ময়মনসিংহ, , ১৬ আশ্বিন ১৪২৭ অনলাইন সংস্করণ

ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ জিম্মি করে রেখেছেন মামা-ভাগ্নী সিন্ডিকেট

  শাহ মোহাম্মদ রনি

  প্রকাশ : 

ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ জিম্মি করে রেখেছেন মামা-ভাগ্নী সিন্ডিকেট

ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ জিম্মি করে রেখেছেন বিএনপি-জামায়াত জোট সমর্থক মামা-ভাগ্নী সিন্ডিকেট। ঐতিহ্যবাহী এই প্রতিষ্ঠানে দীর্ঘ ১৬ বছর অনিয়ম ও দুর্নীতি করে নামে-বেনামে কোটি কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন করেছে আলোচিত সিন্ডিকেট। টাকা ছাড়া তারা কিছুই বুঝেন না। এদের কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছেন বিভিন্ন বিভাগের চিকিৎসক ও সাধারণ কর্মচারীরা। অধ্যক্ষের পিএ মোঃ রফিকুল ইসলাম মামা এবং প্রধান সহকারী নাজমা বেগম সম্পর্কে ভাগ্নী হন। নানান জটিলতা সৃষ্টি করে ফায়দা লুটছে মামা-ভাগ্নী সিন্ডিকেট। এদের কারণে মাঝে মধ্যেই বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়তে হয় কলেজ প্রশাসনকে। গ্রুপিংয়ে জড়িয়ে পড়েন কোনো কোনো চিকিৎসক। মঘের মুল্লুক পরিস্থিতি চলছে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে। কম গুরুত্বপূর্ণ বিভাগে বদলি, কোনঠাসা এবং ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ভয়ে মামা-ভাগ্নী সিন্ডিকেটের বিষয়ে ভুক্তভোগীরা কথা বলেন না। দীর্ঘ ১৫ বছর যাবত চিকিৎসকদের ফাইল দেখাশুনা করার সুযোগে অসদাচরণ করার বিস্তর অভিযোগ রয়েছে দুর্নীতিগ্রস্ত নাজমার বিরুদ্ধে। ২০০৩ সালে গঠিত মামা-ভাগ্নী সিন্ডিকেটে মেডিকেল কলেজ সংলগ্ন মাসকান্দা ও পার্শ্ববর্তী দিঘারকান্দায় বাড়ি উচ্ছৃঙ্খল কয়েকজন কর্মচারী রয়েছেন। চিকিৎসকদের সাথে খারাপ আচরণ করারও অভিযোগ রয়েছে ২ কর্মচারীর বিরুদ্ধে। চিহ্নিত এই সিন্ডিকেটের বিষয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী ছাড়াও উর্ধ্বতন কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে। অন্যদিকে দীর্ঘ ১৬ বছরেরও অধিক সময় ধরে অনিয়ম, দুর্নীতি এবং কোটি কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের বিষয়ে নিরপেক্ষ তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল এবং ভুক্তভোগী কর্মচারীরা।

সূত্র জানায়, মোঃ রফিকুল ইসলাম ১৯-১১-১৯৯৬ তারিখে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ অধ্যক্ষের পিএ পদে চাকরি শুরু করেন। কলেজের তৎকালীন সচিব মোঃ আনসার আলীর মেয়েকে বিয়ে করার শর্তে জালিয়াতির আশ্রয় নিয়ে রফিককে চাকরি দেওয়া হয়। লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় অন্যান্য প্রার্থীরা তার চেয়ে বেশি নম্বর পেলেও তাদের কারও ভাগ্যে চাকরি জোটেনি। লিখিত পরীক্ষার খাতা নিরীক্ষণ এবং নিরপেক্ষ তদন্ত করলেই জালিয়াতির বিষয়টি ধরা পড়বে। চাকরির ২ মাস পরই সচিব আনসার আলীর মেয়েকে বিয়ে করেন রফিক। পিএ পদে চাকরি শুরুর কিছু দিন পর কোনো প্রকার অফিস আদেশ ছাড়াই শ্বশুরের আশির্বাদে ছাত্র শাখায় কাজ শুরু করেন। ২০০২ সালে শ্বশুরের মাধ্যমে তৎকালীন অধ্যক্ষকে ‘ম্যানেজ’ করে অফিস আদেশ করিয়ে ইনচার্জের দায়িত্ব নেন রফিক। পরে তিনি কখনও পিএ’র দায়িত্ব পালন করেন নি।

