ময়মনসিংহ, , ১৬ আশ্বিন ১৪২৭ অনলাইন সংস্করণ

শেখ হাসিনার একনিষ্ঠ অনুসারী এমপি কাজিম উদ্দিন আহম্মেদ ধনুকে ঘিরে মন্ত্রীত্বের প্রত্যাশা ময়মনসিংহবাসীর

  শাহ মোহাম্মদ রনি

  প্রকাশ : 

শেখ হাসিনার একনিষ্ঠ অনুসারী এমপি কাজিম উদ্দিন আহম্মেদ ধনুকে ঘিরে মন্ত্রীত্বের প্রত্যাশা ময়মনসিংহবাসীর

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একনিষ্ঠ অনুসারী ময়মনসিংহ-১১ ভালুকা আসনের এমপি আলহাজ্ব কাজিম উদ্দিন আহম্মেদ ধনুকে ঘিরে মন্ত্রীত্বের প্রত্যাশা করছে ময়মনসিংহবাসী। জোড়ালো এ দাবির প্রতি একাত্মতা জানিয়েছেন ময়মনসিংহের বিভিন্ন আসনের এমপি, আওয়ামী লীগ, মহাজোট, নাগরিক সমাজ, পেশাজীবী, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বসহ বিভিন্ন মহলের হাজার হাজার মানুষ। ‘দাবি এখন একটাই- ধনু এমপিকে মন্ত্রী হিসেবে দেখতে চাই’ এই স্লোগানে আগাচ্ছেন ভালুকাসহ ময়মনসিংহবাসী। তৃণমূল থেকে উঠে আসা ক্লিন ইমেজের এই সংসদ সদস্যের মন্ত্রীত্বের প্রশ্নে সরকারের উচ্চ পর্যায়ে চলছে আলোচনা-পর্যালোচনা। কাজিম উদ্দিন আহম্মেদ ধনু মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম নায়ক ও কিংবদন্তি মেজর আফসার উদ্দিন আহম্মেদ-এর ছেলে। তিনি সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের একনিষ্ঠ অনুসারী ছিলেন। বঙ্গবন্ধুর ডাকে সাড়া দিয়ে আলাদা বাহিনী গঠন করে স্ত্রীসহ পরিবারের ১৯ সদস্যকে নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন মুক্তিযুদ্ধে। স্ত্রী-সন্তান, ভাই ও পরিবারের সদস্যদের নিয়ে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেওয়ার বিষয়টি দূর্লভ ইতিহাস। তার সুযোগ্য সন্তান এমপি ধনু এখন করোনা যুদ্ধের অন্যতম অগ্রনায়ক। বাংলাদেশে করোনা রোগী সনাক্ত হওয়ার পর চিকিৎসা শেষে তিনি ভারত থেকে দেশে ফিরেন। ১৪ দিনের কোয়ারেন্টাইন শেষে ভালুকাবাসীর কথা চিন্তা করে আক্রান্তের ঝুঁকি থাকার পরও এলাকায় যান। ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহর মৃত্যুর পর মন্ত্রীত্ব শূণ্য হয়ে পড়েছে ধর্ম মন্ত্রণালয়। কিছু দিনের মধ্যে একজন প্রতিমন্ত্রী নিয়োগ এবং মন্ত্রী পরিষদে সামান্য রদবদল আনা হবে বলে সূত্র নিশ্চিত করেছে। এরই প্রেক্ষিতে ধর্মপ্রাণ ও আলেম-ওলামাদের কাছের মানুষ নৌকার কাণ্ডারী আলহাজ্ব কাজিম উদ্দিন আহম্মেদ ধনুর মন্ত্রীত্বের দাবি তুলেছেন ময়মনসিংহবাসী।


