ময়মনসিংহ, , ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭ অনলাইন সংস্করণ

ভালুকা পৌরসভার ৪ হাজার পরিবারের মধ্যে ইঞ্জিনিয়ার মাসুদের খাদ্যপণ্য ও ঈদ উপহার

  শাহ মোহাম্মদ রনি

  প্রকাশ : 

ভালুকা পৌরসভার ৪ হাজার পরিবারের মধ্যে ইঞ্জিনিয়ার মাসুদের খাদ্যপণ্য ও ঈদ উপহার

ময়মনসিংহের ভালুকা পৌরসভার প্রায় ৪ হাজার দরিদ্র ও অসহায় পরিবারের মধ্যে ব্যক্তিগত তহবিল থেকে খাদ্যপণ্য এবং ঈদ উপহার বিতরণ করেছেন আওয়ামী লীগ নেতা ও সমাজসেবক ইঞ্জিনিয়ার মাসুদ পারভেজ। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিশেষ উপহার হিসেবে পর্যায়ক্রমে পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডে উপহার কার্যক্রম চালানো হয় সম্ভাব্য এই মেয়র প্রার্থীর পক্ষে। এ সময় আওয়ামী লীগ এবং সহযোগী সংগঠনের নেতা, শ্রমজীবি, পেশাজীবি, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন। ভালুকা আসনের জননন্দিত এমপি আলহাজ্ব কাজিম উদ্দিন আহম্মেদ ধনু খাদ্যপণ্য এবং ঈদ উপহার বিতরণ কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি ছিলেন। দলীয় নেতাকর্মী এবং সমর্থক ছাড়াও স্বেচ্ছাসেবকরা ওয়ার্ডভিত্তিক দরিদ্র ও অসহায় পরিবারের মধ্যে খাদ্যপণ্য বিতরণে ইঞ্জিনিয়ার মাসুদকে সার্বিক সহযোগিতা করেন। লোক লজ্জায় থাকা ৪ শতাধিক মধ্যবিত্ত পরিবারের মধ্যেও রাতের বেলা খাদ্যপণ্য এবং ঈদ উপহার পৌঁছান পৌরবাসীর জন্য নিবেদিত প্রাণ ইঞ্জিনিয়ার মাসুদ পারভেজ। অন্তত: ১ হাজার দরিদ্র পরিবার দ্বিতীয় বার খাদ্যপণ্য সহযোগিতা পেয়েছেন। করোনা সঙ্কটের শেষ সময় পর্যন্ত ভালুকা পৌর এলাকার দরিদ্র ও অসহায় পরিবারের মধ্যে খাদ্যপণ্য উপহার অব্যাহত থাকবে বলে ইঞ্জিনিয়ার মাসুদ পারভেজ বৃহস্পতিবার রাতে দৈনিক জাগ্রত বাংলা’কে জানান।


করোনা পরিস্থিতিতে সরকার প্রথম দফায় সাধারণ ছুটি ঘোষণা করার পরই ভালুকা পৌর এলাকায় খেটে খাওয়া ও নিম্ন আয়ের মানুষ সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়েন। সঞ্চিত অর্থ শেষ হওয়ার পর অসহায় হয়ে পড়ে বহু পরিবার। অস্বাভাবিক পরিস্থিতি সৃষ্টি হওয়ার আগেই দরিদ্র এবং অসহায় পরিবারের সহযোগিতায় এগিয়ে আসেন আওয়ামী লীগ নেতা ও বিশিষ্ট সমাজসেবক ইঞ্জিনিয়ার মাসুদ পারভেজ। তালিকা তৈরী করেন দরিদ্র এবং অসহায় পরিবারের। শারীরিক দূরত্ব বজায় রেখে খাদ্য সঙ্কটে থাকা পরিবারের মধ্যে শুরু করেন খাদ্যপণ্য বিতরণ। যা দিয়ে পরিবারগুলো অন্তত: ১০ দিন তাদের চাহিদা মিটায়। যারা খাদ্যপণ্য পেয়েছেন তারা অধিকাংশই নিম্ন আয়, কর্মহীন, অসহায়, দরিদ্র এবং অক্ষম। খাদ্যপণ্যের পাশাপাশি ২৪ রমজান থেকে বিতরণ করা হয় ঈদ উপহার। তা দিয়ে যেকোনো পরিবারের অনায়াসে কেটে যাবে ঈদ। মাসুদ পারভেজ পেশায় মেকানিক্যাল প্ল্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার। তিনি এ সেক্টরে বিশেষ অবদান রেখেই চলছেন। তিনি ২০০৮ সালে আয়ারল্যান্ড-এর স্বনামধন্য ডাবলিন সিটি ইউনিভার্সিটি থেকে মাস্টার্স অব ইঞ্জিনিয়ারিং (মেকানিক্যাল) ডিগ্রি অর্জন করেন। ২০০৪ সালে ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজি (আইইউটি) থেকে বিএসসি ইন ইঞ্জিনিয়ারিং (মেকানিক্যাল) পাস করার পর উচ্চ শিক্ষার জন্য আয়ারল্যান্ডে যান। ইঞ্জিনিয়ার মাসুদ দেশের অন্যতম একটি প্রতিষ্ঠানের পরিচালক। তার তত্ত্বাবধানে দেশের সেরা ইলেকট্রিক পণ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোতে স্থাপন করা হয়েছে বৃহৎ ইলেকট্রিক্যাল প্ল্যান্ট।


