, ১২ বৈশাখ ১৪৩১ অনলাইন সংস্করণ

ময়মনসিংহ নগরীতে ডেঙ্গু ও মশক নিধনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন মেয়র টিটু

  শাহ মোহাম্মদ রনি

  প্রকাশ : 

ময়মনসিংহ নগরীতে ডেঙ্গু ও মশক নিধনে  গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন মেয়র টিটু

ময়মনসিংহ নগরীতে দৃশ্যমান ব্যাপক উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি ডেঙ্গু সংক্রমণ প্রতিরোধ ও মশক নিধনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন মেয়র মোঃ ইকরামুল হক টিটু। মশার প্রজননক্ষেত্র চিহ্নিত করে বিশেষ ক্র্যাশ প্রোগ্রাম চালাচ্ছে সিটি কর্পোরেশন। এডিস মশার প্রজনন ও বিস্তার রোধে পর্যায়ক্রমে নগরীর ৩টি জোনের ৩৩ ওয়ার্ডে চলছে এ কার্যক্রম। নাগরিকদের সুরক্ষা দিতে মেয়র টিটু’র কঠোর নির্দেশনা বাস্তবায়নে চৌকস কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ক্র্যাশ প্রোগ্রামে সম্পৃক্ত করা হয়েছে। ডেঙ্গু সংক্রমণ প্রতিরোধে বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করায় ময়মনসিংহ নগরীতে আক্রান্তের সংখ্যা শুন্যের কোটায় থাকার কথা জনিয়েছেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। তারা সঠিকভাবে ক্র্যাশ প্রোগ্রাম পরিচালনা করার পরামর্শ দিয়েছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, ডেঙ্গু সংক্রমণ প্রতিরোধে আগাম ব্যবস্থা নেওয়ার কারণে এবারও হুমকির হাত থেকে রক্ষা পাচ্ছেন নগরবাসী। অন্যদিকে ডেঙ্গু প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ায় নগরবাসী স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছেন। নগরবাসীকে সচেতন করতে বিতরণ করা হয় প্রচারপত্র। দিনব্যাপী মাইকিং করা হয় প্রতিটি ওয়ার্ডে। নাগরিকদের মতে, এটি ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের আরেকটি বিশেষ অবদান।

ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ও মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি মোঃ ইকরামুল হক টিটু যেকোনো মূল্যে নাগরিক সেবা নিশ্চিত করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। তিনি বলেন, দূর্যোগ মোকাবিলা করে নাগরিকদের নিরাপদ রাখা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ডেঙ্গু সংক্রমণ প্রতিরোধ ও মশক নিধন সম্পর্কে মেয়র টিটু বলেন, যেকোনো দূর্যোগে নাগরিকদের সুরক্ষা দিতে আমরা বদ্ধপরিকর। বর্তমান সময়ে এডিস মশার কামড়ে ডেঙ্গু জ্বরের প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়। আমাদের আশে-পাশে জমে থাকা পানিতে এডিস মশা বংশ বিস্তার করে। তিনি বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা নিয়ে ক্র্যাশ প্রোগ্রাম চালানোর কারণে ময়মনসিংহ নগরীতে কখনও ডেঙ্গু জ্বরের প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়নি। ডেঙ্গু প্রতিরোধে ক্র্যাশ প্রোগ্রাম ও মশক নিধন কার্যক্রম এবং সকলের সচেতনতায় এবারও আমরা ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব থেকে মুক্ত রয়েছি।


সূত্র জানায়, মেয়র মোঃ ইকরামুল হক টিটু নাগরিক সুরক্ষার জন্য এবারও ডেঙ্গু সংক্রমণ প্রতিরোধ ও মশক নিধনে ক্র্যাশ প্রোগ্রাম চালানোর পরিকল্পনা নেন। এডিস মশার প্রজনন ও বিস্তার রোধে সংশ্লিষ্টদের কঠোর নির্দেশনা দেন। প্যানেল মেয়র, কর্মকর্তা ও কাউন্সিলরদের মনিটরিংয়ের পাশাপাশি মেয়র নিজেও প্রতিদিনের কার্যক্রম মনিটরিং করেন। সূত্র মতে, অর্ধশত মশক নিধনকর্মী পর্যায়ক্রমে ৩৩ ওয়ার্ডের দেড় শতাধিক হটস্পটে ফগার মেশিন দিয়ে লার্ভিসাইড ও এডাল্টিসাইড ছিটাচ্ছেন। মশক নিধন কার্যক্রমের দায়িত্বপ্রাপ্ত খাদ্য ও স্যানিটেশন কর্মকর্তা দীপক মজুমদার বৃহস্পতিবার দৈনিক জাগ্রত বাংলা’কে জানান, মেয়র মহোদয়ের কঠোর নির্দেশনায় ডেঙ্গু সংক্রমণ প্রতিরোধ ও মশক নিধনে নগরীতে বিশেষ ক্র্যাশ প্রোগ্রাম চালানো হচ্ছে। নাগরিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে আমরা গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছি। কর্মকর্তা এবং ওয়ার্ড কাউন্সিলররা কার্যক্রম তদারকি করছেন। মসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ ইউসুফ আলী বলেন, যেকোনো স্থানে ৩ দিনের বেশি জমে থাকা পানিতে এডিস মশার বিস্তার বাড়ে। ডেঙ্গু বিস্তার রোধে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে। এডিস মশার লার্ভা জমিয়ে না রাখার বিষয়ে প্রচার-প্রচারণা চালানো হচ্ছে। এর পরও নির্মাণাধীন কোনো ভবন অথবা প্রতিষ্ঠানের জমা পানিতে এডিস মশার লার্ভা পাওয়া গেলে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

এর আগে করোনা ভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে নাগরিকদের জন্য কাজ করে ময়মনসিংহ বিভাগসহ দেশের মানুষের হৃদয়ে ঠাঁই করে নিয়েছেন মেয়র মোঃ ইকরামুল হক টিটু। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ অনুযায়ী অসহায় ও দরিদ্র পরিবারের মধ্যে খাদ্যপণ্য বিতরণ এবং সচেতনতার জন্য অক্লান্ত শ্রম দিয়েছেন জননন্দিত এই মেয়র। জীবন বিপন্ন হতে পারে জেনেও মানুষের জন্য কাজ করে যাওয়ার বিষয়টিকে মহানুভবতার সর্বোচ্চ স্বীকৃতি দিয়েছেন ময়মনসিংহবাসী। এটি মেয়র টিটু’র প্রতি মানুষের অকৃত্রিম ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ। শেষে তিনি নিজেই করোনা আক্রান্ত হন। বিশ্লেষকদের মতে, মেয়র মোঃ ইকরামুল হক টিটু গত ১৫ বছরে দৃশ্যমান ব্যাপক উন্নয়ন কর্মকাণ্ড বাস্তবায়ন করে নগরীর লাখ লাখ মানুষকে আন্দোলিত করেছেন। তিনি বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করেছেন।

  • সর্বশেষ - মহানগর