সূত্র জানায়, ভালুকাসহ ময়মনসিংহবাসী আলহাজ্ব কাজিম উদ্দিন আহম্মেদ ধনুকে মন্ত্রী হিসেবে দেখতে চান। বিপুল আকাঙ্খা ও প্রত্যাশা নিয়ে ময়মনসিংহবাসী অপেক্ষায় আছেন কাঙ্খিত মন্ত্রীত্বের জন্য। দূরদর্শি এ নেতাকে গ্রহণযোগ্য মনে করছেন পর্যবেক্ষক মহল। তার মন্ত্রীত্বের দাবি যুক্তি সঙ্গত বলে জানিয়েছেন বিশ্লেষকরা। বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার একনিষ্ঠ অনুসারী এমপি ধনু কলেজ জীবন থেকেই আওয়ামী রাজনীতির সাথে জড়িত। দেশরত্ন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ময়মনসিংহের গণমানুষের এ দাবিকে নিশ্চয়ই নিরাশ করবেন না। নানান কারণেই মন্ত্রীত্বের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে অপ্রতিরোধ্য এই নেতার নাম। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, কাজিম উদ্দিন আহম্মেদ ধনুর মতো ক্লিন ইমেজের এমপি মন্ত্রীসভায় স্থান পাবেন সবার এ প্রত্যাশা। সততা, মেধা ও দক্ষতা দিয়ে তার মতো পার্লামেন্টারিয়ান যেকোনো মন্ত্রণালয়কে এগিয়ে নিতে পারবেন। এলাকার উন্নয়ন প্রকল্পের জন্য সচিবালয়সহ বিভিন্ন দপ্তরে যাওয়া, ঘনঘন এলাকায় অবস্থান করে একাধিক কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে এরই মধ্যে তিনি সবার নজর কেড়েছেন। নিরহঙ্কার, সদালাপী, হাসোজ্জ্বল, উচ্চ শিক্ষিত, রাজনৈতিক আদর্শ, দূরদর্শিতা, সক্রিয় ভূমিকা ও বলিষ্ঠ নেতৃত্বের কারণে তিনি গ্রহণযোগ্য। বঙ্গবন্ধুর সৈনিক আলহাজ্ব কাজিম উদ্দিন আহম্মেদ ধনু নিজেকে নিবেদিত করেছেন আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে। জীবনের শেষ সময় পর্যন্ত তিনি মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় দেশ ও জনগণের কল্যাণে কাজ করে যেতে চান। দরিদ্র এবং অসহায় মানুষের চিকিৎসা, বিয়ে, পড়ালেখাসহ বিভিন্ন বিষয়ে নগদ অর্থ সহায়তার পাশাপাশি বিভিন্ন শিক্ষা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, সড়ক ও সেতু ছাড়াও এলাকার উন্নয়নে তিনি ব্যাপক ভূমিকা রাখছেন। মাদক ও আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতেও ভূমিকা রাখছেন এমপি ধনু। তিনি জুয়া, হাউজি ও যাত্রা বন্ধে কঠোর অবস্থানে।


