ময়মনসিংহ, , ২০ চৈত্র ১৪২৬ অনলাইন সংস্করণ

আইসোলেশনে ইভানকা, আতঙ্কে ট্রাম্প

  অনলাইন ডেস্ক

  প্রকাশ : 

আইসোলেশনে ইভানকা, আতঙ্কে ট্রাম্প
ইভানকা ও তার বাবা ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: সংগৃহীত

রোনা ভাইরাস আতঙ্কে আইসোলেশনে গিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্পের কন্যা ইভানকা ট্রাম্প।

বাড়ি থেকেই যাবতীয় কাজ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্টের এই উপদেষ্টা।

হোয়াইট হাউসের মেডিকেল ইউনিট বলছে, ইভানকার এখনো করোনা ভাইরাসের লক্ষণ দেখা দেয়নি। তারপরেও তিনি নিরাপত্তার স্বার্থে স্বেচ্ছায় আইসোলেশনে গিয়েছেন।

সম্প্রতি ওয়াশিংটনে একটি অনুষ্ঠানে ইভানকার সঙ্গে দেখা হয় অস্ট্রেলিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পিটার ডাটনের। যুক্তরাষ্ট্র সফর শেষে দেশে ফিরে অসুস্থ হয়ে পড়েন ডাটন। পরীক্ষার পর জানা যায় তিনি করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। তাতেই উদ্বেগ বেড়ে যায় ইভানকার। তাই নিরাপত্তার স্বার্থে বাড়িতে থাকার সিদ্ধান্ত নেন ট্রাম্পকন্যা।

এদিকে কয়েকদিন আগে ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছিলেন তার করোনা ভাইরাস পরীক্ষা করার দরকার নেই। কিন্তু এবার তিনি পরীক্ষা করাতে চাইছেন।

হোয়াইট হাউসের ‘রোজ গার্ডেনে’ সাংবাদিকদের ট্রাম্প বলেন, এখন পর্যন্ত করোনার উপসর্গ দেখা দেয়নি তার। তবে খুব শিগগিরই ডাক্তারি পরীক্ষা করাবেন তিনি।

হোয়াইট হাউস সূত্রে জানা গিয়েছে, গত সপ্তাহে ফ্লোরিডায় ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট জাইর বলসোনারো, তার প্রেস সচিব ফ্যাবিও ওয়াজনগার্টেন এবং সে দেশের রাষ্ট্রদূত নেস্টর ফোরস্টারের সঙ্গে নৈশভোজে অংশ নেন ট্রাম্প। দেশে ফিরে অসুস্থ হয়ে পড়েন ফ্যাবিও। তার শরীরে করোনা ভাইরাস ধরা পড়ে। এরপর নেস্টরের শরীরেও সংক্রমণ ধরা পড়ে। তাতেই না কি ভয় পেয়ে যান ডোনাল্ড ট্রাম্প।

এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের ম্যারিল্যান্ড অঙ্গরাজ্যে একটি সম্মেলনে অংশ নেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। সেই সম্মেলনেই ছিলেন এক করোনা রোগী। তার সংস্পর্শে এসেছিলেন মার্কিন কংগ্রেসের দুই রিপাবলিকান সদস্য।

এরপর তারা নিজেরাই কোয়ারেন্টাইনে থাকবেন বলে ঠিক করেন। কিন্তু আশঙ্কার কথা, ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠক করেছেন এবং হাত মিলিয়েছেন কোয়ারেন্টাইনে থাকা এই দুই রিপাবলিকান নেতা। তারা হলেন- ডগ কলিন্স ও ম্যাট গেইটজ।

শুধু তাই নয়, সবশেষ করোনা ভাইরাসের কারণে যুক্তরাষ্ট্রে জরুরি অবস্থা জারি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। সেইসঙ্গে করোনা মোকাবিলায় ৫০ বিলিয়ন ডলার সহায়তা তহবিলের ঘোষণা দেন তিনি।

করোনায় যুক্তরাষ্ট্রে এখন পর্যন্ত দুই হাজার ৪৫ জন আক্রান্ত হয়েছেন। মারা গেছেন ৪১ জন। দেশটির ৩৫টির বেশি রাজ্যে ছড়িয়ে পড়েছে এই ভাইরাস।

ইতোমধ্যে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) কোভিড-১৯ এর বিস্তারকে বৈশ্বিক মহামারী ঘোষণা করেছে। সূত্র: সিএনএন, নাইননিউজ

  • সর্বশেষ - আন্তর্জাতিক