অভিযোগে জানা যায়, নগরীর মাসকান্দা আকন্দ বাড়ির মোঃ রফিকুল ইসলাম দীর্ঘ ২২ বছর কর্মস্থলে অনিয়ম ও দুর্নীতি করে অন্তত: ৩ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন করেছেন। নামে-বেনামে গড়া সম্পদের মধ্যে জমি ক্রয়, বাড়ি নির্মাণ, কনফেকশনারী, মাইক্রোবাস এবং ডাকঘর ও ব্যাংকে লাখ লাখ টাকা জমা রেখেছেন। সিন্ডিকেটের ও স্থানীয় প্রভাব খাটিয়ে গত ১০ বছরে ৩ আত্মীয়সহ ৮ জনকে চাকরি দিয়ে অন্তত: ৭০ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন দুর্নীতিগ্রস্ত রফিক। ছোট ভাইয়ের স্ত্রী মোছাঃ সাহিদা বেগমকে ২০১৪ সালে অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক, বড় ভগ্নিপতির বোনের ছেলে মোঃ নাজমুল ইসলামকে ২০১২ সালে কার্পেন্টার (কাঠ মিস্ত্রী) ও চাচাতো ভাইয়ের ছেলে মোঃ আব্দুল্লাহ আল মামুনকে ২০১০ সালে এমএলএসএস (অফিস সহায়ক) পদে চাকরি দেন। নাজমুল কার্পেন্টার হলেও রফিকের প্রভাবের কারণে তার সাথেই ছাত্র শাখায় অফিস সহকারীর দায়িত্ব পালন করছেন। মামুন বাঘমারা ছাত্র হোস্টেলে বদলি থাকলেও অধিকাংশ সময় ডিউটি না করে ঘুরে বেড়ান। ছাত্র শাখার নগদ কেনাকাটা থেকেও প্রতি বছর গড়ে ১ লাখ টাকা আত্মসাত করেন রফিক। এছাড়া নিরীহ কর্মচারীদের বেকায়দায় ফেলে এক বিভাগ থেকে আরেক বিভাগে বদলি এবং বিভিন্নভাবে তাদের কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেন ‘ধুরন্দর’ রফিক ও তার লোকজন।


সূত্র জানায়, অধ্যক্ষের পিএ মোঃ রফিকুল ইসলাম ও প্রধান সহকারী নাজমা বেগম প্রতিবেশী এবং সম্পর্কে মামা-ভাগ্নী। নাজমা বিএনপি জামায়াত জোট সরকার আমলে ২০০৩ সালে ত্রিশাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে বদলি হন। তখন তিনি অফিস সহকারী কাম মুদ্রাক্ষরিক ছিলেন। তার স্বামী স্টোর কিপার মোঃ গিয়াস উদ্দিন ২০০২ সালে সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা অফিস থেকে মেডিকেল কলেজে যোগদান করেন। এই দম্পতি এর আগে গৌরীপুর ও ত্রিশাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্মরত ছিলেন। তারা এই ২ কর্মস্থলেও গ্রুপিং, অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টি এবং বিভিন্নভাবে কর্মচারীদের হয়রানি করেন। নাজমা ২৫-০২-২০১৬ তারিখে প্রধান সহকারীর পদোন্নতি পান। আগে উচ্চমান সহকারী ছিলেন। ময়মনসিংহে যোগদানের পরই সম্পর্কে মামা অধ্যক্ষের পিএ রফিকের সাথে হাত মিলিয়ে অনিয়ম ও দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়েন। সূত্র মতে, তৎকালীন সময়ে বিএমএ’র প্রভাবশালী নেতা ডা. মোহাম্মদ আলী সিদ্দিকীকে ‘ধর্ম বাবা’ বানিয়ে মেডিকেল কলেজে একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তার করেন নাজমা-গিয়াস দম্পতি। এই ‘ধর্ম বাবা’কে ‘ম্যানেজ’ করেই তারা ময়মনসিংহে বদলি হয়ে আসেন। বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার আমলের পুরোটাই বাধ্যগত কর্মচারীদের সমন্বয়ে শক্তিশালী সিন্ডিকেট গঠন করে মেডিকেল কলেজ নিয়ন্ত্রণে রাখেন। আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পরও কলেজের নিয়ন্ত্রণ ছাড়েনি এই সিন্ডিকেট। এভাবেই আওয়ামী লীগের টানা ১১ বছর একচ্ছত্র আধিপত্য টিকিয়ে রেখেছে আলোচিত মামা-ভাগ্নী সিন্ডিকেট।

