ময়মনসিংহ, , ২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৮ অনলাইন সংস্করণ

সমুদ্র সৈকতে কেবলই ঢেউয়ের গর্জন

  নিজস্ব প্রতিবেদক

  প্রকাশ : 

সমুদ্র সৈকতে কেবলই ঢেউয়ের গর্জন

এখন সমুদ্র তীরে নেই কোনো কোলাহল, কেবলই শোনা যায় ঢেউয়ের গর্জন। চারদিকে সুনশান নিরবতা। মাঝে মাঝে সমুদ্রের ঢেউয়ে গা ভাসাচ্ছে কুকুরের দল। তাদের মধ্যেও ছিল না কোনও সাড়া শব্দ। বালিয়াড়িতে অবস্থান নিয়েছে দু’টি গরুর দল; যেখানে রয়েছে ১৫টির বেশি গরু। তবে দেখা যায়নি কোনও রাখালকে। আজ শুক্রবার (০২ এপ্রিল) করোনার সংক্রমণ বাড়ায় বন্ধ করে দেয়া বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকতে দেখা মেলে এমনই দৃশ্যের।


সাপ্তাহিক ছুটির দিনে সমুদ্র সৈকতের লাবণী থেকে কলাতলী পয়েন্ট পর্যন্ত যেখানে লাখো পর্যটকের সমাগম ঘটে সেখানে শুক্রবার ফাঁকা ছিল পুরো সৈকত। ছিল না ফটোগ্রাফার, বিচ বাইক চালক, জেড স্কি চালক, কিটকট ব্যবসায়ী বা হকারদের দৌরাত্ম্য। পাশাপাশি বন্ধ রয়েছে সৈকতের লাবণী, সুগন্ধা ও কলাতলী পয়েন্টের সহস্রাধিক দোকানপাটও।


সাপ্তাহিক ছুটির দিন হওয়ায় সাগরের স্বচ্ছ পানির টানে অনেক পর্যটক ছুটে আসেন এই সৈকতে। কিন্তু করোনার সংক্রমণ বাড়ায় প্রতিটি প্রবেশদ্বারে ট্যুরিস্ট পুলিশের কড়া পাহারা। সৈকতে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না কাউকে। ট্যুরিস্ট পুলিশের বাধার মুখে হতাশা নিয়েই অনেক পর্যটককে ফিরতে হচ্ছে প্রবেশদ্বার থেকে। তাদের মতে, সৈকত বন্ধের ঘোষণা আগে দিলে এই সমস্যায় পড়তে হত না।


আলী নামে এক পর্যটক তার ১০ বছরের ছেলেকে নিয়ে প্রবেশ করতে চেয়েছিলেন সৈকতের বিচ মার্কেট দিয়ে। কিন্তু ট্যুরিস্ট পুলিশের বাধার মুখে প্রবেশ করতে পারলেন না সৈকতে। আলী বলেন, কাজের সূত্রে পরিবার নিয়ে কক্সবাজার এসেছিলাম। সকালে ছেলেকে নিয়ে সৈকত দেখতে এসে বিপাকে পড়লাম। তবে দূর থেকে সৈকত দেখে চলে যেতে হচ্ছে।

 

ঢাকার মোহাম্মদপুর শেখেরটেক থেকে কক্সবাজার ভ্রমণে আসা খুকি নামে এক নারী পর্যটক বলেন, আগে থেকে কক্সবাজার সৈকত বন্ধ ঘোষণা করলে এই বিপদে পড়তে হত না। এত কষ্ট করে প্রস্তুতি নিয়ে কক্সবাজার ভ্রমণে এসেছি; আমাদের মতো মধ্যবিত্ত পরিবারের তো বার বার কক্সবাজার আসা সম্ভব না। এত অনুরোধ করার পরও সমুদ্রে পা ভেজানোর জন্য নামতে দিল না পুলিশ।


রিদুয়ান নামে আরেক পর্যটক বলেন, যদি কক্সবাজারগামী বাসগুলো বন্ধ থাকতো তাহলে কোনো সমস্যা হত না। এখন গাড়ি চলাচল করছে; আর কক্সবাজার এসে সৈকতে প্রবেশ করতে পারছি না। এখন মহাবিপদে পড়ে গেলাম কক্সবাজার বেড়াতে এসে।


এদিকে, কক্সবাজারে রয়েছে সাড়ে ৪ শতাধিক হোটেল, মোটেল, রিসোর্ট ও কটেজ। এগুলো খোলা থাকলে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ৫০ শতাংশ রুম চালু রাখার নির্দেশ দিয়েছে প্রশাসন। তবে পর্যটন স্পট বন্ধের ঘোষণায় পর্যটকরা কক্সবাজার ছাড়ছেন।


হোটেল প্রসাদ-প্যারাডাইসের ম্যানেজার আরিফ বলেন, করোনার পরিস্থিতিতে প্রশাসন ৫০ শতাংশ রুম ভাড়া দেয়ার কথা বলেছে। কিন্তু এখন সৈকত যেহেতু বন্ধ; পর্যটকরা তো কক্সবাজার ছাড়ছে। ফলে হোটেলে ৫০ শতাংশ না, পুরো হোটেলেই ফাঁকা হয়ে যাচ্ছে।


নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক তারকামান হোটেলের এক ম্যানেজার বলেন, করোনার কারণে সবকিছু মেনে নিতে হবে। বৃহস্পতিবার অর্ধ-

  • সর্বশেষ - সারাদেশ