমা ডেন্টাল চিকিৎসক এবং ২ জন গৃহিণী। এর আগে জেলায় আরও ৭ জন করোনাভাইরাস থেকে সুস্থ হয়েছেন।


এ নিয়ে জেলায় করোনাভাইরাস থেকে মোট ১৪ জন সুস্থ হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) ৬ জনকে শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেয়া হয়। বাকি একজন ভৈরব থেকে সুস্থ হয়েছেন।


তারা হলন, কিশোরগঞ্জের ইটনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক তানভীর রহমান ও আলেয়া ফেরদৌস তন্নি, ভৈরব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক ডা. কিশোর কুমার ধর, ভৈরব থানা পুলিশের এসআই মো. দেলোয়ার হোসেন পাটোয়ারি, কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার বত্রিশ এলাকার জবা ভৌমিক (৬০), চৌদ্দশত ইউনিয়নের পাড়াপরমানন্দপুরের রকি (২২) এবং অষ্টগ্রাম উপজেলার আউলিয়া আক্তার (২৫)।


ইটনা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. অতিশ দাস রাজীব জানান, গত ১৪ এপ্রিল দুইজন চিকিৎসকের নমুনা সংগ্রহ করে ঢাকায় পাঠানো হয়। ১৬ এপ্রিল তাদের করোনা পজিটিভ আসে। ১৮ এপ্রিল তাদের কিশোরগঞ্জের শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসোলেশনে ভর্তি করা হয়। গত ২৩ ও ২৫ এপ্রিল পর পর দুটি নমুনা পরীক্ষায় কোভিড-১৯ নেগেটিভ আসায় আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে তাদের ছাড়পত্র দেয়া হয়েছে।


অপরদিকে গত ১৪ এপ্রিল পুলিশ কর্মকর্তা মো. দেলোয়ার হোসেন পাটোয়ারির দেহে কোভিড-১৯ শনাক্ত হয়।ওই দিনই তাকে কিশোরগঞ্জের শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতারে ভর্তি করা হয়।


চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ২১ ও ২৫ এপ্রিল দুই দফা পরীক্ষা করে তার শরীরে কোভিড-১৯ নেগেটিভ ফলাফল আসে। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে তাকে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেয়া হয়। আগামী ১৪ দিন তিনি বাড়িতে থাকবেন। দেলোয়ার হোসেন পাটোয়ারি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার ব্রাহ্মণসাকুয়া গ্রামের ফজর আলী পাটোয়ারির ছেলে।


এর আগে ঢাকার কুর্মিটোলা হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেন এসআই চাঁন মিয়া। এর আগে সুস্থ হন অপর ৪ জন চিকিৎসকসহ ৭ জন।


জেলার সিভিল সার্জন ডা. মো. মুজিবুর রহমান জানান, বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) জেলায় ১৭৯ আক্রান্তের মধ্যে ১৪ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেন।

  • সর্বশেষ - সারাদেশ