ময়মনসিংহ, , ১৬ আশ্বিন ১৪২৭ অনলাইন সংস্করণ

শ্যালিকাকে ধর্ষণের পর হত্যা করেছেন কাসেম: পুলিশ

শ্যালিকাকে ধর্ষণের পর হত্যা করেছেন কাসেম: পুলিশ

নেত্রকোনার দুর্গাপুরে কিশোরী হাফছানা খাতুনের(১৬) হত্যার রহস্য উদঘাটিত হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, তাকে ধর্ষণের পর হত্যা করে পাহাড়ের টিলার গর্তে লাশ লুকিয়ে রেখেছিলেন দুলাভাই আবুল কাসেম।  পুলিশ আবুল কাসেমকে গ্রেপ্তার করে বৃহস্পতিবার আদালতে পাঠায়। পরে আদালত জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠিয়েছেন।


নেত্রকোনা নিজ কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে বৃহস্পতিবার বিকেলে প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের বিষয়টি জানান পুলিশ সুপার মো. আকবর আলী মুন্সী। এ সময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) মোহাম্মদ ফখরুজ্জামান জুয়েল, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আল আমীন হোসেন, সদর সার্কেল মোরশেদা খাতুন, দুর্গাপুর সার্কেল মাহমুদা শারমীন নেলী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।


ব্রিফিংয়ে পুলিশ জানায়, জেলার দুর্গাপুর সদর ইউনিয়নের কলিকাপুর গ্রামের আবু সালেকের মেয়ে হাফছানা আক্তার মাদরাসায় পড়াশুনা করত। গত ১ জুলাই সকালে মায়ের কথায় সে পাহাড়ি টিলায় কচুর লতি কুড়াতে গিয়ে নিখোঁজ হয়। অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তার কোন সন্ধান পাওয়া যায়নি। পরদিন সন্ধ্যায় পাহাড়ের গর্তে লাশ দেখতে পায় এলাকাবাসী। পুলিশ ওইদিন রাতে মুখে কাপড় গোজা ও গলায় ওড়না পেঁচানো অবস্থায় হাফছানার লাশ উদ্ধার করে। গত ৩ জুলাই নিহতের বাবা আবু সালেক বাদী হয়ে দুর্গাপুর থানায় হত্যা মামলা করেন। পুলিশ হাফছানার দুলাভাই একই গ্রামের আবু হানিফের ছেলে আবুল কাসেমের প্রতি সন্দেহ হলে তাকে আটক করে। জিজ্ঞাসাবাদে কাসেম শ্যালিকা হাফছানা খাতুনকে ধর্ষণ এবং হত্যার কথা স্বীকার করেন।

  • সর্বশেষ - মহানগর