জানা যায়, প্রধান সহকারী নাজমা বেগম মেডিকেল কলেজে ২৭-১২-২০১৯ তারিখের তৃতীয় শ্রেণীর কর্মচারী নিয়োগ পরীক্ষা বাধাগ্রস্ত করেন। তার আত্মীয় ২ প্রার্থীকে নিয়োগ পাইয়ে দিতে বিভিন্ন দপ্তরে অতিমাত্রায় চাপ প্রয়োগ এবং কলকাঠি নাড়ায় কর্তৃপক্ষ শেষ পর্যন্ত নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিত করতে বাধ্য হন। এর আগে ছাত্রলীগের একাংশের নেতাদের ‘ম্যানেজ’ করে অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে মিছিল করানোর পরিকল্পনা করেন দুর্নীতিগ্রস্ত নাজমা। তার বিরুদ্ধে চিকিৎসকদের সাথে খারাপ আচরণ করারও বহু অভিযোগ রয়েছে। চিকিৎসকদের ছুটি, যোগদান, উচ্চশিক্ষা এবং সেমিনারের জন্য দেশ-বিদেশ ভ্রমণের ফাইল দেখাশুনা করার সুযোগে নাজমা কৌশলে টাকা হাতিয়ে নেন। অনেককেই আবার ঘন্টার পর ঘন্টা বসিয়ে রাখেন। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে চিকিৎসকদের হুমকি এবং তাদের সাথে খারাপ আচরণ করেন। এ নিয়ে প্রায়ই তর্কবিতর্কের ঘটনা ঘটে। সূত্র মতে, নাজমা মেডিকেল কলেজে বদলি হয়ে আসার ১ বছরের মাথায় চিকিৎসকদের ফাইল দেখাশুনা করার সাময়িক দায়িত্ব পান। কয়েক মাসের মাথায় কৌশলে অন্যকে সরিয়ে দিয়ে তিনি একক দায়িত্ব নেন। অফিস আদেশ ছাড়াই দীর্ঘ ৩ বছর একক দায়িত্ব পালন করেন। ৩ বছরের মাথায় তৎকালীন অধ্যক্ষকে ‘ম্যানেজ’ করে অফিস আদেশ করান ‘ধূর্ত’ নাজমা। তখন তিনি উচ্চমান সহকারী ছিলেন।

সূত্র জানায়, প্রধান সহকারী নাজমা ১৭-০৯-২০১৭ তারিখে কলেজ শিক্ষার্থীদের সাথে অশালীন কথাবার্তা এবং খারাপ আচরণ করেন। বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা আন্দোলনে নামার সিদ্ধান্ত এবং নাজমা বেগম ও অফিস সহায়ক মোঃ আব্দুর রাজ্জাকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন। কর্তৃপক্ষ ওই দিনই একাডেমিক কাউন্সিলের জরুরি বৈঠক করেন। নাজমা ও রাজ্জাক দোষী সাব্যস্থ হওয়ায় কর্তৃপক্ষ ০২-১০-২০১৭ তারিখে প্রশাসনিক কারণ দেখিয়ে নাজমাকে জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং রাজ্জাককে ফুলপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বদলি করেন। নাজমার সাথে তৎকালীন অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মোঃ আনোয়ার হোসেনের সু-সম্পর্ক থাকায় দীর্ঘ ২ মাস পর অভিযুক্ত হওয়ার বিষয়টি বাদ দিয়ে একাডেমিক কাউন্সিলের রেজুলিশন স্বাক্ষর করেন। অধ্যক্ষের পরামর্শে অফিস না করে নাজমা ৩ মাস বাসায় অবস্থান করেন। ময়মনসিংহে স্বাস্থ্য সেক্টর নিয়ন্ত্রণ করা চিহ্নিত চক্রের অন্যতম সদস্যের হাতে সাড়ে ৭ লাখ টাকা তুলে দিয়ে নাজমা ০৩-০১-২০১৮ তারিখে পুনরায় মেডিকেল কলেজে যোগদান করেন। কিছু দিনের মাথায় চক্রের ওই সদস্যকে ‘ম্যানেজ’ করে মামা-ভাগ্নী সিন্ডিকেটের অন্যতম সদস্য রাজ্জাক ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বদলি হয়ে আসেন। সূত্র মতে, স্বাস্থ্য সেক্টর নিয়ন্ত্রণ করা চক্রের ওই সদস্যের কাছে নাজমা কলেজ প্রশাসনের বিভিন্ন তথ্য পাচার করেন।