প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ অনুযায়ী অসহায় পরিবারের মধ্যে খাদ্যপণ্য এবং ঈদ উপহার বিতরণ ও জনসচেতনতার জন্য অক্লান্ত শ্রম দিচ্ছেন আওয়ামী লীগ নেতা ও বিশিষ্ট সমাজসেবক ইঞ্জিনিয়ার মাসুদ পারভেজ। ২৩-০৫-২০২০ শনিবার রাত পর্যন্ত ভালুকা পৌর এলাকার প্রায় ৪ হাজার দরিদ্র ও অসহায় পরিবারের মধ্যে খাদ্যপণ্য এবং ঈদ উপহার বিতরণ করে ব্যাপক আলোচিত হয়েছেন। অন্যদিকে পর্যায়ক্রমে পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডে ৯ হাজার কেজি সবজি বিতরণ করেন। শতশত পরিবারের হাহাকার মিটিয়ে তিনি ভালুকাবাসীর হৃদয়ে ঠাঁই করে নিয়েছেন। অনুরোধ জানাচ্ছেন গুরুত্বপূর্ণ কাজ ছাড়া কাউকে ঘরের বাইরে বের না হওয়ার জন্য। ভালুকার অধিকাংশ রাজনৈতিক নেতা যখন স্বেচ্ছায় লকডাউনে তখন আক্রান্তের ঝুঁকি মাথায় নিয়ে নিরলসভাবে মানব সেবা করে যাচ্ছেন ইঞ্জিনিয়ার মাসুদ পারভেজ। এ কারণে তাকে করোনা যোদ্ধা উপাধি দিয়েছেন ভালুকাবাসী। বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার নাগরিকসহ রাজনৈতিক নেতা এবং গণমাধ্যম কর্মীরা অকপটে স্বীকার করেন তার মানবিকতা।


ইঞ্জিনিয়ার মাসুদ পারভেজ শনিবার রাতে দৈনিক জাগ্রত বাংলা’কে বলেন, ভালুকা পৌরসভার ১ লাখ মানুষ যদি ভালো না থাকেন- আমি একা ভালো থাকি কিভাবে। করোনা পরিস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছি। সঙ্কটের শেষ সময় পর্যন্ত ভালুকা পৌরবাসীর পাশে থাকবো ইনশাআল্লাহ। তিনি বলেন, জীবনের শেষ সময় পর্যন্ত মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় দেশ ও জনগণের কল্যাণে কাজ করে যেতে চাই। অন্যদিকে দুস্থ এবং অসহায় মানুষের চিকিৎসা, বিয়ে, পড়ালেখা, বিভিন্ন বিষয়ের পাশাপাশি শিক্ষা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে নগদ অর্থ সহায়তা দিয়ে ব্যাপক ভূমিকা রাখছেন বিশিষ্ট সমাজসেবক ইঞ্জিনিয়ার মাসুদ পারভেজ। আলোচনা-পর্যালোচনা ও জল্পনা-কল্পনায় তাকে করোনা যোদ্ধা হিসেবে উল্লেখ করে চলছে সরগরম আলোচনা। এছাড়া বিভিন্ন নির্বাচন, দলীয় কর্মসূচি পালন, সক্রিয় অংশগ্রহণ ও ভূমিকা রাখা এবং সামাজিক কর্মকাণ্ডের কারণেও তিনি পৌরবাসীর কাছে জনপ্রিয়। ইঞ্জিনিয়ার মাসুদ পারভেজের ক্লিন ইমেজ ও দূরদর্শিতার কারণে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক মহলের দৃষ্টিতেও রয়েছে ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতা।


  • সর্বশেষ - আলোচিত খবর