, ১৩ ফাল্গুন ১৪৩০ অনলাইন সংস্করণ

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে তুরস্কের সহযোগিতা কামনা

  নিজস্ব প্রতিবেদক

  প্রকাশ : 

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে তুরস্কের সহযোগিতা কামনা

রোহিঙ্গাদের শান্তিপূর্ণ প্রত্যাবাসনে তুরস্কের অব্যাহত সহযোগিতা কামনা করেছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী।

তিনি বলেছেন, তুরস্কের সাথে বাংলাদেশের সম্পর্ক অত্যন্ত সুদৃঢ়। দুই দেশের মধ্যে সংসদীয় সম্পর্কের অধিকতর উন্নয়নের মাধ্যমে ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার ও বিনিয়োগ বৃদ্ধি জরুরি।

সোমবার (১৬ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় সংসদ ভবনে স্পিকারের কার্যালয়ে বিদায়ী সাক্ষাৎ করতে আসেন বাংলাদেশে নিযুক্ত তুরস্কের রাষ্ট্রদূত মুস্তাফা ওসমান তুরান। এ সময় এসব কথা বলেন স্পিকার। এ সময় তারা বাংলাদেশের অভূতপূর্ব অগ্রগতি, সংসদীয় সম্পর্কের উন্নয়ন, রোহিঙ্গাদের শান্তিপূর্ণ প্রত্যাবাসন, ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার এবং বিনিয়োগ প্রভৃতি বিষয়ে আলোচনা করেন।

সাক্ষাৎকালে স্পিকার বলেন, করোনা ও রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে অনেক দেশের অর্থনীতি হিমশিম খেলেও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নিরলস প্রচেষ্টায় বাংলাদেশের অর্থনীতির চাকা সচল আছে। এ দেশের মানুষের জীবনমানের সুরক্ষা নিশ্চিত করেছে বর্তমান সরকার। রোহিঙ্গাদের জন্মভূমিতে ফিরে যাওয়ার অধিকার রক্ষার্থে ও বাংলাদেশের পরিবেশগত দিক বিবেচনায় তাদের মিয়ানমারে শান্তিপূর্ণ প্রত্যাবাসন জরুরি।

এ সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের অভূতপূর্ব উন্নয়নের প্রশংসা করে রাষ্ট্রদূত মুস্তাফা ওসমান তুরান। তিনি বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসারে তুরস্কের সরকার বরাবরই আগ্রহী। তুরস্ক সরকার মেধাবৃত্তির পরিমাণ বৃদ্ধিসহ আরও কিছু যুগোপযোগী উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের শান্তিপূর্ণ প্রত্যাবাসনে তুরস্ক সরকার আন্তর্জাতিক ফোরামে সোচ্চার। এ বিষয়ে প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।

ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলায় তুরস্কের স্টল অত্যন্ত আকর্ষণীয় বলে উল্লেখ করেন স্পিকার। তিনি বিদায়ী রাষ্ট্রদূতের ভবিষ্যৎ অধিকতর সফলতা কামনা করেন। দুই দেশের সংসদীয় সম্পর্কের উন্নয়নে তুরস্কের সংসদীয় প্রতিনিধিদল ফেব্রুয়ারি মাসে বাংলাদেশ সফর করবে বলে স্পিকারকে অবহিত করেন রাষ্ট্রদূত।

  • সর্বশেষ - আলোচিত খবর