, ১৯ শ্রাবণ ১৪২৮ অনলাইন সংস্করণ

টিকা নিয়ে আশা দেখাতে পারলেন না ভারতীয় হাইকমিশনার

  নিজস্ব প্রতিবেদক

  প্রকাশ : 

টিকা নিয়ে আশা দেখাতে পারলেন না ভারতীয় হাইকমিশনার

ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউট থেকে অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা পাওয়ার বিষয়ে বাংলাদেশকে নতুন করে কোনো আশা দেখাতে পারেননি ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার বিক্রম কুমার দোরাইস্বামী। তিনি বলেছেন, ‘ভারতে করোনার অবস্থা এখনো করুণ। এ নিয়ে ঠিক কী হবে তা এখনই বলতে পারছি না।’ 

রোববার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে যুবলীগের নেতাদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাত করেন ভারতীয় হাইকমিশনার। সেখানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে টিকা পাওয়া নিয়ে এ অনিশ্চয়তার কথা জানান তিনি।

বিক্রম কুমার দোরাইস্বামী বলেন, ‘আমরা (ভারত) টিকা উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য কাজ করে যাচ্ছি, এ জন্য আরও কয়েক সপ্তাহ সময় লাগবে। সে সময়েই এ বিষয়ে বিবেচনা করা ভালো হবে। এ বিষয়ে বাংলাদেশের সাথে এখনও আলোচনা চলছে। উপহার হিসেবে ৩৩ লাখ টিকা দেওয়া হয়েছে। আশা করি, টিকা উৎপাদন বৃদ্ধি পেলে এটি চলমান থাকবে। কিন্তু ভারতে করোনার অবস্থা এখনও করুণ। সুতরাং পরবর্তীতে এ নিয়ে ঠিক কী হবে তা এখনই বলতে পারছি না।’

বাংলাদেশে গত ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়। ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউট থেকে ক্রয়সূত্রে ৩ কোটি টিকা পাওয়া যাবে- এমন আশাতেই টিকাদান কর্মসূচি শুরু করা হয়। কিন্তু ভারতে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ার পর দেশটি টিকা রফতানি বন্ধ করে দেয়। ফলে বাংলাদেশের টিকা পাওয়ার বিষয়টি অনিশ্চয়তার মুখে পড়ে যায়। মাঝপথে বন্ধ হয়ে যায় টিকাদান কর্মসূচি। এরইমধ্যে চীন সরকারের উপহার দেওয়া সিনোফার্মের টিকার প্রথম ডোজ প্রয়োগ শুরু হয়েছে শনিবার থেকে। আর ফাইজারের টিকা প্রয়োগ শুরু হবে সোমবার থেকে।

ভারতীয় হাইকমিশনার বিক্রম কুমার দোরাইস্বামী

রোববার বিকেল ৩টায় গুলিস্তানে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে যান ভারতীয় হাইকমিশনার। সেখানে তাকে অভ্যর্থনা জানান যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল। আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে প্রায় দুই ঘণ্টা অবস্থান করেন দোরাইস্বামী। 

এসময় দোরাইস্বামী বলেন, আমাদের দ্বিপাক্ষিক কিছু বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। যার উদ্দেশ্য ছিল বাংলাদেশ এবং ভারতের যুবকদের মধ্যে সম্পর্ক বৃদ্ধি করা। যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ বলেন, ভারত আমাদের দুঃসময়ের বন্ধু এবং সুসময়েরও সাথী। সংস্কৃতি ও শিক্ষার বিনিময়ের মাধ্যমে দুদেশের যুব সমাজের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধি করা প্রয়োজন। যাতে ভবিষ্যতে বন্ধুত্ব আরও শক্তিশালী করতে পারি। বিষয়গুলো নিয়ে আজ ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে।

বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন- যুবনেতা মামুনুর রশীদ, মজিবুর রহমান চৌধুরী (নিক্সন), খালেক শওকত আলী, রফিকুল ইসলাম, এনামুল হক খান, সুব্রত পাল, শেখ ফজেলে নাঈম, কাজী মাজহারুল ইসলাম, সাইফুর রহমান সোহাগ প্রমুখ।

  • সর্বশেষ - জাতীয়