জানা যায়, মেজর আফসার উদ্দিন আহম্মেদ মহান মুক্তিযুদ্ধের অনিয়মিত ৩টি বাহিনীর অন্যতম ‘আফসার বাহিনী’র প্রধান ছিলেন। পরে তিনি ১১ নম্বর সেক্টরের সাব সেক্টর কমান্ডার নিযুক্ত হন। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণে উদ্বুদ্ধ হয়ে এপ্রিলের প্রথম দিকে নিজ উদ্যোগে ‘আফসার বাহিনী’ গঠন করেন। ভারত সরকারের কোনো প্রকার সহযোগিতা ছাড়াই ভালুকা উপজেলার ডাকাতিয়ার ঢালুয়া থেকে ৫ সহস্রাধিক সদস্যের সমন্বয়ে ৭৬৫ বর্গকিলোমিটার এলাকা দখলে রেখে যুদ্ধ চালিয়ে যান। নভেম্বর মাসের প্রথম দিকে ভারত সরকার এ বাহিনীকে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেয়। দীর্ঘ ৮ মাসের টানা যুদ্ধে মেজর আফসার উদ্দিন আহম্মেদ-এর ছেলে নাজিম উদ্দিন আহম্মেদ ও শ্যালক মতিউর রহমানসহ ৪৭ জন মুক্তিযোদ্ধা শহীদ হন। ইতিহাসে অম্লান হয়ে আছে আফসার বাহিনীর দেড় শতাধিক উল্লেখযোগ্য যুদ্ধ। এর মধ্যে ২৫ জুন ভালুকার ভাওয়ালিয়া বাজু শিমুলীয়া নদীর পাড়ের সম্মুখ যুদ্ধ মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে বিরল দৃষ্টান্ত। দীর্ঘ ৪৮ ঘন্টার যুদ্ধে ১৯৫ জন পাক সেনা নিহত এবং আব্দুল মান্নান নামের একজন মুক্তিযোদ্ধা শহীদ হন। ২৫ জুন শুক্রবার সকালে ভালুকা আক্রমণ ও ক্যাম্প করার জন্য দেড় হাজার পাক সেনা গফরগাঁও থেকে ৩ ভাগে বিভক্ত হয়ে শিমুলীয়া ঘাট দিয়ে ভালুকা প্রবেশের চেষ্টা চালায়। খবর পেয়ে মেজর আফসার উদ্দিন আহম্মেদ মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। শুরু হয় সম্মুখ যুদ্ধ। সর্ব প্রথম তিনি এলএমজি দিয়ে গুলিবর্ষণ শুরু করেন। দেশ মাতৃকার টান, স্বামী ও পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের সহযোগিতা করার জন্য আফসার উদ্দিন আহম্মেদ-এর স্ত্রী খায়রুন নেছা আফসারও অংশ নিয়েছিলেন মহান মুক্তিযুদ্ধে। বয়সের ভারে ন্যুব্জ হয়ে তিনি শয্যাশায়ী এবং করোনা পজেটিভ। মাঝে মধ্যেই স্মৃতিচারণ করেন একাত্তরের বিভিষিকাময় দিনগুলোর। একই পরিবারে নারীসহ ১৯ জন মুক্তিযোদ্ধা থাকার বিষয়টি ইতিহাসে বিরল দৃষ্টান্ত।


সূত্র জানায়, ক্লিন ইমেজের সফল জনপ্রতিনিধি আলহাজ্ব কাজিম উদ্দিন আহম্মেদ ধনু নানান কারণে ভালুকার সাবেক ও বর্তমান জনপ্রতিনিধিদের মধ্যে ব্যাপক গ্রহণযোগ্য। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম নায়ক ও কিংবদন্তি বাবার ইতিহাস, ঐতিহ্য ও কর্মকে ধরে রাখার শপথ নিয়ে ১৯৮৫ সালে ছাত্রলীগের রাজনীতিতে সম্পৃক্ত হন। ১৯৮৭ সালে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগে ছাত্রলীগের সভাপতি নির্বাচিত হন। ১৯৮৯ সালে ভালুকা উপজেলা ছাত্রলীগের আহ্বায়কের দায়িত্ব পান। ১৯৯০ থেকে ১৯৯৪ সাল পর্যন্ত তিনি উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ছিলেন। ১৯৯৪ থেকে ২০০২ সাল পর্যন্ত উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। ২০০২ সালে যুবলীগের সভাপতি নির্বাচিত হয়ে ২০১৫ সাল পর্যন্ত দায়িত্বে ছিলেন। রাজপথের লড়াকু সৈনিক ধনু ২০০৩ সালে উপজেলা ও পৌর আওয়ামী লীগের সদস্য হন। তিনি ময়মনসিংহ জেলা, ভালুকা উপজেলা ও পৌর আওয়ামী লীগের সদস্য। ২০০৯ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত উপজেলা পরিষদে চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেন। এর আগে তিনি মল্লিকবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ছিলেন। সততা এবং বলিষ্ঠ ভূমিকার কারণে তিনি জনপ্রতিনিধির সর্বোচ্চ স্থানে পৌঁছেছেন। বহু প্রার্থী থাকার পরও ক্লিন ইমেজ, দক্ষতা, রাজনৈতিক দূরদর্শিতা, বলিষ্ঠ ভূমিকা এবং পারিবারিক ইতিহাস ও ঐতিহ্যের কারণে আলহাজ্ব কাজিম উদ্দিন আহম্মেদ ধনু বিগত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পান। তার বাবা মেজর আফসার উদ্দিন আহম্মেদ আওয়ামী লীগের মনোনয়নে ভালুকা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে ১৯৮৯ থেকে ১৯৯১ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন। মৃত্যুর সময় পর্যন্ত তিনি ময়মনসিংহ জেলা ও ভালুকা উপজেলা আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন।