জানা যায়, ময়মনসিংহ সদর উপজেলার মধ্য বাড়েরা গ্রামের মোঃ ইব্রাহিম সরকারের মেয়ে নাজমা বেগম ২৩-০৮-১৯৮৮ তারিখে গৌরীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অফিস সহকারী কাম মুদ্রাক্ষরিক পদে চাকরি শুরু করেন। প্রেম এবং কেলেঙ্কারীর এক পর্যায়ে নাজমা ১৯৯০ সালে একই কর্মস্থলের স্টোর কিপার গিয়াস উদ্দিনকে বিয়ে করতে বাধ্য হন। নানান ঘটনার কারণে ১৯৯১ সালে ৩ মাসের ব্যবধানে ত্রিশাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বদলি করা হয় ‘ধূর্ত’ নাজমা ও গিয়াসকে। দীর্ঘ ১ যুগ ত্রিশালে কর্মরত থেকে চিকিৎসক ও কর্মচারীদের সাথে দ্বন্দ্বে জড়িয়ে বহু ঘটনার জন্ম দেন এই দম্পতি। এ পরিস্থিতিতে কর্তৃপক্ষ ২০০০ সালে নাজমার স্বামী গিয়াসকে সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার অফিসে বদলি করেন।

সূত্র জানায়, স্টোর কিপার মোঃ গিয়াস উদ্দিন ২০০২ সালে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে যোগদান করেন। ত্রিশাল উপজেলার ধানীখোলার মরহুম হারেজ আলীর ছেলে গিয়াস ০৫-০৬-১৯৮৩ তারিখে কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চাকরি শুরু করেন। মেডিকেল কলেজে যোগদানের পর থেকে দীর্ঘ ১৬ বছর যাবত এককভাবে দায়িত্ব পালন করছেন। মোঃ আব্দুল লতিফ আকন্দ এবং সুলতান উদ্দিন আহম্মাদ নামের অপর ২ জন স্টোর কিপার কর্মরত থাকলেও তাদেরকে স্টোরের দায়িত্ব দেওয়া হয় না। দায়িত্ব পালনের জন্য অপর ২ জন স্টোর কিপারের একাধিকবার অফিস আদেশ হলেও অদৃশ্য কারণে পরের দিন আদেশ বাতিল হয়ে যায়। সূত্র মতে, গিয়াস উদ্দিন দীর্ঘ ১৬ বছর স্টোরে দায়িত্ব পালন করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। এই দম্পতি গত ১৬ বছর অনিয়ম ও দুর্নীতির আশ্রয় নিয়ে অবৈধভাবে অন্তত: ৫ কোটি টাকা অর্জন করেছেন। ঘুষের টাকায় তারা জমি ক্রয়, মাসকান্দায় বাড়ি, চরপাড়ার নয়াপাড়ায় বাড়ি নির্মাণ, ঢাকার মিরপুর ১০ নম্বরে ফ্ল্যাট এবং ডাকঘর ও বিভিন্ন ব্যাংকে লাখ লাখ টাকা জমা রেখেছেন। প্রায় ৪০ লাখ টাকা খরচে মেয়ে জান্নাতুল ফেরদৌস কলিকে পড়িয়েছেন বেসরকারি মেডিকেল কলেজে (সিবিএমসিবি)।

অভিযোগ সম্পর্কে স্টোর কিপার মোঃ গিয়াস উদ্দিন বলেন, কর্তৃপক্ষের নির্দেশ মেনেই আমি আমার দায়িত্ব পালন করছি। কেউ হয়তো আমার বিষয়ে মনগড়া অভিযোগ করেছে। অভিযোগের বিষয়ে প্রধান সহকারী নাজমা বেগম জানান, একটি মহল আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা এবং কাল্পনিক অভিযোগ করেছে। অভিযোগ সম্পর্কে অধ্যক্ষের পিএ মোঃ রফিকুল ইসলাম বলেন, কর্তৃপক্ষ আমাকে যে দায়িত্ব দিয়েছেন আমি নিষ্ঠার সাথে পালন করছি। অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ মিথ্যা। অভিযোগের বিষয়ে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. চিত্ত রঞ্জন দেবনাথ জানান, আমি নতুন এসেছি। বিষয়গুলো আমার জানা নেই। অভিযোগ প্রমাণিত হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মামা-ভাগ্নী সিন্ডিকেটের দুর্নীতি সম্পর্কে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) ডা. মোঃ বেলাল হোসেন দৈনিক জাগ্রত বাংলা’কে বলেন, স্বাস্থ্য বিভাগকে প্রশ্নবিদ্দ করলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। অভিযোগের সত্যতা পেলে জড়িতদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


  • সর্বশেষ - জাতীয়