ময়মনসিংহ, , ১৩ কার্তিক ১৪২৭ অনলাইন সংস্করণ

‘প্যানেলে শিক্ষক নিয়োগের দাবি অযৌক্তিক’

  নিজস্ব প্রতিবেদক

  প্রকাশ : 

‘প্যানেলে শিক্ষক নিয়োগের দাবি অযৌক্তিক’

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগে প্যানেলপ্রত্যাশীদের আন্দোলন প্রসঙ্গে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব আকরাম আল হোসেন বলেন, প্যানেলভুক্ত শিক্ষক নিয়োগ দেয়ার কোনো সুযোগ নেই। বিধিমালা অনুযায়ী নিয়োগ পরীক্ষার মাধ্যমে যোগ্য ব্যক্তিদের মধ্য থেকে নিয়োগ দেয়া হবে।


বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) জাগো নিউজকে তিনি বলেন, প্যানেলভুক্ত শিক্ষক নিয়োগের দাবি অযৌক্তিক। এভাবে প্যানেলভুক্ত শিক্ষক নিয়োগের কোনো চিন্তা-ভাবনা নেই সরকারের।


সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগ-২০১৮ পরীক্ষায় মৌখিক পরীক্ষা থেকে বাদ পড়া প্রার্থীরা এক সপ্তাহ ধরে জাতীয় প্রেস ক্লাব এবং মিরপুরে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের (ডিপিই) কার্যালয়ের সামনে কাফনের কাপড় পরে প্যানেলে নিয়োগের দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন। গতকাল বুধবার (১৪ অক্টোবর) রাতে পুলিশ তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। এখন তারা নতুনভাবে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত তারা বাড়ি ফিরে যাবেন না, প্রয়োজনে রাস্তায় মরে থাকবেন বলেও ঘোষণা দিয়েছেন।


আকরাম আল হোসেন বলেন, বিধিমালা অনুযায়ী নিয়োগ দেয়ার বিষয়টি পরিষ্কার করতে আমরা ইতোমধ্যে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছি। সেখানে এ সংক্রান্ত সব কিছু পরিষ্কার করে উল্লেখ করা হয়েছে। নিয়োগ পরীক্ষা থেকে বাদ পড়া প্রার্থীদের একটি গ্রুপ টাকা তুলে আন্দোলন শুরু করেছে। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নিয়োগ পেতে হলে সব পরীক্ষায় যোগ্যতা প্রমাণ করে নিয়োগ পেতে হবে, প্যানেলে নিয়োগ দেয়া হবে না।


এদিকে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের নিয়োগ শাখার সহকারী পরিচালক আতিক বিন সাত্তার বলেন, সরকারি শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা অনুযায়ী প্যানেলভুক্ত শিক্ষক নিয়োগের বিষয়টি উল্লেখ নেই। আগে রেজিস্টার্ড স্কুলগুলোতে নিয়োগ পরীক্ষায় পাস করা প্রার্থীদের প্যানেল করা হতো। সেখান থেকে বেশকিছু শিক্ষককে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। বিধিমালা অনুযায়ী প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগ কেন্দ্রীয় কমিটি সুপারিশ করায় প্যানেল থেকে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। এর বাইরে কাউকে নিয়োগ দেয়া সম্ভব নয়।


তিনি বলেন, সারাদেশে নতুন করে ৩২ হাজার শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হবে। এসব পদের মধ্যে সাড়ে ২৫ হাজার প্রাক-প্রাথমিকের পদ নতুন সৃজন করা হয়েছে। বাকি প্রায় সাত হাজার বিভিন্ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নতুন করে শূন্য হয়েছে। সেসব পদে বর্তমানে নিয়োগ দেয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। নিয়োগ বিধিমালা অনুযায়ী পদ সৃজন হলে সেখানে নতুন করে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে পরীক্ষার মাধ্যমে নিয়োগ দিতে হবে। নতুন করে শূন্যপদের জন্য লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে উপজেলা ও থানাভিত্তিক কেন্দ্রীয় কমিটি যাদের সুপারিশ করবে তারা নিয়োগ পাবেন।


  • সর্বশেষ - শিক্ষাঙ্গন