, ১২ আশ্বিন ১৪২৮ অনলাইন সংস্করণ

অসাম্প্রদায়িক সমাজ বিনির্মাণে পান্না কায়সারের অবদান অপরিসীম

  নিজস্ব প্রতিবেদক

  প্রকাশ : 

অসাম্প্রদায়িক সমাজ বিনির্মাণে পান্না কায়সারের অবদান অপরিসীম

মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বিকাশ, অসাম্প্রদায়িক সমাজ বিনির্মাণে শহীদ জায়া অধ্যাপক পান্না কায়সারের অবদান অপরিসীম। তিনি ‘মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় নতুন প্রজন্ম গড়ে তোল’ খেলাঘরের মাধ্যমে এই শ্লোগান সারাদেশের শিশু কিশোর থেকে শুরু করে সকলের মধ্যে ছড়িয়ে দিয়েছেন। যুদ্ধাপরাধীদের বিচারেও সাহসী ভ‚মিকা পালন করেছেন তিনি।

দেশের বিভিন্ন এলাকায় তরুণ প্রজন্মের সামনে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবিতে বক্তব্য দিয়ে উজ্জীবিত করেছেন। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হত্যাকাণ্ডের বিচারের দাবিতে সোচ্চার থেকেছেন শহীদ শহিদুল্লাহ কায়সারের স্ত্রী পান্না কায়সার। শত বাধা আর ভীতি উপেক্ষা করে নীতির প্রশ্নে আপোসহীন থেকে, এখনও বাংলাদেশকে এগিয়ে নেয়ার স্বপ্ন দেখেন তিনি।

সমাজ ও দেশের জন্য নিজেকে সব সময় নিয়োজিত রেখেছেন পান্না কায়সার। যুদ্ধপরাধীদের বিচারের দাবিতে শহীদ জননী জাহানারা ইমামের গন আদালতেও কাজ করেছেন তিনি। দেশের সকল শুভ উদ্যোগের সঙ্গে যুক্ত থেকে তিনি শুধু নিজেকেই আলোকিত করেননি, সমাজকেও আলোকিত করেছেন। অন্যের জন্য হয়েছেন অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত

শুক্রবার জাতীয় শিশু কিশোর সংগঠন কেন্দ্রীয় খেলাঘরের সভাপতিমণ্ডলীর চেয়ারম্যান অধ্যাপক পান্না কায়সারের ৭১তম জন্মদিন উপলক্ষে এক অনলাইন আলোচনার আয়োজন করা হয় খেলাঘরের পক্ষ থেকে। এতে অংশ নিয়ে দেশের বিশিষ্টজনরা পান্না কায়সার সম্পর্কে এসব কথা বলেন।

খেলাঘরের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য অধ্যাপক নিরঞ্জন অধিকারীর সভাপতিত্বে আলোচনায় অংশ নেন, বিশিষ্ট অর্থনীতিবীদ অধ্যাপক হারাধন গাঙ্গুলী, আগামী প্রকাশনীর প্রকাশক ওসমান গনী, ছড়াকার আখতার হুসেন, খেলাঘরের সাবেক সাধারণ সম্পাদক কামাল চৌধুরী, সংগঠক আবদুল আজিজ, তাহমিনা সুলতানা সাথী, অমল নাথ, সাধারণ সম্পাদক প্রণয় সাহা প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে নিজের অভিব্যক্তি প্রকাশ করতে গিয়ে পান্না কায়সার বলেন, খেলাঘর সকলের শক্তি। বাংলাদেশের শক্তি। সামনের দিনগুলোতে আওয়ামী লীগের বড় শক্তি হয়ে খেলাঘর আগের মতোই পাশে থাকবে। তিনি বলেন, শিশু কিশোরদের মধ্যে অসাম্প্রদায়িক চেতনার বিস্তৃতি আরো বেশি ঘটানো জরুরি। এজন্য পরিবার থেকে শুরু করে সমাজের সকলের করণীয় আছে। আমরা মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সমৃদ্ধ একটি বিজ্ঞান মনষ্ক সমাজ প্রতিষ্ঠা করতে চাই। স্বপ্ন দেখি অসাম্প্রদায়িক, ক্ষুধা ও দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার।

বক্তারা বলেন, সমাজ ও দেশের জন্য নিজেকে সব সময় নিয়োজিত রেখেছেন পান্না কায়সার। যুদ্ধপরাধীদের বিচারের দাবিতে শহীদ জননী জাহানারা ইমামের গন আদালতেও কাজ করেছেন তিনি। দেশের সকল শুভ উদ্যোগের সঙ্গে যুক্ত থেকে তিনি শুধু নিজেকেই আলোকিত করেননি, সমাজকেও আলোকিত করেছেন। অন্যের জন্য হয়েছেন অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত।

  • সর্বশেষ - সাহিত্য