, ১৯ শ্রাবণ ১৪২৮ অনলাইন সংস্করণ

পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলছে না

  নিজস্ব প্রতিবেদক

  প্রকাশ : 

পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলছে না

করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত এ মুহূর্তে কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার সম্ভাবনা নেই বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। 

তিনি বলেন, বিশ্বব্যাপী করোনার তৃতীয় ঢেউ চলছে। কোথাও কোথাও আবার বাজে অবস্থা। আমাদের প্রতিবেশী দেশগুলোর অবস্থা আরও খারাপ। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা সংক্রমণের হার আবারও ১৫ শতাংশের কাছাকাছি চলে গেছে।

মঙ্গলবার (১৫ জুন) কেরানীগঞ্জের কোন্ডা ইউনিয়নের জাজিরা মোহাম্মদীয়া ইসলামী মাদরাসায় শিক্ষা অধিদফতরের বৃক্ষরোপন কর্মসূচি ও মাদরাসা পরিদর্শনকালে একথা বলেন তিনি। 

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার বিষয়ে সুনির্দিষ্ট সময় জানতে চাইলে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘কী করে বলবো বলেন। আমাদের কারো পক্ষে বলা সম্ভব না। আমরা আশা করেছিলাম, মার্চ মাসে খুলে দেবো। প্রতিদিন সিনারিও চেঞ্জ হচ্ছে। লকডাউন মানলে সংক্রমণ কমবে। আমরা তো মানিছি না, আর মানছি না বলেই বার বার খারাপের দিকে যাচ্ছে।’

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, একই সঙ্গে আমরা যদি দেখি অনেক জেলা এখনও করোনার ঝুঁকিতে রয়েছে। কোনো কোনো জেলা গত এক বছরে সংক্রমণের দিক থেকে সর্বোচ্চ পর্যায়ে। এ পরিস্থিতিতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো কি এই মুহূর্তে খোলা সম্ভব।

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ রয়েছে জানিয়ে দীপু মনি বলেন, শিক্ষার্থীদের অনেক কষ্ট হচ্ছে। আমাদের অভিভাবকদের কষ্ট হচ্ছে। শিক্ষা জীবনের অনেক ব্যত্যয় ঘটছে। অনেকে অনেক সমস্যায় পড়ছেন। প্রত্যেকটি শিক্ষার্থী আমাদের সন্তানের মতো। তাদের জন্য সর্বাধিক যেটা ভালো তাই করার আমরা চেষ্টা করছি। 

অভিভাবকেদর প্রতি আহ্বান জানিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ভয়ংকর ভিডিও গেমস রয়েছে, মাদক সন্ত্রাস, কিশোর গ্যাং রয়েছে; বাবা-মায়েরা দেখবেন, এগুলোর সঙ্গে কিশোরা যেন না জড়ায়। বাবা-মা সব সময় দেখেন। এই সময় যেন একটু বেশি গুরুত্ব দেন।

শিক্ষার্থীদের টিকা প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, মেডিক্যাল শিক্ষার্থীসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক শিক্ষার্থীদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে টিকা দেওয়া হবে। এবার তো উপহারের ৬ লাখ টিকা এসেছে। এর মধ্যে আরও আসছে। জুন থেকে আবাসিক শিক্ষার্থীদের টিকা পাওয়ার কথা।

এসময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক প্রফসার ড. সৈয়দ মো. গোলাম ফারুক, মাদরাসা শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক কে এম রুহুল আমীন কেরানীগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান শাহীন আহমেদ ও কেরানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অমিত দেব নাথ প্রমুখ।

  • সর্বশেষ - শিক্ষাঙ্গন