, ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৮ অনলাইন সংস্করণ

১০০ টাকায় বাড়ি কেনা যাবে ইতালিতে!

  ভ্রমণ ডেস্ক

  প্রকাশ : 

১০০ টাকায় বাড়ি কেনা যাবে ইতালিতে!

১০০ টাকায় আজকাল তো জামা-জুতাই কিনতে পাওয়া যায় না; সেখানে একটি আস্ত বাড়ি কেনা যাবে, তাও আবার ইতালিতে। নিশ্চয়ই এমনটি ভাবছেন! অবাক করা হলেও সত্যিই, ইতালিতে মাত্র ১ ইউরোর বিনিময়ে বাড়ি কেনার সুযোগ আছে।

কফির দামে সেখানে বাড়ি বিক্রি হচ্ছে। ইতালির ক্যাসিগ্লিয়োন ডি সিসিলিয়া শহরে নামমাত্র মূল্যে বিক্রি করা হচ্ছে বিশালাকার সব বাড়ি। তার পাশেই আছে সিসিলির পূর্ব উপকূল ঘেঁষা মনোমুগ্ধকর সমুদ্র সৈকত। বাড়ির পাশেই সমুদ্র সৈকত, কতটা মনোরোম পরিবেশ ভাবুন একবার!

jagonews24

জানা গেছে, ইতালির এই শহরের মেয়র আন্তোনিনো কামারদা নতুন মানুষদেরকে আনার চেষ্টা করছেন ক্যাসিগ্লিয়োন ডি সিসিলিয়াতে। ১৯ দশকের শুরু থেকে জনসংখ্যা কমতে কমতে সেখানে ১৪ হাজার থেকে ৩ হাজার জনে নেমে এসেছে।

jagonews24

ক্যাস্তগ্লিয়োন ডি সিসিলিয়ায় প্রায় ৯০০টি পরিত্যক্ত বাড়ি আছে। আর এগুলোই নামমাত্র দামে বিক্রির চেষ্টা করছেন কর্তৃপক্ষ। মেয়র আন্তোনিও কামারদা বলেছেন, তিনি এই শহরে আবারও প্রাণ ফেরাতে চান। মানুষ না থাকার কারণে ভুতুড়ে শহরে পরিণত হয়েছে এটি। শত শত বাড়ি পড়ে আছে মানুষের অভাবে।

তাই যদি কেউ ইতালির ছোট্ট শহরে বসবাস করতে চান, তাদেরকে অভিনন্দন জানিয়েছেন মেয়র। এই স্কিমটি ২০২১ সালের মার্চ মাসে চালু হয়েছে। এ বিষয়ে মেয়র একটি বিশেষ টাস্কফোর্স গঠন করেছেন।

jagonews24

এ শহরের প্রায় অর্ধেক বাড়ি-ঘরই ভগ্নপ্রায় হয়ে গেছে। তাই এগুলো এক ইউরো প্রতীকী দরে বিক্রি হবে। যেসব বাড়ির অবস্থা কিছুটা ভালো; সেগুলো ৪-৫ হাজার ইউরোতে বিক্রি করা হবে। সেখানকার বেশিরভাগ বাড়িই সংস্কার করে নিতে হবে কেনার পর।

jagonews24

ইতালির চেয়ে সিসিলিতে স্থানীয় ট্যাক্স তুলনায় কম। ক্রেতারা ইতালীয় সরকারের ‘সুপারবোনাস’ প্রকল্পেরও সুবিধা নিতে পারেন। যেগুলো সংস্কারের জন্য ১১০ শতাংশ করের বিনিময়ে ঘরগুলো আবার নতুনের মতো করে নিতে পারবেন।

jagonews24

কাস্তিগ্লিয়োন ডি সিসিলিয়া শহরে খ্রিস্টপূর্ব ৪০৩ খ্রিস্টাব্দ থেকে জনবসতি গড়ে ওঠে। সে হিসেবে এ শহরটি প্রাগৈতিহাসিক সময়ের। এই শহর থেকে মাত্র ৪০ মিনিট গেলেই নিকটতম সৈকত মেরিনা দি কোটোন চোখে পড়বে। সেখানে আরও আছে কমলার বাগান, জলপাইয়ের বাগান, নদী, ওয়াইনের কারখানা ইত্যাদি।

সূত্র: সিএনএন

  • সর্বশেষ - ভ্রমণ