, ১৮ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ অনলাইন সংস্করণ

শেখ আবদুল হাকিম ও বুলবুল চৌধুরীর প্রয়াণ

  ফিচার ডেস্ক

  প্রকাশ : 

শেখ আবদুল হাকিম ও বুলবুল চৌধুরীর প্রয়াণ

মানুষ ইতিহাস আশ্রিত। অতীত হাতড়েই মানুষ এগোয় ভবিষ্যৎ পানে। ইতিহাস আমাদের আধেয়। জীবনের পথপরিক্রমার অর্জন-বিসর্জন, জয়-পরাজয়, আবিষ্কার-উদ্ভাবন, রাজনীতি-অর্থনীতি-সমাজনীতি একসময় রূপ নেয় ইতিহাসে। সেই ইতিহাসের উল্লেখযোগ্য ঘটনা স্মরণ করাতেই জাগো নিউজের বিশেষ আয়োজন আজকের এই দিনে।

২৮ আগস্ট ২০২২, রোববার। ১৩ ভাদ্র ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

ঘটনা
১১৮৯ - তৃতীয় ক্রুসেড শুরু হয়।
১৮৪৫- সায়েন্টিফিক আমেরিকানের প্রথম সংখ্যা প্রকাশিত হয়।
১৮৫০- হনুলু শহরের মর্যাদা পায়।
১৮৮৩- ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের সর্বত্র দাসপ্রথা বাতিল ঘোষিত হয়।
১৯৭১- মুক্তিফৌজ ও মুক্তিযোদ্ধাদের একীভূত করে মুক্তিবাহিনী নামকরণের সিদ্ধান্ত।

জন্ম
১৭৪৯- জার্মান কবি, ঔপন্যাসিক, নাট্যকার, দার্শনিক, বিজ্ঞানী, চিত্রশিল্পী, কূটনীতিবিদ ও প্রশাসনিক ইয়োহান ভল্ফগাং ফন গ্যোটে।
১৮৫৫- বাঙালি কবি, ঔপন্যাসিক, সংগীতকার ও সমাজ সংস্কারক স্বর্ণকুমারী দেবী।
১৯০৫- বাঙালি কবি,ঔপন্যাসিক ও অনুবাদক দীনেশ গঙ্গোপাধ্যায়।
১৯০৯- ভারতীয় বাঙালি বৈমানিক ও লেখক বীরেন রায়।

মৃত্যু
১৯৭৩- বাঙালি কবি ও গীতিকার অমিয় বাগচী।
১৯৮০- প্রখ্যাত ভারতীয় বাঙালি রম্যলেখক শিবরাম চক্রবর্তী।
২০১৬- বাংলাদেশি কবি ও লেখক শহীদ কাদরী।
২০২১- লেখক ও অনুবাদক শেখ আবদুল হাকিম। ১৯৪৬ সালে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের হুগলি জেলায় তার জন্ম। ২০ বছর বয়সে প্রাতিষ্ঠানিক লেখাপড়ায় ইস্তফা দিয়ে কাজী আনোয়ার হোসেন প্রতিষ্ঠিত ‘সেবা’ প্রকাশনীতে পেশাদার লেখক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। সময়টা ষাটের দশকের মাঝামাঝি। এই প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানের জনপ্রিয় রহস্য রোমাঞ্চ উপন্যাস সিরিজ ‘কুয়াশা’ ও ‘মাসুদ রানার’ অনেক বইয়ের নেপথ্য লেখক ছিলেন তিনি। এছাড়া নিজ নামেও তিনি এই ধারার বহু জনপ্রিয় রোমাঞ্চ উপন্যাসের অনুবাদ এবং মৌলিক উপন্যাস রচনা করে পাঠকসমাজে বিপুল জনপ্রিয়তা লাভ করেন। বিশেষ করে তার অনুবাদে মারিও পুজোর গডফাদার অত্যন্ত জনপ্রিয়তা লাভ করে। মাত্র ২২ বছর বয়সে ভারতভাগের পটভূমিতে মৌলিক উপন্যাস ‘অপরিণত পাপ’ রচনা করেন। নিয়মিত অনুবাদ ও মৌলিক গ্রন্থ রচনার কাজ করেছেন। তার প্রকাশিত গ্রন্থের সংখ্যা বিপুল।
২০২১- কথা সাহিত্যিক বুলবুল চৌধুরী। ১৯৪৮ সালের ১৬ আগস্ট গাজীপুরের দক্ষিণবাগ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। পড়েছেন জগন্নাথ কলেজে (বর্তমান জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়)। লেখালেখি ছাড়াও তিনি সাংবাদিকতার সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। দৈনিক সমকালসহ বিভিন্ন দৈনিকে কাজ করেছেন। ভাষা ও সাহিত্যে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০২১ সালে তিনি একুশে পদক লাভ করেন। ‘কহকামিনী’ উপন্যাসের জন্য পেয়েছেন হুমায়ুন কাদির স্মৃতি পুরস্কার। ২০১১ সালে বাংলা একাডেমি পুরস্কার। ২০১৩ সালে ‘এই ঘরে লক্ষ্মী থাকে’ নামক উপন্যাসের জন্য পেয়েছেন ব্র্যাক ব্যাংক ও সমকাল সাহিত্য পুরস্কার। তার বিখ্যাত রচনার মধ্যে আছে-টুকা কাহিনি, দম্পতি, পাপপুণ্যি,কহকামিনী ইত্যাদি।
২০২০- বিশিষ্ট সাংবাদিক ও কথা সাহিত্যিক রাহাত খান।

  • সর্বশেষ - ফিচার