জানা যায়, ময়মনসিংহের ভালুকা আসনের এমপি আলহাজ্ব কাজিম উদ্দিন আহম্মেদ ধনু তৃণমূল থেকে উঠে আসা আপাদমস্তক একজন রাজনীতিবিদ। ছাত্রলীগ দিয়ে রাজনীতি শুরু। তার মতো দক্ষ, ধর্মপ্রাণ এবং মানবিক এমপি পেয়ে ভালুকাবাসী গর্বিত। একাধিকবার হজ্ব এবং ওমরাহ্্ হজ্ব করা এমপি ধনু ইসলামিক চিন্তা-চেতনা নিয়ে এগিয়ে যাওয়া একজন পার্লামেন্টারিয়ান। হজ্ব শেষে প্রতিবারই তিনি ইসলামী কঠিন নিয়মগুলো পালন করে দেশে ফিরেন। এতেকাফে বসেন পবিত্র মক্কা ও মদিনায়। এই ২ পবিত্র নগরীর বহু আলেম-ওলামাদের সাথে তার গভীর সম্পর্ক রয়েছে। তিনি দরিদ্র ও অসহায় পরিবারের মধ্যে সঠিকভাবে প্রধানমন্ত্রীর উপহার ত্রাণ এবং ব্যক্তিগত উদ্যোগের খাদ্যপণ্য বিতরণের ব্যবস্থা করেন। বিভিন্ন এলাকায় জনসেবায় এগিয়ে থাকা এমপিদের মধ্যে তিনি অন্যতম। ১ বছর ৫ মাসে এলাকায় ব্যাপক উন্নয়ন প্রকল্প, ক্লিন ইমেজ ও বিচক্ষণতার জন্য সকলের নজর কাড়েন। সবাই যখন করোনা ভাইরাস সংক্রমণের অজানা আশঙ্কায় তখনও তিনি মাঠে। মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমাণ্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ নাজিম উদ্দিন মন্ডল দৈনিক জাগ্রত বাংলা’কে বলেন, আলহাজ্ব কাজিম উদ্দিন আহম্মেদ ধনু ভালুকাবাসীর জন্য নিবেদিত প্রাণ। তার গ্রহণযোগ্যতা এবং দূরদর্শিতায় ভালুকায় ২শ’ কোটি টাকারও বেশি উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়িত হওয়ার পথে। যা আগের সকল সময়ের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডকে ছাড়িয়ে গেছে। তিনি ভালুকাবাসীর জন্য একের পর এক বিশেষ ভূমিকা রেখে জননেত্রী শেখ হাসিনা সরকারের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করছেন। তিনি বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম নায়ক ও কিংবদন্তি মেজর আফসার উদ্দিন আহম্মেদ-এর সুযোগ্য সন্তান ধনু সকলের কাছের এবং প্রিয় মানুষ। তিনি বুকে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ লালন এবং মরহুম বাবার ঐতিহ্য ও কর্ম অনুসরণ করে ‘আধুনিক ভালুকা’ গড়ার অঙ্গিকার নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন।


