ময়মনসিংহ, , ১৭ কার্তিক ১৪২৭ অনলাইন সংস্করণ

সর্বোচ্চ সংক্রমণের দিনে ব্রাজিলকে টপকে দ্বিতীয় স্থানে ভারত

  আন্তর্জাতিক ডেস্ক

  প্রকাশ : 

সর্বোচ্চ সংক্রমণের দিনে ব্রাজিলকে টপকে দ্বিতীয় স্থানে ভারত

ভারতে গত একদিনে রেকর্ড সর্বোচ্চ ৯০ হাজার ৮০২ জনের দেহে মহামারি করোনাভাইরাসের সংক্রমণ শনাক্ত হওয়ার পর মোট কোভিড-১৯ পজিটিভ মানুষের সংখ্যা ৪২ লাখ ছাড়িয়েছে। এর মধ্য দিয়ে মহামারি করোনায় শীর্ষ আক্রান্ত দেশগুলোর তালিকায় ব্রাজিলকে টপকে দ্বিতীয় স্থানে উঠে গেছে ভারত।


ভারতীয় টেলিভিশন এনডিটিভির সোমবারের অনলাইন প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়ে বলা হচ্ছে, এ নিয়ে টানা দ্বিতীয় দিন ভারতে ৯০ হাজারের বেশি মানুষ করোনায় আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হলেন। ব্রাজিলকে টপকানোয় এখন শীর্ষ আক্রান্তের তালিকায় ভারতের সামনে রয়েছে শুধু যুক্তরাষ্ট্র; সেখানে আক্রান্ত ৬৪ লাখের বেশি।


বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দেয়া তথ্য অনুযায়ী গত প্রায় এক মাস ধরে গোটা বিশ্বের মধ্যে ভারতে দৈনিক করোনা সংক্রমণ ছিল সর্বোচ্চ। আমাদের প্রতিবেশী দেশটিতে ইতোমধ্যে কোভিড-১৯ পজিটিভ ৭১ হাজার ৬৪২ জন রোগী মারা গেছে। এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় মারা গেছে ১ হাজার ১৬ জন কোভিড-১৯ রোগী।


তবে এখন পর্যন্ত আক্রান্তদের মধ্যে ৩২ লাখ ৫০ হাজার মানুষ সুস্থ হয়েছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় ভারতে ৬৯ হাজারের বেশি করোনা রোগী সুস্থ হয়েছেন। তবে ঊর্ধ্বমুখী সংক্রমণের মধ্যেও ভারতে প্রায় সব কিছু সচল হয়েছে। সোমবার ৭ সেপ্টেম্বর থেকে দেশটিতে শুরু হচ্ছে আনলক-৪।


গত ২৪ ঘণ্টায় সর্বাধিক করোনা শনাক্ত রাজ্যগুলোর তালিকায় শীর্ষ পাঁচটি হলো যথাক্রমে মহারাষ্ট্র, অন্ধ্রপ্রদেশ, কর্ণাটক, তামিলনাডু এবং উত্তর প্রদেশ। ভারতের কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, ভারতে বর্তমানে যতজন সক্রিয় কোভিড-১৯ রোগী রয়েছেন তার ৬২ শতাংশই এই পাঁচ রাজ্যে।


সরকারি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত যারা সুস্থ হয়েছেন এর মধ্যে ৬০ শতাংশই পাঁচটি রাজ্যে। ভারতে যে ৩০ লাখ সুস্থ হয়েছে এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি মহারাষ্ট্রে; ২১ শতাংশ। এরপর যথাক্রমে তামিলনাডুতে ১২.৬৩, অন্ধ্রপ্রদেশে ১১.৯৩, কর্ণাটকে ৮.৮২ এবং উত্তর প্রদেশে সুস্থ হয়েছে ৬.১৪ শতাংশ।


স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের করা হিসাব অনুযায়ী, ভারতে করোনায় মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৭৩ শতাংশ; যা করোনায় মৃত্যুর ক্ষেত্রে বৈশ্বিক হারের চেয়ে কম। মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, এ পর্যন্ত আক্রান্তদের ০ দশমিক ৫ শতাংশকে ভেন্টিলেটরে রাখতে হয়েছে। আইসিইউতে ২ শতাংশ এবং অক্সিজেন সাপোর্ট লেগেছে ৩.৫ শতাংশ রোগীর।

  • সর্বশেষ - আন্তর্জাতিক