, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ অনলাইন সংস্করণ

আম উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ২৫ হাজার টন

  নিজস্ব প্রতিবেদক

  প্রকাশ : 

আম উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ২৫ হাজার টন

সাতক্ষীরার যেদিকে চোখ যায় দেখা যায়, বাগানের গাছে থোকায় থোকায় ফুটে আছে আমের মুকুল। আমবাগান, রাস্তা-ঘাট, বাড়ির আঙিনায় লাগানো গাছ, সর্বত্র আমের মুকুলের ম-ম গন্ধ। অনেক গাছে আমের গুটিও আসতে শুরু করেছে। বৃষ্টিতে মুকুলের একটু ক্ষতি হলেও মাটিতে রস থাকায় কৃষকরা এবারও এ জেলায় আমের বাম্পার ফলন হওয়ার আশা করছে।

আবহাওয়া ও মাটির গুণগত কারণে অন্য জেলার তুলনায় একটু আগে ভাগেই সাতক্ষীরার আম পাকে ও বাজারে ওঠে। গুণে মানে স্বাদে সেরা হওয়ায় সাতক্ষীরার আম দেশ ছাড়িয়ে বিদেশেও রপ্তানি হচ্ছে কয়েক বছর ধরে। সাতক্ষীরা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর সূত্রে জানা যায়, সদর উপজেলায় চলতি মৌসুমে ১ হাজার ২৪৫ হেক্টর জমিতে আম চাষ করা হয়েছে। এখানে উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ২৫ হাজার টন। আম রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা ৪০০ টন।

সংশ্লিষ্টরা জানান, আমের উৎপাদন মূলত আবহাওয়ার ওপর নির্ভর করে। চলতি মৌসুমে আবহাওয়া অনুকূলে না থাকায়, গাছে আমের মুকুল আসতে কিছুটা দেরি হয়েছে। সাতক্ষীরা সদর উপজেলা থেকে গত বছর ১৮০ টন আম রপ্তানি হয়। সাতক্ষীরার পাটকেলঘাটার ত্রিশমাইলের আমচাষি সিরাজুল ইসলাম জানান, তিনি ৩০ শতক জমিতে বাণিজ্যিকভাবে আমবাগান করেছেন। সেখানে আমগাছ মুকুলে ভরে গেছে। বৃষ্টিতে একটু ক্ষতি হলেও গাছের গোড়ায় রস থাকায় আমের গুটি দাঁড়াতে শুরু করেছে। মুকুল ও গুটি দেখে আম আগাম ৩০ হাজার টাকা তিনি ব্যাপারীদের কাছে বিক্রি করেছেন।

সাতক্ষীরা সদরের আমচাষি আবদুল জলিল জানান, ‘আমার বাগানে সব হিমসাগর আমগাছ। গত বছর আমি মণপ্রতি ২২০০ টাকা আম বিক্রি করেছিলাম। তবে এবার উপকরণের দাম অনেক বেড়ে গেছে, যা নিয়ে আমি চিন্তিত।’ সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মনির হোসেন বলেন, আগাম বৃষ্টির জন্য আমের কিছুটা ক্ষতি হয়েছে। প্রতিটা বাগান মালিককে আমরা প্রশিক্ষণ দিয়েছি। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে চলতি মৌসুমে আমরা ৪০০ টন আম বিদেশে রপ্তানি করতে পারব।

  • সর্বশেষ - সারাদেশ