ময়মনসিংহ, , ২৫ চৈত্র ১৪২৬ অনলাইন সংস্করণ

মৌসুমি জ্বরে আক্রান্ত রোগীদের সেবা দিচ্ছেন না ডাক্তাররা

  অনলাইন ডেস্ক

  প্রকাশ : 

মৌসুমি জ্বরে আক্রান্ত রোগীদের সেবা দিচ্ছেন না ডাক্তাররা
প্রতীকী ছবি

বিশ্বের শতাধিক দেশে ছড়িয়ে পড়া করোনা ভাইরাস সৃষ্টি করেছে আতঙ্ক। আর এই আতঙ্কের ছোঁয়া লেগেছে বাংলাদেশের এক শ্রেণির চিকিৎসকদের মধ্যেও। মৌসুমি জ্বরে আক্রান্ত রোগীদেরও সেবা প্রদান থেকে বিরত থাকছেন অনেক চিকিৎসক।

জ্বর, হাঁচি-কাশি ও শ্বাসকষ্ট এই তিনটির কোনো একটির নাম শোনার পরপরই চিকিৎসকরা রোগীকে তিন হাত দূরে থাকতে বলছেন। আইইডিসিআর এ যাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন। এতে রোগীরা হয়ে পড়ছেন আতঙ্কিত। অথচ অনেক রোগী কখনোই করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত দেশে যাননি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মুখ্য চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. এবি এম আব্দুল্লাহ বলেন, জ্বর হলে সবাই যে করোনায় আক্রান্ত এমন নয়। তাই সব রোগীকে সেবা দিতে হবে।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) সাবেক উপাচার্য ও প্রখ্যাত নাক, কান ও গলা বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. প্রাণ গোপাল দত্ত বলেন, এই মৌসুমে সর্দি, কাশি ও গলা ব্যথার প্রচুর রোগী আসে। কিন্তু করোনা আতঙ্কে তাদের চিকিত্সাসেবা না দেওয়াটা ঠিক নয়। চিকিত্সকদের উচিত ভয় ও আতঙ্ক ভুলে তাদের যথাযথ চিকিত্সা দেওয়া। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. কনক কান্তি বড়ুয়া জানান, ডাক্তারদের নিরাপত্তা অবশ্যই থাকতে হবে। একই সঙ্গে রোগীকে চিকিত্সাসেবাও দিতে হবে। রোগীর সেবা না দেওয়া সম্পূর্ণ অনৈতিক। তিনি বলেন, চিকিত্সক রোগীকে ট্রিটমেন্ট দিবেন। তবে ওষুধে কাজ না হলে প্রয়োজনে আইইডিসিআরে যাওয়ার পরামর্শ দিতে পারেন।

কখনো হালকা ঠান্ডা আবার কখনো হালকা গরম। এই যখন আবহাওয়ার অবস্থা, অনেকেই এই সময়টায় অসুস্থ হচ্ছেন, কারও জ্বর হচ্ছে, গলা ব্যথা, খাবারে অরুচি, মাথা ব্যথা, নাক বন্ধ থাকায় নিঃশ্বাস নিতে কষ্ট, বার বার হাঁচি দেওয়া, আর কাশির সমস্যায় স্বাভাবিক জীবনযাপনে বেশ প্রতিবন্ধকতাই দেখা দিচ্ছে। এ মৌসুমে প্রায় ঘরে ঘরে নারী-পুরুষ-শিশুরা এ রোগে আক্রান্ত। আর এসব উপসর্গ নিয়ে চিকিত্সকের শরণাপন্ন হচ্ছেন অনেকে। শহিদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক ডা. উত্তম কুমার বড়ুয়া জানান, তিনি আজ থেকে সিজনাল জ্বরে আক্রান্ত রোগীদের সেবা দেওয়ার জন্য হাসপাতালের বহিঃবিভাগে একটি কর্নার চালু করবেন। সেখানে চিকিত্সকরা সেবা দিবেন। কোনো ডাক্তার রোগীদের দেখবেন না এটা হতে পারে না।

  • সর্বশেষ - মহানগর