, ৫ আষাঢ় ১৪২৮ অনলাইন সংস্করণ

ফার্গুসন-স্মৃতি ফিরিয়ে রোমাকে উড়িয়ে দিল ইউনাইটেড

  স্পোর্টস ডেস্ক

  প্রকাশ : 

ফার্গুসন-স্মৃতি ফিরিয়ে রোমাকে উড়িয়ে দিল ইউনাইটেড
জোড়া গোল করেছেন, করিয়েছেন। ইউনাইটেডের দারুণ জয়ের প্রধান কুশীলব এডিনসন কাভানি। এক গোল করে পগবাও অবদান রেখেছেন দলের জয়ে/ দ্য সান

এক রোমার বিপক্ষে ইউরোপার সেমিফাইনাল স্যার অ্যালেক্স ফার্গুসনের কত শত স্মৃতি ফিরিয়ে আনল ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে! ব্রুনো ফের্নান্দেজরা ৬-২ গোলে জিতলেন, তবে এর পাঁচটা গোলই এসেছে দ্বিতীয়ার্ধে।


সেই সময়ের ওল্ড ট্র্যাফোর্ড আর এই ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে অনেক তফাত। সেখানে কান পাতলেই শোনা যেত দর্শকের গর্জন, মাঠ দাপিয়ে বেড়াতেন ওয়েইন রুনি, ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোরা। তাদের কল্যাণেই তো, এই থিয়েটার অফ ড্রিমসেই রোমাকে ২০০৭ চ্যাম্পিয়ন্স লিগে উড়িয়ে দিয়েছিল ৭-১ গোলে। সে স্মৃতি ফিরিয়েই বৃহস্পতিবার রাতে ইউনাইটেড জিতল ৬-২ গোলে।


ফার্গির যুগে ইউনাইটেডের আরেকটা ট্রেডমার্ক হয়ে বসেছিল পিছিয়ে পড়েও ম্যাচ জেতা। সে ছাপও ছিল এদিন। শুরুতে অবশ্য এগিয়ে গিয়েছিল কোচ ওলে গুনার সোলশায়ারের শিষ্যরাই। ৯ মিনিটে এডিনসন কাভানির দারুণ এক পাস থেকে ব্রুনো ফের্নান্দেজের গোলে দিয়ে শুরু। এরপর লরেঞ্জো পেল্লেগ্রিনির গোলে সমতা ফেরায় রোমা। ৩৩ মিনিটে এডিন জেকোর গোলে এগিয়েই যায় সফরকারীরা।


২-১ গোলে পিছিয়ে বিরতিতে যায় ইউনাইটেড। তবে ফিরে এসেই যেন অন্য এক রূপ নেয় ‘লাল শয়তানরা’। শুরুটা হয় কাভানির হাত ধরে। দারুণ এক গোলে স্কোরলাইনটা ২-২ করেন তিনি। এরপর তিনিই একটা পেনাল্টি আদায় করে দেন দলকে, সেখান থেকে গোল করে স্বাগতিকদের এগিয়ে দেন ব্রুনো। এরপর সহজ এক ট্যাপ ইনে ব্যক্তিগত দ্বিতীয় গোলের দেখা পান কাভানি। এরপর ফ্রি কিক থেকে হেডারে গোল করেন পল পগবা, এরপর কাভানির পাস থেকেই ম্যাসন গ্রিনউড করেন দলের সর্বশেষ গোলটি। 


প্রথম লেগে এমন জয়ের পর ইউরোপার ফাইনাল অনেকটাই নিশ্চিত ইউনাইটেডের। তবে দৈব দুর্বিপাক ঘটলে সেটা নাও হতে পারে। সে ‘দৈব দুর্বিপাক’ ঘটাতে হলেও ফিরতি লেগে রোমাকে করতে হবে চার গোল, ফলে ২০১৭ সালের পর আরও একবার ইউরোপার ফাইনালে ইউনাইটেডকে দেখার সম্ভাবনা অনেকটাই উজ্জ্বল।


তবে অন্য সেমিফাইনালের সব হিসেব নিকেশ অবশ্য অতটা পরিষ্কার হয়ে যায়নি। ভিয়ারিয়ালের বিপক্ষে আর্সেনাল শুরুতে পিছিয়ে পড়ে দুই গোলে। গোলদুটো আসে ত্রিগেরোস মুনোজ আর রাউল অ্যালবিওলের পা থেকে। এরপর নিকলাস পেপের পেনাল্টি থেকে ব্যবধান কমায় কোচ মিকেল আর্তেতার শিষ্যরা। 


প্রতিপক্ষের মাঠে হারলেও নিয়ে আসা একটা অ্যাওয়ে গোল আর্সেনালকে দারুণভাবেই রেখেছে প্রতিযোগিতায়। পরের ম্যাচে ১-০ কিংবা তার চেয়ে বেশি ব্যবধানের জয় পেলেই ফাইনালে চলে যাবে দলটি। ওপাশ থেকে যদি ইউনাইটেডও উঠে আসে তাহলে ইতিহাসে মাত্র তৃতীয়বারে মতো অল ইংলিশ ফাইনাল দেখবে ইউরোপা।

  • সর্বশেষ - খেলাধুলা