, ৯ বৈশাখ ১৪৩১ অনলাইন সংস্করণ

৯০ টাকা কেজিতে মিলছে পিঁয়াজ

  নিজস্ব প্রতিবেদক

  প্রকাশ : 

৯০ টাকা কেজিতে মিলছে পিঁয়াজ

অভ্যন্তরীণ বাজারে পিঁয়াজের সংকট দেখিয়ে ভারত বাংলাদেশে পিঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করে দেয়। এরপর সারা দেশের ন্যায়ে দিনাজপুরের হিলিতে অস্থিতিশীল হয়ে উঠে পিঁয়াজের বাজার। তবে দেশীয় নতুন পিঁয়াজ উঠতে শুরু করায় ও সরবরাহ বাড়ায় দাম কমতে শুরু করেছে। পাইকারী দেশি মুড়িকাটা পিঁয়াজ ৮৫ থেকে ৮৮ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। আর সেই পিঁয়াজ খুচরা বাজারে ৯০ থেকে ১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

হিলি বাজারে পাইকারী ও খুচরা বিক্রেতারা বলেন, গত কয়েক সপ্তাহের তুলনায় দেশি পিঁয়াজ আমদানি বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই দাম কমে আসছে। আমরা কয়েক সপ্তাহ আগে দেশি মুড়িকাটা পিঁয়াজ ৭৫ থেকে ৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করেছি। আর সেই পিঁয়াজ পাইকারি ৮৫ থেকে ৮৮ টাকা আর খুচরা ৯০ থেকে ১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রয় করছি। আমরা কমে দামে কিনতে পারলে কম দামে বিক্রি করে থাকি। তবে কয়েক দিন আগে ভারত থেকে পিঁয়াজ আমদানির খবরে ৭৫ থেকে ৮০ টাকায় দেশি পেঁয়াজ বিক্রি করছি।

এদিকে ভারত সরকার পিঁয়াজ রপ্তানির বন্ধের ১২ দিন পর পূর্বের পুরনো এলসির টেন্ডার করা ৪৮ মেট্রিকটন পিঁয়াজগত মঙ্গলবার (১৯ ডিসেম্বর) হিলি স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি করা হয়। হিলি স্থলবন্দরের রায়হান ট্রেড নামের একটি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান পিঁয়াজগুলো আমদানি করেন।

কিন্তু ঘোষণা পত্রে ২৯ মেট্রিকটন পিঁয়াজ আমদানির পরিমাণ উল্লেখ করা হয়। এতে অন্তত ১ লাখ ৮১ হাজার টাকা শুল্ক ফাঁকির চেষ্টা করেন ওই আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান। গত শনিবার (২৩ ডিসেম্বর) হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ভারতীয় তিনটি ট্রাকে পিঁয়াজ আমদানি হয়েছে। হিলি বাজারে খুচরা ব্যবসায়ীরা জানান, ভারত থেকে পিঁয়াজ আমদানি হলেও এখন হিলি বাজারেই পাওয়া যায় না। আমদানিকারকরা বেশি লাভের আশায় তাদের নিজ খরচে দেশের বিভিন্ন স্থানে পেঁয়াজগুলো পাঠান।

  • সর্বশেষ - অর্থ-বাণিজ্য