সূত্র জানায়, অসুস্থ থাকার পরও করোনা যুদ্ধে অংশ নিয়ে ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছেন জননন্দিত এমপি আলহাজ্ব কাজিম উদ্দিন আহম্মেদ ধনু। ভারতের দিল্লির বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের পরামর্শ না মেনে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে তিনি ভালুকাবাসীর পাশে দাঁড়িয়েছেন। দীর্ঘ ২ মাস পূর্ণ বিশ্রামে থাকার কথা ছিলো। মানবিকতার প্রশ্নে তিনি মানুষের কল্যাণে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ বাস্তবায়ন করছেন। যেক’জন এমপি ঝুঁকি নিয়ে এলাকায় অবস্থান করছেন তাদের মধ্যে তিনি অন্যতম। করোনা ভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে ব্যাপক ভূমিকা এবং অসহায় পরিবারের মধ্যে খাদ্যপণ্য বিতরণ করে তিনি রেকর্ড সৃষ্টি করেছেন। ঝুঁকির কারণে ভালুকাবাসী তাকে করোনা যুদ্ধের অগ্রনায়ক বলছেন। দিনব্যাপী বিভিন্ন এলাকায় অবস্থান করে তদারকি করেন প্রধানমন্ত্রীর উপহার ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম। ১৬-০৬-২০২০ মঙ্গলবার পর্যন্ত তিনি ভালুকায় অবস্থান করেন। সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে দরিদ্র ও অসহায় পরিবারের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর উপহার ২৪ হাজার ৩০০ ব্যাগ ত্রাণ এবং এমপির ব্যক্তিগত উদ্যোগে ১১ হাজার ব্যাগ খাদ্যপণ্য বিতরণ করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর উপহার ত্রাণ ও এমপির ব্যক্তিগত উদ্যোগে খাদ্যপণ্য বিতরণ অব্যাহত রয়েছে। পৌরসভা এবং ১১টি ইউনিয়নে চালু করা হয়েছে প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত বিশেষ খাদ্য ও মানবিক সহায়তা কর্মসূচি। সঙ্কট পরবর্তী সময় পর্যন্ত ৩১ হাজার পরিবার এই সহযোগিতা পাবেন। এর মধ্যে ২৪ হাজার ৩০০ পরিবারকে বিশেষ সহযোগিতা, ৭ হাজার ৮৮০ জনকে মানবিক সহায়তার আড়াই করে টাকা, ১৮ হাজারের বেশি পরিবারকে খাদ্য বান্ধব, আড়াই হাজার পরিবারকে বিশেষ ওএমএস এবং ৫৩৫ পরিবারকে শিশু খাদ্য সহযোগিতা প্রদান করা হয়। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ অনুযায়ী অসহায়দের তালিকা তৈরী করতে দীর্ঘ ৫ দিন নির্ঘুম রাত কাটান এমপি ধনু, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, সহকারী কমিশনার (ভূমি), উপজেলা পরিষদ ভাইস চেয়ারম্যান, পৌর মেয়র, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যসহ অফিস স্টাফরা। গুরুত্বপূর্ণ কোনা বিষয় ছাড়া কাউকে ঘরের বাইরে বের না হওয়ার অনুরোধ জানাচ্ছেন এমপি ধনু। করোনা পরিস্থিতিতে তিনি ভালুকাবাসীর মনে আরেকদফা দাগ কেটেছেন। দেশের অধিকাংশ জনপ্রতিনিধি ও নেতারা যখন কোয়ারেন্টাইনে তখন আক্রান্তের ঝুঁকি নিয়ে এলাকায় অবস্থান করছেন এমপি ধনু।

সম্পাদনায়: নাসিমুল গনি ইশরাক

  • সর্বশেষ - আলোচিত খবর